স্ট্রিম ডেস্ক

গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর (ডিআরসি) ইটুরি প্রদেশের কোমান্ডা শহরে একটি চার্চে বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ৩৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন।
গতকাল রোববার (২৭ জুলাই) ভোরে বন্দুক ও দেশীয় অস্ত্রসজ্জিত অ্যালাইড ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এডিএফ) সদস্যরা এই হামলা চালায় বলে সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
তবে ডিআরসির রেডিও অকাপি জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা ৪৩। এর মধ্যে অন্তত ২০ জনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং কয়েকজনকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। এ হামলার দায় এডিএফের।
এডিএফ উগান্ডা ও কঙ্গোর সীমান্তবর্তী অঞ্চলের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। অতীতেও নিয়মিতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা করেছে এই গোষ্ঠী।
হামলার সময় চার্চে প্রার্থনাসভা চলছিল। হামলাকারীরা কয়েকটি বাড়ি ও দোকান পুড়িয়ে দেয় এবং বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
কোমান্ডা শহরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জ্যাঁ কাটো জানান, মানুষজন স্থানীয় একটি ক্যাথলিক চার্চের রাতের প্রার্থনায় অংশ নিচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় গভীর রাতে হামলা চালানো হয়।
কোমান্ডার সিভিল সোসাইটির এক নেতা বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, চার্চের ভেতরে ও বাইরে অনেক মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। অন্তত তিনটি পোড়া মরদেহ পাওয়া গেছে।
কোমান্ডার সিভিল সোসাইটি সমন্বয়ক দিয়ুদোনে দুরানথাবো এপিকে বলেন, ‘সব নিরাপত্তাকর্মীরা উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও এমন ঘটনা ঘটেছে। এটা অবিশ্বাস্য এবং সত্যিই হতাশাজনক।’
দুরানথাবো আরও জানান, মরদেহ খোঁজা এখনও চলছে। ভীতসন্ত্রস্ত অনেক মানুষ ইতিমধ্যে এ এলাকা ছেড়ে বুনিয়া শহরে চলে গেছে।
জাতিসংঘের কঙ্গো স্থিতিশীলতা মিশন ইটুরিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯০-এর দশকে কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ছোট দলের সমন্বয়ে অ্যালাইড ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস বা এডিএফ গঠিত হয়। ২০০২ সালে উগান্ডার সেনাবাহিনীর অভিযানের তোপের মুখে প্রতিবেশী দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) কার্যক্রম স্থানান্তর করে এডিএফ। ২০১৯ সালে ইসলামি সরকার গঠনের লক্ষ্যে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ত (আইএসআইএল) সঙ্গে জোট গঠন করে এডিএফ।

গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর (ডিআরসি) ইটুরি প্রদেশের কোমান্ডা শহরে একটি চার্চে বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ৩৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন।
গতকাল রোববার (২৭ জুলাই) ভোরে বন্দুক ও দেশীয় অস্ত্রসজ্জিত অ্যালাইড ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এডিএফ) সদস্যরা এই হামলা চালায় বলে সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
তবে ডিআরসির রেডিও অকাপি জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা ৪৩। এর মধ্যে অন্তত ২০ জনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং কয়েকজনকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। এ হামলার দায় এডিএফের।
এডিএফ উগান্ডা ও কঙ্গোর সীমান্তবর্তী অঞ্চলের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। অতীতেও নিয়মিতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা করেছে এই গোষ্ঠী।
হামলার সময় চার্চে প্রার্থনাসভা চলছিল। হামলাকারীরা কয়েকটি বাড়ি ও দোকান পুড়িয়ে দেয় এবং বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
কোমান্ডা শহরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জ্যাঁ কাটো জানান, মানুষজন স্থানীয় একটি ক্যাথলিক চার্চের রাতের প্রার্থনায় অংশ নিচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় গভীর রাতে হামলা চালানো হয়।
কোমান্ডার সিভিল সোসাইটির এক নেতা বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, চার্চের ভেতরে ও বাইরে অনেক মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। অন্তত তিনটি পোড়া মরদেহ পাওয়া গেছে।
কোমান্ডার সিভিল সোসাইটি সমন্বয়ক দিয়ুদোনে দুরানথাবো এপিকে বলেন, ‘সব নিরাপত্তাকর্মীরা উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও এমন ঘটনা ঘটেছে। এটা অবিশ্বাস্য এবং সত্যিই হতাশাজনক।’
দুরানথাবো আরও জানান, মরদেহ খোঁজা এখনও চলছে। ভীতসন্ত্রস্ত অনেক মানুষ ইতিমধ্যে এ এলাকা ছেড়ে বুনিয়া শহরে চলে গেছে।
জাতিসংঘের কঙ্গো স্থিতিশীলতা মিশন ইটুরিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯০-এর দশকে কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ছোট দলের সমন্বয়ে অ্যালাইড ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস বা এডিএফ গঠিত হয়। ২০০২ সালে উগান্ডার সেনাবাহিনীর অভিযানের তোপের মুখে প্রতিবেশী দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) কার্যক্রম স্থানান্তর করে এডিএফ। ২০১৯ সালে ইসলামি সরকার গঠনের লক্ষ্যে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ত (আইএসআইএল) সঙ্গে জোট গঠন করে এডিএফ।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
২ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
২ দিন আগে