স্ট্রিম ডেস্ক

মে মাসের সংঘাতের কয়েক মাস পরেও ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে টানাপোড়েন থামেনি। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। দুই পক্ষই দাবি করছে নিজেদের সাফল্য।
সম্প্রতি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভী বললেন, মে মাসের সংঘাতে পাকিস্তান যে পাঁচটি ভারতীয় বিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে, পাকিস্তানের কাছে তার ভিডিও প্রমাণ আছে।
অনেক আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানের এই দাবিকে সমর্থন করেছেন। দিল্লি শুরু থেকেই এই ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। শুধু কয়েকজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত বক্তব্য এসেছে।
এরপরই এই মাসে ভারতের বিমান বাহিনীর প্রধান দাবি করেন, পাকিস্তানের ছয়টি বিমান ভূপাতিত হয়েছে। তবে তিনি দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি। সেই সূত্র ধরেই পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য।
আইওয়ান-ই-ইকবাল-এ ‘পাকিস্তানের সামরিক ও কূটনৈতিক সাফল্য এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়ার প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় নকভী বলেন, রাডার তথ্য নিশ্চিত করেছে যে, ভারতের বিমানগুলো ভূপাতিত হয়েছে। তবে সরকার জনসমক্ষে ঘোষণা করার আগে প্রত্যক্ষ প্রমাণ সংগ্রহ করেছে।
তিনি আরও জানান, সংঘাতস্থল থেকে খুব কম সময়ের মধ্যে ভিডিও ক্লিপ সংগ্রহ করা হয়েছে। এটা পাকিস্তানের গোয়েন্দা দক্ষতার প্রমাণ।
সংঘাতের পর ভারত অধিকৃত কাশ্মীর থেকে কিছু ছবি বেরিয়েছিল। ছবিতে একটি বিমান বিধ্বস্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিমানটি দেখতে ভারতীয় রাফালে বিমানের মতো। এরকম আরও ছবি অনলাইনে ছড়িয়েছিল, কিন্তু তখন তা যাচাই করা যায়নি।
মন্ত্রী জানান, পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিগুলোতে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করতে সক্ষম হয়নি। রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা গুরুতর কোনও ক্ষতি করতে পারেনি।
তিনি বলেন, কেবল একটি বিমানঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একজন সেনা শহীদ হয়েছেন। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনীরের নেতৃত্ব অসাধারণ ছিল। পাকিস্তান চাইলে ভারতের আরও ক্ষতি করতে পারত। তবে যেটুকু আঘাত পেয়েছে নয়া দিল্লি তাই সামলাতে পারেনি।
মন্ত্রী বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকারের দুই শীর্ষ ব্যক্তি—অজিত দোভাল ও অমিত শাহ—‘পাহালগাম নাটকের’ মূল খেলোয়াড় এবং তাঁরা ভারতের পতনের কারণ হতে পারেন। নকভী বলেন, পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ চালু রাখা খুব জরুরি। তাহলে দেশের ভেতর মতপার্থক্য দূর করে জাতীয় একতা বজায় রাখা যাবে।
একই অনুষ্ঠানে সিনেট চেয়ারম্যান ইউসুফ রেজা গিলানি বলেন, দেশের সব প্রতিষ্ঠান পাকিস্তানের ভারতের বিরুদ্ধে বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পাহেলগাম ঘটনার ভারতীয় মিথ্যাচার প্রত্যাখ্যান করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তান সতর্কতা দেখিয়েছে এবং প্রতিরক্ষা বজায় রেখেছে, যাতে আঞ্চলিক উত্তেজনা না বাড়ে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব ও প্রস্তুতি দিয়ে বিশ্বের নজর কেড়েছে।’
পাঞ্জাব বিধানসভা স্পিকার মালিক মুহাম্মদ আহমেদ খান বলেন, পাকিস্তান সামরিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে চমকপ্রদ সাফল্য অর্জন করেছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। তিনি বলেন, সফল সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং কার্যকর বিদেশনীতি পাকিস্তানকে শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
শেষে তিনি বলেন, ভারতের আগ্রাসী মনোভাবকে বিশ্বমঞ্চে প্রকাশ করা পাকিস্তানের বড় অর্জন।
ডন থেকে নেওয়া ইংরেজির অনুবাদ

