স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস: কী ঘটেছিল সেদিন১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে পহেলা ফাল্গুন কিংবা ভালবাসা দিবস হিসেবেই আমরা জানি। কিন্তু এই আনন্দের আড়ালে চাপা পড়ে গেছে আমাদের ইতিহাসের এক রক্তাক্ত অধ্যায়। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই হয়তো জানেন না, ১৯৮৩ সালের এই দিনটি ছিল বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের জন্য এক অগ্নিঝরা দিন।১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সংস্কার আলোচনায় অভিজ্ঞতা ও অর্জনশেখ হাসিনার স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার যে প্রধান তিন এজেন্ডা নিয়ে এগোয়, তার একটি হলো সংস্কার। ধারাবাহিকভাবে বললে, বিচার অর্থাৎ ক্ষমতাচ্যুতদের অপরাধী অংশের বিচার; সংস্কার, মূলত রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কার ও নির্বাচন অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচন।০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজকের চাকসু নির্বাচনে আমরা যা প্রত্যাশা করিবাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অনেকটা জায়গাজুড়ে আছে দেশের ছাত্রসমাজ। ইতিহাস সাক্ষী, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান পেরিয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, এরপর ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন—সবই এসেছে এই ছাত্রসমাজের হাত ধরে। সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বও দিয়েছে ছাত্রছাত্রী১৫ অক্টোবর ২০২৫
জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের লেখক-উদযাপন তালিকায় একমাত্র জীবিত লেখক শেখ হাসিনাক্ষমতায় বসে অনেক শাসকই ‘লেখক’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। এমন নজির আমাদের দেশেই আছে। ১৯৮৩ সালে সাবেক সামরিক স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণের পর ‘কবি’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। দেশের সরকারি সংবাদপত্রের প্রথম পৃষ্ঠায় কবি-লেখকদের লেখা ছাপার রেওয়াজ ভেঙে বিশেষভাবে ছাপা হয়েছিল তাঁর কবিতা।২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রক্তবৃষ্টিমুখর যে জুলাই আমাদের জাগিয়ে রাখেআমরাও রুখে দাঁড়িয়েছিলাম। বলেছিলাম, ‘বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর’। বুক চিতিয়ে আমরা গুলির মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলাম সেদিন, এই জুলাই মাসেই।০১ জুলাই ২০২৫