শুক্রবার গাজায় ৪৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ১১ জন রাফায় গাজা জিএইচএফ ত্রাণকেন্দ্রের কাছে নিহত হয়েছেন।
স্ট্রিম ডেস্ক

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার প্রধান (ইউএনআরডব্লিউএ) ফিলিপ্পে লাজ্জারানি গাজাকে শিশু ও ক্ষুধার্তদের কবরস্থান হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ করেছেন।
গতকাল শুক্রবার (১১ জুলাই) এক্সে এক পোস্টে ফিলিপ্পে লাজ্জারানি লেখেন, ‘আমাদের চোখের সামনে শিশু ও ক্ষুধার্তদের কবরস্থান হয়ে উঠেছে গাজা।’
লাজ্জারানি আরও বলেন, ‘কোথাও যাওয়ার উপায় নেই। তাঁদের (গাজাবাসীর) হাতে দুই ধরনের মৃত্যু বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে–হয় ক্ষুধায় নয় গুলি।’
গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) গাজার দেইর আল বালাহ শহরে শিশুদের পুষ্টিসামগ্রী নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১৫ জন মারা যান। নিহতদের মধ্যে ৯ শিশু ও ৪ নারী রয়েছে। ইসরায়েলি ওই হামলায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১৯ জন শিশু রয়েছে। এই বিষয়ে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল নিন্দা জানান।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাথরিন রাসেলের বক্তব্য শেয়ার দিয়ে সেই পোস্টে লাজ্জারানি আরও বলেন, ‘কোন জবাবদিহি ছাড়াই নিষ্ঠুরভাবে তাঁদের হত্যা করা হচ্ছে। আমাদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ আজ মাটির নিচে। আমাদের নিষ্ক্রিয়তা আরও বেশি অস্থিরতা ডেকে আনবে।’
ত্রাণ আনতে গিয়ে মৃত্যু বাড়ছে
মেডিকেল সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানাচ্ছে, শুক্রবার গাজায় ৪৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ১১ জন রাফায় গাজা মানবিক সংস্থার (জিএইচএফ) ত্রাণকেন্দ্রের কাছে নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মদদে গঠিত জিএইচএফ জাতিসংঘের ত্রাণব্যবস্থাকে প্রায় কোণঠাসা করে ফেলেছে। ইসরায়েল যখন গাজায় দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা অবরোধ কিছুটা শিথিল করে, ঠিক তার পরপর, চলতি বছরের মে মাসে সংস্থাটি কাজ শুরু করে।
এর পর থেকে খাবারের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ৮১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৩৪ জন মারা গেছেন জিএইচএফ পরিচালিত সহায়তা কেন্দ্রগুলোর আশপাশে। আর বাকি ১৮৫ জন নিহত হয়েছেন অন্যান্য ত্রাণকেন্দ্রের কাছে। এর মধ্যে জাতিসংঘের সহায়তাকেন্দ্রও ছিল।
খাদ্য থাকলেও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না ট্রাক
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ ও বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন জানাচ্ছে, জিএইচএফ-এর সঙ্গে কাজ করা ইসরায়েলি সেনা ও মার্কিন ঠিকাদাররা খাবারের জন্য জড়ো হওয়া নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে আল জাজিরার গ্যাব্রিয়েল এলিজোনডো জানান, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) উপনির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কাও এক সংবাদ সম্মেলনে গাজায় চলমান পরিস্থিতিকে ‘তার দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছেন।
স্কাও সম্প্রতি গাজায় তাঁর চতুর্থ সফর শেষ করে নিউইয়র্কে ফিরেছেন। তিনি বলেন, ডব্লিউএফপির কাছে গাজার পুরো জনগণের জন্য দুই মাসের খাবার মজুত রয়েছে। কিন্তু সেই খাবারবাহী ট্রাকগুলোকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে গাজাবাসীরা বাধ্য হয়ে জিএইচএফ-এর ওপর নির্ভর করছে।

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার প্রধান (ইউএনআরডব্লিউএ) ফিলিপ্পে লাজ্জারানি গাজাকে শিশু ও ক্ষুধার্তদের কবরস্থান হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ করেছেন।