মে মাসের সংঘাতের কয়েক মাস পরেও ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে টানাপোড়েন থামেনি। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। দুই পক্ষই দাবি করছে নিজেদের সাফল্য।
সম্প্রতি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভী বললেন, মে মাসের সংঘাতে পাকিস্তান যে পাঁচটি ভারতীয় বিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে, পাকিস্তানের কাছে তার ভিডিও প্রমাণ আছে।
অনেক আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানের এই দাবিকে সমর্থন করেছেন। দিল্লি শুরু থেকেই এই ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। শুধু কয়েকজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত বক্তব্য এসেছে।
এরপরই এই মাসে ভারতের বিমান বাহিনীর প্রধান দাবি করেন, পাকিস্তানের ছয়টি বিমান ভূপাতিত হয়েছে। তবে তিনি দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি। সেই সূত্র ধরেই পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য।
আইওয়ান-ই-ইকবাল-এ ‘পাকিস্তানের সামরিক ও কূটনৈতিক সাফল্য এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়ার প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় নকভী বলেন, রাডার তথ্য নিশ্চিত করেছে যে, ভারতের বিমানগুলো ভূপাতিত হয়েছে। তবে সরকার জনসমক্ষে ঘোষণা করার আগে প্রত্যক্ষ প্রমাণ সংগ্রহ করেছে।
তিনি আরও জানান, সংঘাতস্থল থেকে খুব কম সময়ের মধ্যে ভিডিও ক্লিপ সংগ্রহ করা হয়েছে। এটা পাকিস্তানের গোয়েন্দা দক্ষতার প্রমাণ।
সংঘাতের পর ভারত অধিকৃত কাশ্মীর থেকে কিছু ছবি বেরিয়েছিল। ছবিতে একটি বিমান বিধ্বস্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিমানটি দেখতে ভারতীয় রাফালে বিমানের মতো। এরকম আরও ছবি অনলাইনে ছড়িয়েছিল, কিন্তু তখন তা যাচাই করা যায়নি।
মন্ত্রী জানান, পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিগুলোতে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করতে সক্ষম হয়নি। রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা গুরুতর কোনও ক্ষতি করতে পারেনি।
তিনি বলেন, কেবল একটি বিমানঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একজন সেনা শহীদ হয়েছেন। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনীরের নেতৃত্ব অসাধারণ ছিল। পাকিস্তান চাইলে ভারতের আরও ক্ষতি করতে পারত। তবে যেটুকু আঘাত পেয়েছে নয়া দিল্লি তাই সামলাতে পারেনি।
মন্ত্রী বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকারের দুই শীর্ষ ব্যক্তি—অজিত দোভাল ও অমিত শাহ—‘পাহালগাম নাটকের’ মূল খেলোয়াড় এবং তাঁরা ভারতের পতনের কারণ হতে পারেন। নকভী বলেন, পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ চালু রাখা খুব জরুরি। তাহলে দেশের ভেতর মতপার্থক্য দূর করে জাতীয় একতা বজায় রাখা যাবে।
একই অনুষ্ঠানে সিনেট চেয়ারম্যান ইউসুফ রেজা গিলানি বলেন, দেশের সব প্রতিষ্ঠান পাকিস্তানের ভারতের বিরুদ্ধে বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পাহেলগাম ঘটনার ভারতীয় মিথ্যাচার প্রত্যাখ্যান করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তান সতর্কতা দেখিয়েছে এবং প্রতিরক্ষা বজায় রেখেছে, যাতে আঞ্চলিক উত্তেজনা না বাড়ে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব ও প্রস্তুতি দিয়ে বিশ্বের নজর কেড়েছে।’
পাঞ্জাব বিধানসভা স্পিকার মালিক মুহাম্মদ আহমেদ খান বলেন, পাকিস্তান সামরিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে চমকপ্রদ সাফল্য অর্জন করেছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। তিনি বলেন, সফল সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং কার্যকর বিদেশনীতি পাকিস্তানকে শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
শেষে তিনি বলেন, ভারতের আগ্রাসী মনোভাবকে বিশ্বমঞ্চে প্রকাশ করা পাকিস্তানের বড় অর্জন।
ডন থেকে নেওয়া ইংরেজির অনুবাদ

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
২ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
২ দিন আগে