সুস্থ থাকার জন্য খাবারের মান বা ডায়েট বেশি জরুরি, নাকি খাওয়ার সময় বা টাইমিং বেশি জরুরি? নাকি সুস্বাস্থ্যের জন্য ডায়েট আর টাইমিং একে অপরের পরিপূরক? বিশ্বের খ্যাতনামা গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক উত্তর বিস্তারিত আলোচনা হবে এই লেখায়।
স্ট্রিম ডেস্ক

ওজন কমানো বা সুস্থ থাকার কথা ভাবলেই আমরা আগে ডায়েটের হিসাব করি। কী খাব, কতটা খাব, কার্বোহাইড্রেট কমাব নাকি ফ্যাট; এই হিসাব কষতেই আমরা ব্যস্ত থাকি। কিন্তু আমরা অনেকেই যেটা খেয়াল করি না, তা হলো আমরা ‘কখন’ খাচ্ছি। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, খাওয়ার সময় বা টাইমিংও খুব গুরুত্বপূর্ণ। যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হচ্ছে ‘ক্রোনো-নিউট্রিশন’।
ক্রোনো-নিউট্রিশন হলো পুষ্টিবিজ্ঞানের একটি আধুনিক শাখা, যেখানে ‘কখন খাচ্ছেন’ সেটা ‘কী খাচ্ছেন’-এর মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ‘ক্রোনো’ শব্দটি এসেছে ‘টাইম’ বা সময় থেকে, আর ‘নিউট্রিশন’ মানে পুষ্টি। অর্থাৎ, আমাদের শরীরের বায়োলজিক্যাল ক্লকের সঙ্গে খাবারের সময়ের সম্পর্ক নিয়েই এই ধারণা কাজ করে।
সুস্থ থাকার জন্য খাবারের মান বেশি জরুরি, নাকি খাওয়ার সময়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চিকিৎসাবিজ্ঞান দুটি দিকই গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।
পুষ্টিবিজ্ঞানের মূল কথা হলো, আপনি কী খাচ্ছেন, সেটাই আপনার স্বাস্থ্যের ভিত্তি। দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন-এ প্রকাশিত একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ওজন কমানোর জন্য ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ বা ‘ক্যালোরি ডেফিসিট’ হলো প্রাথমিক শর্ত।

এটা বুঝতে একটা সহজ উদাহরণ ধরা যাক। ধরুন, আপনি একটি দামি গাড়ি কিনলেন। কিন্তু সেই গাড়িতে ভালো তেলের বদলে ভেজাল তেল ব্যবহার করলেন। এখন আপনি যত নিয়ম মেনেই গাড়ি চালান না কেন, ইঞ্জিন একসময় নষ্ট হবেই। মানবদেহও ঠিক এমনই। শরীর ঠিকভাবে কাজ করতে চায় ভালো মানের প্রোটিন, ভিটামিন আর মিনারেল।
আপনি যদি সারাদিন ঠিক সময় মেনেই খান, কিন্তু সেই খাবার যদি হয় ফাস্টফুড, অতিরিক্ত চিনি আর প্রক্রিয়াজাত খাবার, তাহলে শুধু টাইমিং দিয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব নয়। অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে কেবল টাইমিং ঠিক রেখে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকা প্রায় অসম্ভব।
খাবারের মান ঠিক থাকার পরেও খাওয়ার সময় কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, তার কারণ লুকিয়ে আছে আমাদের শরীরের ভেতরের এক অদৃশ্য ঘড়িতে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় সার্কাডিয়ান রিদম।
হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং-এর তথ্যমতে, এই শরীরঘড়ি সূর্যের আলোর সঙ্গে মিলিয়ে আমাদের হরমোন, হজমশক্তি এবং মেটাবোলিজম নিয়ন্ত্রণ করে। অনেক গবেষণায় দেখা যায়, দিনের বেলা আমাদের শরীর খাবার হজম করতে এবং রক্ত থেকে চিনি শোষণ করতে সবচেয়ে বেশি সক্ষম থাকে। সন্ধ্যা নামার পর শরীর প্রাকৃতিকভাবেই ‘বিশ্রাম মোডে’ চলে যায়। তখন আমাদের দেহে মেলাটোনিন হরমোন ক্ষরিত হয়, যা আমাদের ঘুমের প্রস্তুতি নিতে বলে।
সেল মেটাবলিজম জার্নালে ২০২২ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা রাতে দেরি করে খায়, তাঁদের শরীরে ‘লেপটিন’ বা ক্ষুধা নিবারণের হরমোন কমে যায় এবং ‘ঘেরলিন’ ক্ষুধা তৈরির হরমোন বেড়ে যায়।
গবেষকরা প্রমাণ করেছেন যে, একই পরিমাণ খাবার দুপুরে না খেয়ে যদি কেউ রাত ১০টার পরে খায়, তবে তাঁর শরীর ক্যালোরি পোড়ানোর বদলে তা ‘চর্বি’ হিসেবে জমা রাখতে বেশি পছন্দ করে। অর্থাৎ, ‘ক্যালোরি ইজ ক্যালোরি’ এই পুরোনো ধারণাটি পুরোপুরি সঠিক নয়। ক্যালোরি কীভাবে কাজ করবে তা নির্ভর করে আপনি সেটি দিনের কোন সময়ে গ্রহণ করছেন তার ওপর।
পুষ্টিবিদদের মতে, এই দুইয়ের মধ্যে একটাকে বেছে নেওয়া আসলে ঠিক না। কারণ দুটির কাজ ভিন্ন। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে টাইমিং গুরুত্বপূর্ণ হলেও খাবারের মান বা ক্যালোরির ভূমিকা এখানে প্রধান।

