এবারের ডাকসু নির্বাচনে শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল সাইবার স্পেস। প্রার্থীদের প্রচারণার একটি বড় অংশ ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-কেন্দ্রিক হওয়ায়, শুরু থেকেই চলে প্ল্যাটফর্ম দখলের অলিখিত প্রতিযোগিতা। তবে প্রচারণায় 'বট' বা ভুয়া অ্যাকাউন্টের ব্যবহারের বিষয়টি সবার জন্য হয়ে ওঠে অস্বস্তির কারণ।
স্ট্রিম ডেস্ক

আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। দীর্ঘ ছয় বছরের বিরতির পর আবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ডাকসু। এ নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়েছে সারাদেশে। এমনকি অনেকেই মনে করছেন, এ নির্বাচন প্রশাসনের জন্য জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি পরীক্ষা। এর মধ্যে এ নির্বাচন ঘিরে উঠেছে নানা অভিযোগ। যদিও সাধারণ শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, পুরো ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। কিন্তু অনেকেই দাবি করছেন, কিছু অমীমাংসিত বিষয় এবারের ডাকসু নির্বাচনের ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। অমীমাংসিত সেই বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বট অ্যাকাউন্ট, সাইবার বুলিং, নির্বাচনের কমিশনের পক্ষপাত ইত্যাদি।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল সাইবার স্পেস। প্রার্থীদের প্রচারণার একটি বড় অংশ ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-কেন্দ্রিক হওয়ায়, শুরু থেকেই চলে প্ল্যাটফর্ম দখলের অলিখিত প্রতিযোগিতা। তবে প্রচারণায় 'বট' বা ভুয়া অ্যাকাউন্টের ব্যবহারের বিষয়টি সবার জন্য হয়ে ওঠে অস্বস্তির কারণ। বিভিন্ন প্যানেলের পক্ষ থেকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বট আইডি ব্যবহার করে কুৎসা রটানো, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা ও নারী প্রার্থীদের চরিত্রহননের অভিযোগ ওঠে।
বট আইডি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে ছাত্রদলের নারী নেত্রীদের হেনস্তা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসু নির্বাচনে ছাত্র-সংগঠনটির মনোনীত সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ।
আবার ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থীরাও সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রদলের বিভিন্ন পদধারী নেতাকর্মীদের অ্যাকাউন্ট থেকে তাদের নারী প্রার্থীদের ওপর 'বট আক্রমণের' প্রমাণ হিসেবে স্ক্রিনশট উপস্থাপন করেন।
যদিও ছাত্রদলের আরেক নেতা আউয়াল দাবি করেন, বট আইডির ভোটে অনলাইনে জিতলেও ডাকসুতে এ সুযোগ নেই। তবুও অনেকেই সন্দেহ করছেন বট আইডি এ ধরনের আক্রমণ ভোটারদের মনস্তত্ত্বকে প্রভাব ফেলতে পারে। যা সরাসরি নির্বাচনে ফলাফলেও প্রভাব ফেলবে।
গত রোববার নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘অপেশাদার আচরণ’ ও ‘একটি দলের প্রতি’ পক্ষপাতের অভিযোগ করেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম। আবার অন্যদিকে গত ৪ সেপ্টেম্বর ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী আবু বাকের মজুমদার অভিযোগ করেন, ডাকসু নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কমাতে নির্বাচন কমিশন ছক আঁকছে।
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর প্রতিরোধ পর্ষদ প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী মেঘমল্লার বসু অভিযোগ করেন, ‘একটা লোককে ভিপি বানাতে ডাকসু আয়োজন করা হচ্ছে।’ যদিও নির্বাচন কমিশনের কাদের পক্ষে কাজ করছে এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি সাদিক কায়েম কিংবা মেঘমল্লার বসু। তবে অভিযোগ শুধু এতেই থেমে নেই, প্রচারণায় আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
স্বাধীন পর্যবেক্ষকরা দাবি করছেন, ডাকসুর নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ যদি অল্প পরিমাণেও সত্য হয়, তবে তা নির্বাচনের ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।
গত কয়েক দিন ধরেই বেশ জোরেসোরে চলছিল প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের প্রচারণা। কিন্তু এর মধ্যে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের বিরুদ্ধে দলীয় ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ উঠে। নির্দিষ্ট প্যানেলে ভোট দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের থেকে ‘ফোন ও বার্তা’ পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য যেভাবে বাইরে চলে যাচ্ছে, এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযোগ করলেও নিরাপত্তার শঙ্কায় পরিচয় প্রকাশ করতে চাইছেন না অভিযোগকারীরা।
এই বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জসীম উদ্দীন বলেন, তাঁরা কাউকে কোনো তথ্য দেননি এবং এই বিষয়ে কেউ তাদের কাছে কোনো অভিযোগ করেনি।
এই বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের যে সন্দেহ (তথ্য বেহাত হওয়ার)– সেটাও আমিও শুনেছি। তাঁরা বলছে, যাঁদের কাছে ডাটাবেজ আছে, বিশেষ করে অনলাইন ভর্তি কমিটি কিংবা অন্য কোনো পক্ষের; তাঁদের যদি হাত থাকে, এটা উল্লেখ করে তাঁরা (প্রার্থীরা) অভিযোগ করুক। আমরা তাঁদের বলব, ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।’
