স্ট্রিম ডেস্ক

তোশাখানা–২ দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড পাওয়ার একদিন পর দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এই মামলায় তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিকেও একই মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়েছে।
ইমরান খানের আইনজীবীদের সঙ্গে তাঁর একটি কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশ করা হয়। সেখানে ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান তাঁর সমর্থকদের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নামার আহ্বান জানান। তবে কে ওই বক্তব্যটি পোস্ট করেছেন, তা স্পষ্ট নয়। কারণ, কারাগারে থাকায় ইমরান খানের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ নেই।
ইমরান খান বলেন, তিনি খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদিকে রাজপথের আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে বার্তা পাঠিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, দেশের অধিকার আদায়ে পুরো জাতিকে রাস্তায় নামতে হবে। তিনি আরও বলেন, সংগ্রামই হলো ইবাদত। পাকিস্তানের প্রকৃত স্বাধীনতার জন্য তিনি প্রয়োজনে শাহাদাত বরণ করতেও প্রস্তুত।
তিনি জানান, এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। একই সঙ্গে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন। ইমরান খানের দাবি, কারাগারের অন্যান্য বন্দিরা টেলিভিশন দেখার সুযোগ পেলেও তিনি ও তাঁর স্ত্রী সেই সুবিধা পাচ্ছেন না।
ইমরান খান বলেন, গত তিন বছরে যেসব ভিত্তিহীন রায় ও সাজা দেওয়া হয়েছে, এই রায়ও তার ব্যতিক্রম নয়। তাঁর অভিযোগ, কোনো প্রমাণ ছাড়াই এবং আইনি প্রক্রিয়া পূর্ণাঙ্গভাবে অনুসরণ না করে তড়িঘড়ি করে এই রায় দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধান পুনর্বহালের সংগ্রামে আইনজীবীদের এগিয়ে আসা জরুরি। বিচারব্যবস্থাই সাধারণ মানুষের একমাত্র রক্ষাকবচ। ন্যায়বিচার ছাড়া কোনো অর্থনৈতিক অগ্রগতি বা নৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
ইমরান খান এই রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি ইসলামাবাদ হাইকোর্টে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দেন। এতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
দেশব্যাপী আন্দোলনের ঘোষণায় নতুন সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অতীতে পিটিআইয়ের বিক্ষোভ থেকে সহিংসতা ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। ২০২৩ সালের ৯ মে তার একটি উদাহরণ।
ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। শনিবার তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে তোশাখানা–২ দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলাটি ২০২১ সালে সৌদি আরব সরকারের কাছ থেকে পাওয়া রাষ্ট্রীয় উপহার নিয়ে অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে।
মামলাটি একটি বিলাসবহুল বুলগারি গহনার সেট সংক্রান্ত। গহনাটি ২০২১ সালে সৌদি যুবরাজের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া। অভিযোগ অনুযায়ী, গহনাটি রাষ্ট্রীয় তোশাখানায় জমা না দিয়ে অবৈধভাবে নিজেদের কাছে রাখা হয়। এছাড়া এর মূল্য কম দেখিয়ে নামমাত্র দামে কেনার অভিযোগও আনা হয়।
তোশাখানা হলো পাকিস্তানের মন্ত্রিসভা বিভাগের একটি দপ্তর। বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া উপহার সেখানে সংরক্ষণ করা হয়।
এই মামলায় ২০২৪ সালে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট বুশরা বিবিকে জামিন দেন। পরে ইমরান খানও জামিন পান। তবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে একই মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
এই রায় পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর করেছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক মহলেও এই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আগে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।

তোশাখানা–২ দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড পাওয়ার একদিন পর দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এই মামলায় তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিকেও একই মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়েছে।
ইমরান খানের আইনজীবীদের সঙ্গে তাঁর একটি কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশ করা হয়। সেখানে ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান তাঁর সমর্থকদের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নামার আহ্বান জানান। তবে কে ওই বক্তব্যটি পোস্ট করেছেন, তা স্পষ্ট নয়। কারণ, কারাগারে থাকায় ইমরান খানের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ নেই।
ইমরান খান বলেন, তিনি খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদিকে রাজপথের আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে বার্তা পাঠিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, দেশের অধিকার আদায়ে পুরো জাতিকে রাস্তায় নামতে হবে। তিনি আরও বলেন, সংগ্রামই হলো ইবাদত। পাকিস্তানের প্রকৃত স্বাধীনতার জন্য তিনি প্রয়োজনে শাহাদাত বরণ করতেও প্রস্তুত।
তিনি জানান, এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। একই সঙ্গে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন। ইমরান খানের দাবি, কারাগারের অন্যান্য বন্দিরা টেলিভিশন দেখার সুযোগ পেলেও তিনি ও তাঁর স্ত্রী সেই সুবিধা পাচ্ছেন না।
ইমরান খান বলেন, গত তিন বছরে যেসব ভিত্তিহীন রায় ও সাজা দেওয়া হয়েছে, এই রায়ও তার ব্যতিক্রম নয়। তাঁর অভিযোগ, কোনো প্রমাণ ছাড়াই এবং আইনি প্রক্রিয়া পূর্ণাঙ্গভাবে অনুসরণ না করে তড়িঘড়ি করে এই রায় দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধান পুনর্বহালের সংগ্রামে আইনজীবীদের এগিয়ে আসা জরুরি। বিচারব্যবস্থাই সাধারণ মানুষের একমাত্র রক্ষাকবচ। ন্যায়বিচার ছাড়া কোনো অর্থনৈতিক অগ্রগতি বা নৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
ইমরান খান এই রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি ইসলামাবাদ হাইকোর্টে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দেন। এতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
দেশব্যাপী আন্দোলনের ঘোষণায় নতুন সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অতীতে পিটিআইয়ের বিক্ষোভ থেকে সহিংসতা ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। ২০২৩ সালের ৯ মে তার একটি উদাহরণ।
ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। শনিবার তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে তোশাখানা–২ দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলাটি ২০২১ সালে সৌদি আরব সরকারের কাছ থেকে পাওয়া রাষ্ট্রীয় উপহার নিয়ে অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে।
মামলাটি একটি বিলাসবহুল বুলগারি গহনার সেট সংক্রান্ত। গহনাটি ২০২১ সালে সৌদি যুবরাজের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া। অভিযোগ অনুযায়ী, গহনাটি রাষ্ট্রীয় তোশাখানায় জমা না দিয়ে অবৈধভাবে নিজেদের কাছে রাখা হয়। এছাড়া এর মূল্য কম দেখিয়ে নামমাত্র দামে কেনার অভিযোগও আনা হয়।
তোশাখানা হলো পাকিস্তানের মন্ত্রিসভা বিভাগের একটি দপ্তর। বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া উপহার সেখানে সংরক্ষণ করা হয়।
এই মামলায় ২০২৪ সালে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট বুশরা বিবিকে জামিন দেন। পরে ইমরান খানও জামিন পান। তবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে একই মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
এই রায় পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর করেছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক মহলেও এই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আগে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
২ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
২ দিন আগে