বেসরকারি একটি ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আরিফ আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, এখন বৈধ পথে টাকা পাঠালে প্রবাসীরা আগের চেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছেন। এ কারণেই হুন্ডির প্রতি তাদের আগ্রহ কমে এসেছে।
স্ট্রিম প্রতিবেদক
অর্থনীতির চাকা যখন নানা টানাপোড়েনে দুলছে, তখন দেশের জন্য সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবরটি এসেছে প্রবাসীদের হাত ধরেই। চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ২৭ দিনে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২০৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে যা দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২৫ হাজার ৪৬১ কোটি টাকায়।
বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার ( ২৮ আগস্ট ) জানায়, এ পরিমাণ রেমিট্যান্স গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। গত বছর এ সময় প্রবাসী আয় এসেছিল ১৯৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আয় বেড়েছে ১১ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘অর্থনৈতিক চাপে যখন দেশের ভেতরে নানা ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে, তখন প্রবাসীরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ পাঠিয়ে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তুলছেন। প্রবাসী আয়ে এই ধারাবাহিকতা আমাদের জন্য খুবই ইতিবাচক।’
আরিফ হোসেন খান আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে যে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে, তা কেবল সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়। এতে প্রকাশ পাচ্ছে প্রবাসীদের আস্থা ও দেশের আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা। কোনো কোনো মাসে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলারও ছাড়িয়ে গেছে।
হুন্ডি ও অবৈধ অর্থপাচার কমে যাওয়া, ব্যাংকিং চ্যানেলে স্থিতিশীল ডলার রেট এবং সরকারের প্রণোদনাকে এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
বেসরকারি একটি ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আরিফ আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘এখন বৈধ পথে টাকা পাঠালে প্রবাসীরা আগের চেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছেন। এ কারণেই হুন্ডির প্রতি তাদের আগ্রহ কমে এসেছে।’
চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস থেকেই এ ইতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট। জুলাইয়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৪৭ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৯ শতাংশ বেশি। জুলাই থেকে আগস্টের ২৭ দিন পর্যন্ত প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ৪৫৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।
এই ধারাবাহিক প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে নতুন প্রাণ সঞ্চার করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার দিন শেষে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী, বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৬ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। কয়েক মাস আগেও যেখানে রিজার্ভ নিয়ে চাপ বাড়ছিল, এখন সেখানে একধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয় প্রথমবারের মতো ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। আগের অর্থবছরের তুলনায় তা প্রায় সাড়ে ৬ বিলিয়ন ডলার বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিকতা দেশের অর্থনীতিতে ‘লাইফলাইন’ হিসেবে কাজ করছে। এটি শুধু আমদানি ব্যয় মেটানোই নয়, বরং টাকার মান স্থিতিশীল রাখা এবং বৈদেশিক লেনদেনে আস্থা ফিরিয়ে আনতেও ভূমিকা রাখছে।
নেদারল্যান্ড প্রবাসী জুয়েলের ভাষায়, ‘আমরা বিদেশে অনেক কষ্ট করি, কিন্তু টাকাটা দেশে পাঠিয়ে যখন দেখি দেশের কাজে লাগছে, তখন মনে হয় পরিশ্রম সার্থক হলো।’
অর্থনীতির চাকা যখন নানা টানাপোড়েনে দুলছে, তখন দেশের জন্য সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবরটি এসেছে প্রবাসীদের হাত ধরেই। চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ২৭ দিনে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২০৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে যা দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২৫ হাজার ৪৬১ কোটি টাকায়।
বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার ( ২৮ আগস্ট ) জানায়, এ পরিমাণ রেমিট্যান্স গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। গত বছর এ সময় প্রবাসী আয় এসেছিল ১৯৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আয় বেড়েছে ১১ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘অর্থনৈতিক চাপে যখন দেশের ভেতরে নানা ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে, তখন প্রবাসীরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ পাঠিয়ে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তুলছেন। প্রবাসী আয়ে এই ধারাবাহিকতা আমাদের জন্য খুবই ইতিবাচক।’
আরিফ হোসেন খান আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে যে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে, তা কেবল সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়। এতে প্রকাশ পাচ্ছে প্রবাসীদের আস্থা ও দেশের আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা। কোনো কোনো মাসে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ডলারও ছাড়িয়ে গেছে।
হুন্ডি ও অবৈধ অর্থপাচার কমে যাওয়া, ব্যাংকিং চ্যানেলে স্থিতিশীল ডলার রেট এবং সরকারের প্রণোদনাকে এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
বেসরকারি একটি ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আরিফ আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘এখন বৈধ পথে টাকা পাঠালে প্রবাসীরা আগের চেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছেন। এ কারণেই হুন্ডির প্রতি তাদের আগ্রহ কমে এসেছে।’
চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস থেকেই এ ইতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট। জুলাইয়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৪৭ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৯ শতাংশ বেশি। জুলাই থেকে আগস্টের ২৭ দিন পর্যন্ত প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ৪৫৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।
এই ধারাবাহিক প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে নতুন প্রাণ সঞ্চার করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার দিন শেষে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী, বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৬ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। কয়েক মাস আগেও যেখানে রিজার্ভ নিয়ে চাপ বাড়ছিল, এখন সেখানে একধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয় প্রথমবারের মতো ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। আগের অর্থবছরের তুলনায় তা প্রায় সাড়ে ৬ বিলিয়ন ডলার বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিকতা দেশের অর্থনীতিতে ‘লাইফলাইন’ হিসেবে কাজ করছে। এটি শুধু আমদানি ব্যয় মেটানোই নয়, বরং টাকার মান স্থিতিশীল রাখা এবং বৈদেশিক লেনদেনে আস্থা ফিরিয়ে আনতেও ভূমিকা রাখছে।
নেদারল্যান্ড প্রবাসী জুয়েলের ভাষায়, ‘আমরা বিদেশে অনেক কষ্ট করি, কিন্তু টাকাটা দেশে পাঠিয়ে যখন দেখি দেশের কাজে লাগছে, তখন মনে হয় পরিশ্রম সার্থক হলো।’
২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা ভ্যাট আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
৩ দিন আগেস্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রয়োজনে কেয়ামত পর্যন্ত ভ্যাট নিরীক্ষা বন্ধ থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান।
৩ দিন আগেআজ বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৭ দিন আগে