কিন্তু মেটাবলিক হেলথ বা ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ থেকে বাঁচতে টাইমিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সকালের নাস্তা এড়িয়ে যায় এবং রাতের খাবার দেরিতে খায়, তাঁদের হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বেশি। ঠিক সময়ে খাবার খেলে শরীরের ইনসুলিন সেনসিটিভিটি ভালো থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞরা তাই বলছেন, সুস্বাস্থ্যের জন্য ডায়েট আর টাইমিং একে অপরের পরিপূরক।
বিখ্যাত জীববিজ্ঞানী সাচিন পান্ডার মতে ‘টাইম-রেস্ট্রিক্টেড ইটিং’ বা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খাবার শেষ করা স্বাস্থ্যের জন্য জাদুকরী ভূমিকা রাখতে পারে। সেরা ফলাফলের জন্য বিজ্ঞানীরা কিছু অভ্যাসের ওপর জোর দিচ্ছেন। যেমন, চেষ্টা করতে হবে দিনের আলো থাকতে থাকতে বা সন্ধ্যার পরপরই রাতের খাবার শেষ করতে। ঘুমানোর অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে খাওয়া শেষ করা শরীরের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। এছাড়া সারাদিন যা-ই খাওয়া হোক না কেন, রাতের খাবার এবং পরের দিনের সকালের নাস্তার মধ্যে অন্তত ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার বিরতি দিলে শরীর নিজেকে মেরামত করার সুযোগ পায়।
তাই নিজেকে সুস্থ রাখতে আপনার খাবারের পাতে রাখুন সবুজ শাকসবজি ও প্রোটিনযুক্ত খাবার, আর নজর রাখুন ঘড়ির কাঁটার দিকে।

ওজন কমানো বা সুস্থ থাকার কথা ভাবলেই আমরা আগে ডায়েটের হিসাব করি। কী খাব, কতটা খাব, কার্বোহাইড্রেট কমাব নাকি ফ্যাট; এই হিসাব কষতেই আমরা ব্যস্ত থাকি। কিন্তু আমরা অনেকেই যেটা খেয়াল করি না, তা হলো আমরা ‘কখন’ খাচ্ছি। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, খাওয়ার সময় বা টাইমিংও খুব গুরুত্বপূর্ণ। যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হচ্ছে ‘ক্রোনো-নিউট্রিশন’।
ক্রোনো-নিউট্রিশন হলো পুষ্টিবিজ্ঞানের একটি আধুনিক শাখা, যেখানে ‘কখন খাচ্ছেন’ সেটা ‘কী খাচ্ছেন’-এর মতোই গুরুত্বপূর্ণ। ‘ক্রোনো’ শব্দটি এসেছে ‘টাইম’ বা সময় থেকে, আর ‘নিউট্রিশন’ মানে পুষ্টি। অর্থাৎ, আমাদের শরীরের বায়োলজিক্যাল ক্লকের সঙ্গে খাবারের সময়ের সম্পর্ক নিয়েই এই ধারণা কাজ করে।
সুস্থ থাকার জন্য খাবারের মান বেশি জরুরি, নাকি খাওয়ার সময়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চিকিৎসাবিজ্ঞান দুটি দিকই গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।
পুষ্টিবিজ্ঞানের মূল কথা হলো, আপনি কী খাচ্ছেন, সেটাই আপনার স্বাস্থ্যের ভিত্তি। দ্য নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন-এ প্রকাশিত একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ওজন কমানোর জন্য ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ বা ‘ক্যালোরি ডেফিসিট’ হলো প্রাথমিক শর্ত।