গতকাল শুক্রবার (১১ জুলাই) এক্সে এক পোস্টে ফিলিপ্পে লাজ্জারানি লেখেন, ‘আমাদের চোখের সামনে শিশু ও ক্ষুধার্তদের কবরস্থান হয়ে উঠেছে গাজা।’
লাজ্জারানি আরও বলেন, ‘কোথাও যাওয়ার উপায় নেই। তাঁদের (গাজাবাসীর) হাতে দুই ধরনের মৃত্যু বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে–হয় ক্ষুধায় নয় গুলি।’
গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) গাজার দেইর আল বালাহ শহরে শিশুদের পুষ্টিসামগ্রী নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১৫ জন মারা যান। নিহতদের মধ্যে ৯ শিশু ও ৪ নারী রয়েছে। ইসরায়েলি ওই হামলায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১৯ জন শিশু রয়েছে। এই বিষয়ে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল নিন্দা জানান।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাথরিন রাসেলের বক্তব্য শেয়ার দিয়ে সেই পোস্টে লাজ্জারানি আরও বলেন, ‘কোন জবাবদিহি ছাড়াই নিষ্ঠুরভাবে তাঁদের হত্যা করা হচ্ছে। আমাদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ আজ মাটির নিচে। আমাদের নিষ্ক্রিয়তা আরও বেশি অস্থিরতা ডেকে আনবে।’
ত্রাণ আনতে গিয়ে মৃত্যু বাড়ছে
মেডিকেল সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানাচ্ছে, শুক্রবার গাজায় ৪৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ১১ জন রাফায় গাজা মানবিক সংস্থার (জিএইচএফ) ত্রাণকেন্দ্রের কাছে নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মদদে গঠিত জিএইচএফ জাতিসংঘের ত্রাণব্যবস্থাকে প্রায় কোণঠাসা করে ফেলেছে। ইসরায়েল যখন গাজায় দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা অবরোধ কিছুটা শিথিল করে, ঠিক তার পরপর, চলতি বছরের মে মাসে সংস্থাটি কাজ শুরু করে।
এর পর থেকে খাবারের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ৮১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৩৪ জন মারা গেছেন জিএইচএফ পরিচালিত সহায়তা কেন্দ্রগুলোর আশপাশে। আর বাকি ১৮৫ জন নিহত হয়েছেন অন্যান্য ত্রাণকেন্দ্রের কাছে। এর মধ্যে জাতিসংঘের সহায়তাকেন্দ্রও ছিল।
খাদ্য থাকলেও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না ট্রাক
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ ও বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন জানাচ্ছে, জিএইচএফ-এর সঙ্গে কাজ করা ইসরায়েলি সেনা ও মার্কিন ঠিকাদাররা খাবারের জন্য জড়ো হওয়া নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে আল জাজিরার গ্যাব্রিয়েল এলিজোনডো জানান, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) উপনির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কাও এক সংবাদ সম্মেলনে গাজায় চলমান পরিস্থিতিকে ‘তার দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছেন।
স্কাও সম্প্রতি গাজায় তাঁর চতুর্থ সফর শেষ করে নিউইয়র্কে ফিরেছেন। তিনি বলেন, ডব্লিউএফপির কাছে গাজার পুরো জনগণের জন্য দুই মাসের খাবার মজুত রয়েছে। কিন্তু সেই খাবারবাহী ট্রাকগুলোকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে গাজাবাসীরা বাধ্য হয়ে জিএইচএফ-এর ওপর নির্ভর করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার দুই মাস না পেরোতে ভেনেজুয়েলার পরিবেশ যেন আমূল বদলে গেছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।
৬ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান শুরুর আগেই মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মসজিদের প্রাঙ্গণ থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, তা তেহরান স্পষ্ট করেনি।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১ দিন আগে