অনেকেই দাবি করছেন, প্রশাসনের এমন অপেশাদারিত্ব ভোটারদের মধ্যে ভীতি আরও বাড়িয়ে দেবে। এখন যদি ব্যক্তিগত তথ্য এভাবে ফাঁস হতে পারে তবে ভোটের পর কে কাকে ভোট দিচ্ছে এমন ‘অসম্ভব বিষয়’ ফাঁস হওয়ার ভয় থেকেই যায়। যা ভোটারদের নির্বাচন পদ্ধতির ওপর অনাস্থা তৈরি করতে পারে। ফলে এর প্রভাব পড়বে ভোটার উপস্থিতিতে।
ডাকসু নির্বাচনে সাইবার বুলিং ও অনলাইন হয়রানির সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছেন নারী প্রার্থীরা। এবারের ডাকসু নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক নারী প্রার্থী অংশগ্রহণ করলেও, তাদের অনেকেই অনলাইনে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং হুমকির শিকার হচ্ছেন। এক নারী প্রার্থীকে ‘গণধর্ষণের’ হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর ঘটনাও ঘটেছে, এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে।
নির্বাচন কমিশন সাইবার বুলিংকে এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
এর আগে গত ৩০ আগস্ট চারুকলা অনুষদে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ফেস্টুনে কার্যনির্বাহী পদে নারী প্রার্থী সাবিকুন নাহার তামান্নার মাথায় মার্কার ব্যবহার করে শিং আঁকা হয়। এই ছবি অনলাইনে দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনা-সালাচনার জন্ম দেয়।
ক্রমাগত এমন বুলিং ও হুমকি নারী প্রার্থীদের প্রচারণায় সামনের সারিতে আসতে বাধা সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন স্বাধীন পর্যবেক্ষকরা। ফলে ভোটারদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগেও খানিকটা ঘাটতি থেকে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এই ঘটনা আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হলেও ভোটের রাজনীতিতে তা বড় নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।
এইসব সমালোচনার মধ্যেই আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ডাকসু নির্বাচন। ফলাফল কতটা প্রভাবমুক্ত হবে, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ফলাফল ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত।

আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। দীর্ঘ ছয় বছরের বিরতির পর আবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ডাকসু। এ নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়েছে সারাদেশে। এমনকি অনেকেই মনে করছেন, এ নির্বাচন প্রশাসনের জন্য জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি পরীক্ষা। এর মধ্যে এ নির্বাচন ঘিরে উঠেছে নানা অভিযোগ। যদিও সাধারণ শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, পুরো ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। কিন্তু অনেকেই দাবি করছেন, কিছু অমীমাংসিত বিষয় এবারের ডাকসু নির্বাচনের ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। অমীমাংসিত সেই বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বট অ্যাকাউন্ট, সাইবার বুলিং, নির্বাচনের কমিশনের পক্ষপাত ইত্যাদি।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল সাইবার স্পেস। প্রার্থীদের প্রচারণার একটি বড় অংশ ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-কেন্দ্রিক হওয়ায়, শুরু থেকেই চলে প্ল্যাটফর্ম দখলের অলিখিত প্রতিযোগিতা। তবে প্রচারণায় 'বট' বা ভুয়া অ্যাকাউন্টের ব্যবহারের বিষয়টি সবার জন্য হয়ে ওঠে অস্বস্তির কারণ। বিভিন্ন প্যানেলের পক্ষ থেকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বট আইডি ব্যবহার করে কুৎসা রটানো, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা ও নারী প্রার্থীদের চরিত্রহননের অভিযোগ ওঠে।
বট আইডি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে ছাত্রদলের নারী নেত্রীদের হেনস্তা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসু নির্বাচনে ছাত্র-সংগঠনটির মনোনীত সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ।
আবার ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থীরাও সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রদলের বিভিন্ন পদধারী নেতাকর্মীদের অ্যাকাউন্ট থেকে তাদের নারী প্রার্থীদের ওপর 'বট আক্রমণের' প্রমাণ হিসেবে স্ক্রিনশট উপস্থাপন করেন।
যদিও ছাত্রদলের আরেক নেতা আউয়াল দাবি করেন, বট আইডির ভোটে অনলাইনে জিতলেও ডাকসুতে এ সুযোগ নেই। তবুও অনেকেই সন্দেহ করছেন বট আইডি এ ধরনের আক্রমণ ভোটারদের মনস্তত্ত্বকে প্রভাব ফেলতে পারে। যা সরাসরি নির্বাচনে ফলাফলেও প্রভাব ফেলবে।
গত রোববার নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘অপেশাদার আচরণ’ ও ‘একটি দলের প্রতি’ পক্ষপাতের অভিযোগ করেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম। আবার অন্যদিকে গত ৪ সেপ্টেম্বর ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী আবু বাকের মজুমদার অভিযোগ করেন, ডাকসু নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কমাতে নির্বাচন কমিশন ছক আঁকছে।
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর প্রতিরোধ পর্ষদ প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী মেঘমল্লার বসু অভিযোগ করেন, ‘একটা লোককে ভিপি বানাতে ডাকসু আয়োজন করা হচ্ছে।’ যদিও নির্বাচন কমিশনের কাদের পক্ষে কাজ করছে এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি সাদিক কায়েম কিংবা মেঘমল্লার বসু। তবে অভিযোগ শুধু এতেই থেমে নেই, প্রচারণায় আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
স্বাধীন পর্যবেক্ষকরা দাবি করছেন, ডাকসুর নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ যদি অল্প পরিমাণেও সত্য হয়, তবে তা নির্বাচনের ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।
গত কয়েক দিন ধরেই বেশ জোরেসোরে চলছিল প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের প্রচারণা। কিন্তু এর মধ্যে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের বিরুদ্ধে দলীয় ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ উঠে। নির্দিষ্ট প্যানেলে ভোট দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের থেকে ‘ফোন ও বার্তা’ পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য যেভাবে বাইরে চলে যাচ্ছে, এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযোগ করলেও নিরাপত্তার শঙ্কায় পরিচয় প্রকাশ করতে চাইছেন না অভিযোগকারীরা।
এই বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জসীম উদ্দীন বলেন, তাঁরা কাউকে কোনো তথ্য দেননি এবং এই বিষয়ে কেউ তাদের কাছে কোনো অভিযোগ করেনি।
এই বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের যে সন্দেহ (তথ্য বেহাত হওয়ার)– সেটাও আমিও শুনেছি। তাঁরা বলছে, যাঁদের কাছে ডাটাবেজ আছে, বিশেষ করে অনলাইন ভর্তি কমিটি কিংবা অন্য কোনো পক্ষের; তাঁদের যদি হাত থাকে, এটা উল্লেখ করে তাঁরা (প্রার্থীরা) অভিযোগ করুক। আমরা তাঁদের বলব, ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।’
অনেকেই দাবি করছেন, প্রশাসনের এমন অপেশাদারিত্ব ভোটারদের মধ্যে ভীতি আরও বাড়িয়ে দেবে। এখন যদি ব্যক্তিগত তথ্য এভাবে ফাঁস হতে পারে তবে ভোটের পর কে কাকে ভোট দিচ্ছে এমন ‘অসম্ভব বিষয়’ ফাঁস হওয়ার ভয় থেকেই যায়। যা ভোটারদের নির্বাচন পদ্ধতির ওপর অনাস্থা তৈরি করতে পারে। ফলে এর প্রভাব পড়বে ভোটার উপস্থিতিতে।
ডাকসু নির্বাচনে সাইবার বুলিং ও অনলাইন হয়রানির সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছেন নারী প্রার্থীরা। এবারের ডাকসু নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক নারী প্রার্থী অংশগ্রহণ করলেও, তাদের অনেকেই অনলাইনে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং হুমকির শিকার হচ্ছেন। এক নারী প্রার্থীকে ‘গণধর্ষণের’ হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর ঘটনাও ঘটেছে, এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে।
নির্বাচন কমিশন সাইবার বুলিংকে এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
এর আগে গত ৩০ আগস্ট চারুকলা অনুষদে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ফেস্টুনে কার্যনির্বাহী পদে নারী প্রার্থী সাবিকুন নাহার তামান্নার মাথায় মার্কার ব্যবহার করে শিং আঁকা হয়। এই ছবি অনলাইনে দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনা-সালাচনার জন্ম দেয়।
ক্রমাগত এমন বুলিং ও হুমকি নারী প্রার্থীদের প্রচারণায় সামনের সারিতে আসতে বাধা সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন স্বাধীন পর্যবেক্ষকরা। ফলে ভোটারদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগেও খানিকটা ঘাটতি থেকে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এই ঘটনা আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হলেও ভোটের রাজনীতিতে তা বড় নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।
এইসব সমালোচনার মধ্যেই আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ডাকসু নির্বাচন। ফলাফল কতটা প্রভাবমুক্ত হবে, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ফলাফল ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত।

বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই শপথ বাক্য পাঠ করান। বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান।
১৭ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রিসভায় কীভাবে টেকনোক্র্যাট নেওয়া হয়, কারা এরা, আর ঠিক কী কারণেই ভোটের লড়াইয়ে না নামা এই ব্যক্তিরা হয়ে ওঠেন সরকারপ্রধানের তুরুপের তাস—এমন হাজারো প্রশ্ন এখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
২ দিন আগে
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট বড় ব্যবধানে বিজয় অর্জনের পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। নির্বাচনে বিএনপি ও তার মিত্ররা জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে।
৩ দিন আগে
ছায়া মন্ত্রিসভা বিরোধী দলের সিনিয়র সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি বিকল্প মন্ত্রিসভা। এটি ওয়েস্টমিনিস্টার শাসন ব্যবস্থার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এই মন্ত্রিসভার সদস্যদের কোনো নির্বাহী ক্ষমতা থাকে না, কিন্তু তারা ক্ষমতাসীন সরকারের মন্ত্রীদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
৩ দিন আগে