এটা বুঝতে একটা সহজ উদাহরণ ধরা যাক। ধরুন, আপনি একটি দামি গাড়ি কিনলেন। কিন্তু সেই গাড়িতে ভালো তেলের বদলে ভেজাল তেল ব্যবহার করলেন। এখন আপনি যত নিয়ম মেনেই গাড়ি চালান না কেন, ইঞ্জিন একসময় নষ্ট হবেই। মানবদেহও ঠিক এমনই। শরীর ঠিকভাবে কাজ করতে চায় ভালো মানের প্রোটিন, ভিটামিন আর মিনারেল।
আপনি যদি সারাদিন ঠিক সময় মেনেই খান, কিন্তু সেই খাবার যদি হয় ফাস্টফুড, অতিরিক্ত চিনি আর প্রক্রিয়াজাত খাবার, তাহলে শুধু টাইমিং দিয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব নয়। অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে কেবল টাইমিং ঠিক রেখে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকা প্রায় অসম্ভব।
খাবারের মান ঠিক থাকার পরেও খাওয়ার সময় কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, তার কারণ লুকিয়ে আছে আমাদের শরীরের ভেতরের এক অদৃশ্য ঘড়িতে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় সার্কাডিয়ান রিদম।
হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং-এর তথ্যমতে, এই শরীরঘড়ি সূর্যের আলোর সঙ্গে মিলিয়ে আমাদের হরমোন, হজমশক্তি এবং মেটাবোলিজম নিয়ন্ত্রণ করে। অনেক গবেষণায় দেখা যায়, দিনের বেলা আমাদের শরীর খাবার হজম করতে এবং রক্ত থেকে চিনি শোষণ করতে সবচেয়ে বেশি সক্ষম থাকে। সন্ধ্যা নামার পর শরীর প্রাকৃতিকভাবেই ‘বিশ্রাম মোডে’ চলে যায়। তখন আমাদের দেহে মেলাটোনিন হরমোন ক্ষরিত হয়, যা আমাদের ঘুমের প্রস্তুতি নিতে বলে।
সেল মেটাবলিজম জার্নালে ২০২২ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা রাতে দেরি করে খায়, তাঁদের শরীরে ‘লেপটিন’ বা ক্ষুধা নিবারণের হরমোন কমে যায় এবং ‘ঘেরলিন’ ক্ষুধা তৈরির হরমোন বেড়ে যায়।
গবেষকরা প্রমাণ করেছেন যে, একই পরিমাণ খাবার দুপুরে না খেয়ে যদি কেউ রাত ১০টার পরে খায়, তবে তাঁর শরীর ক্যালোরি পোড়ানোর বদলে তা ‘চর্বি’ হিসেবে জমা রাখতে বেশি পছন্দ করে। অর্থাৎ, ‘ক্যালোরি ইজ ক্যালোরি’ এই পুরোনো ধারণাটি পুরোপুরি সঠিক নয়। ক্যালোরি কীভাবে কাজ করবে তা নির্ভর করে আপনি সেটি দিনের কোন সময়ে গ্রহণ করছেন তার ওপর।
পুষ্টিবিদদের মতে, এই দুইয়ের মধ্যে একটাকে বেছে নেওয়া আসলে ঠিক না। কারণ দুটির কাজ ভিন্ন। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে টাইমিং গুরুত্বপূর্ণ হলেও খাবারের মান বা ক্যালোরির ভূমিকা এখানে প্রধান।

কিন্তু মেটাবলিক হেলথ বা ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ থেকে বাঁচতে টাইমিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সকালের নাস্তা এড়িয়ে যায় এবং রাতের খাবার দেরিতে খায়, তাঁদের হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বেশি। ঠিক সময়ে খাবার খেলে শরীরের ইনসুলিন সেনসিটিভিটি ভালো থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞরা তাই বলছেন, সুস্বাস্থ্যের জন্য ডায়েট আর টাইমিং একে অপরের পরিপূরক।
বিখ্যাত জীববিজ্ঞানী সাচিন পান্ডার মতে ‘টাইম-রেস্ট্রিক্টেড ইটিং’ বা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খাবার শেষ করা স্বাস্থ্যের জন্য জাদুকরী ভূমিকা রাখতে পারে। সেরা ফলাফলের জন্য বিজ্ঞানীরা কিছু অভ্যাসের ওপর জোর দিচ্ছেন। যেমন, চেষ্টা করতে হবে দিনের আলো থাকতে থাকতে বা সন্ধ্যার পরপরই রাতের খাবার শেষ করতে। ঘুমানোর অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে খাওয়া শেষ করা শরীরের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। এছাড়া সারাদিন যা-ই খাওয়া হোক না কেন, রাতের খাবার এবং পরের দিনের সকালের নাস্তার মধ্যে অন্তত ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার বিরতি দিলে শরীর নিজেকে মেরামত করার সুযোগ পায়।
তাই নিজেকে সুস্থ রাখতে আপনার খাবারের পাতে রাখুন সবুজ শাকসবজি ও প্রোটিনযুক্ত খাবার, আর নজর রাখুন ঘড়ির কাঁটার দিকে।
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
৯ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১১ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে