স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রতিবছরের মতো এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর আয়োজনে শরৎ উৎসব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। আজ শুক্রবার (১০ অক্টোবর) অনুষ্ঠানটি আয়োজনের কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তা স্থগিত করা হয়।
অনুষ্ঠান স্থগিতের বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে চারুকলা অনুষদ। অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আজহারুল ইসলাম শেখ স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অনুষ্ঠান আয়োজকদের একজন ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক, সাংবাদিক ও শিল্পীসমাজ কর্তৃক উৎসবটি বন্ধের জন্য চারুকলা অনুষদ বরাবর একটি আবেদনপত্র পাঠায়। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ করে আপাতত অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়।’
আগামীকাল শনিবার (১১ অক্টোবর) অনুষদের শিক্ষক ও সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে ‘ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তি বা সংগঠনের’ বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর স্থগিত অনুষ্ঠানটি আয়োজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ সবসময় শিল্প-সংস্কৃতির মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যকে লালন করে আসছে। এ ধারাবাহিকতায় বরাবরের ন্যায় এবারও শরৎ উৎসবের আয়োজন অনুমোদন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ বছর যাবত সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় শরৎ উৎসব পালন করে আসছে।
এ বিষয়ে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী স্ট্রিমকে জানান, অনুষ্ঠানের আগের দিন সন্ধ্যা ৬টায় আয়োজন স্থগিতের ব্যাপারে তাঁকে জানানো হয়। ততক্ষণে আয়োজনের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। একে তিনি সংস্কৃতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক বলে উল্লেখ করেছেন।
আয়োজকদের মধ্যে ফ্যাসিবাদের সহযোগী রয়েছেন—এমন অভিযোগের বিষয়ে মানজার চৌধুরী বলেন, ‘কে ফ্যাসিস্টের দোসর সেটা ঠিক করার জন্য সরকার একটি কমিটি ঠিক করে দিক। তখন আমরা তাঁদের বাদ দিয়ে আয়োজন করব। কেননা যদি একেক জন এসে একেক রকম দাবি করতে থাকে, তখন তো বিষয়টার কোনো মাপকাঠি থাকে না।’
আগামীকাল এক বৈঠকে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানায় চারুকলা অনুষদ। এ বিষয়ে মানজার চৌধুরী বলেন, ‘এরপর যেই মিটিং এর কথা বলা হয়েছে, সেখানে কী সিদ্ধান্ত হবে জানি না। কিন্তু এরপর আয়োজন করা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। বাংলা মাস অনুযায়ী শরৎকালের মাত্র পাঁচদিন বাকি আছে। পরের শুক্রবার কার্তিক মাসে পড়ে।’
বকুলতলায় অনুষ্ঠান করতে না পেরে গেন্ডারিয়ার কিশলয় কচি–কাঁচার মেলার মাঠে অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ নেয় সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী। কিন্তু সেখানেও পুলিশের বাধায় অনুষ্ঠান করতে পারেনি তাঁরা। পুলিশ জানায়, আগে থেকে অনুমতি না নেওয়ায় এ অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হয়নি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ স্ট্রিমকে জানান, অনুষ্ঠানটি করার আগে মাঠ কর্তৃপক্ষ কিংবা পুলিশ, কারোরই অনুমতি না নেওয়ায় এ জায়গায় অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হয়নি।
এ পরিস্থিতিতে কেবল জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও এক মিনিট নীরবতা পালন করে সংগঠনটি।

প্রতিবছরের মতো এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর আয়োজনে শরৎ উৎসব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। আজ শুক্রবার (১০ অক্টোবর) অনুষ্ঠানটি আয়োজনের কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তা স্থগিত করা হয়।
অনুষ্ঠান স্থগিতের বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে চারুকলা অনুষদ। অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আজহারুল ইসলাম শেখ স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অনুষ্ঠান আয়োজকদের একজন ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক, সাংবাদিক ও শিল্পীসমাজ কর্তৃক উৎসবটি বন্ধের জন্য চারুকলা অনুষদ বরাবর একটি আবেদনপত্র পাঠায়। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ করে আপাতত অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়।’
আগামীকাল শনিবার (১১ অক্টোবর) অনুষদের শিক্ষক ও সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে ‘ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তি বা সংগঠনের’ বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর স্থগিত অনুষ্ঠানটি আয়োজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ সবসময় শিল্প-সংস্কৃতির মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যকে লালন করে আসছে। এ ধারাবাহিকতায় বরাবরের ন্যায় এবারও শরৎ উৎসবের আয়োজন অনুমোদন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ বছর যাবত সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় শরৎ উৎসব পালন করে আসছে।
এ বিষয়ে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী স্ট্রিমকে জানান, অনুষ্ঠানের আগের দিন সন্ধ্যা ৬টায় আয়োজন স্থগিতের ব্যাপারে তাঁকে জানানো হয়। ততক্ষণে আয়োজনের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। একে তিনি সংস্কৃতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক বলে উল্লেখ করেছেন।
আয়োজকদের মধ্যে ফ্যাসিবাদের সহযোগী রয়েছেন—এমন অভিযোগের বিষয়ে মানজার চৌধুরী বলেন, ‘কে ফ্যাসিস্টের দোসর সেটা ঠিক করার জন্য সরকার একটি কমিটি ঠিক করে দিক। তখন আমরা তাঁদের বাদ দিয়ে আয়োজন করব। কেননা যদি একেক জন এসে একেক রকম দাবি করতে থাকে, তখন তো বিষয়টার কোনো মাপকাঠি থাকে না।’
আগামীকাল এক বৈঠকে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানায় চারুকলা অনুষদ। এ বিষয়ে মানজার চৌধুরী বলেন, ‘এরপর যেই মিটিং এর কথা বলা হয়েছে, সেখানে কী সিদ্ধান্ত হবে জানি না। কিন্তু এরপর আয়োজন করা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। বাংলা মাস অনুযায়ী শরৎকালের মাত্র পাঁচদিন বাকি আছে। পরের শুক্রবার কার্তিক মাসে পড়ে।’
বকুলতলায় অনুষ্ঠান করতে না পেরে গেন্ডারিয়ার কিশলয় কচি–কাঁচার মেলার মাঠে অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ নেয় সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী। কিন্তু সেখানেও পুলিশের বাধায় অনুষ্ঠান করতে পারেনি তাঁরা। পুলিশ জানায়, আগে থেকে অনুমতি না নেওয়ায় এ অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হয়নি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ স্ট্রিমকে জানান, অনুষ্ঠানটি করার আগে মাঠ কর্তৃপক্ষ কিংবা পুলিশ, কারোরই অনুমতি না নেওয়ায় এ জায়গায় অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হয়নি।
এ পরিস্থিতিতে কেবল জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও এক মিনিট নীরবতা পালন করে সংগঠনটি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
২ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে