স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তীব্র সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেছেন, তিনি লন্ডনে গিয়ে সিজদা করে ওহী পেয়েছেন যে— নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হতে হবে। এটি ঠিক হয়নি। তাঁকে স্পষ্ট বলে দিতে চাই— কেবলা বাংলাদেশের জনগণের দিকে করতে হবে। কারণ তারাই আপনাকে ক্ষমতায় বসিয়েছে।
আজ শনিবার রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘তাঁর উচিত ছিল, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ঘোষণা করেছেন। আপনি জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করেছেন।’
এ সময় দেশের সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থারও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, ‘সংবিধান হলো ফ্যাসিস্ট কাঠামোর টেক্সটবুক, যার রচয়িতা শেখ মুজিব।’
একইসুরে কথা বলেন এনসিপির আরেক নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন মূলধারার গণমাধ্যমের সমালোচনা করে বলেন, ‘তাঁরা রাজনীতিবিদ কিনে ফেলেন, মিডিয়া কিনে ফেলেন, হুজুরদের কিনে ফেলেন, সরকারও কিনে ফেলেন। ৫ আগস্ট যে কারণে হয়েছে, তা নির্মূল করতে না পারলে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, গণপ্রতিরোধের সম্মুখীন হবেন। এই মিডিয়াগুলো ৫ তারিখের পর অভ্যুত্থানের নেতাদের চরিত্রহরণের চেষ্টা করেছে।’ কিন্তু চরিত্র হরণ করে, আসন ভাগ করে; তাদের ‘কেনা যাবে না’ বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

এ সময় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন যখনই হোক না কেন, আগে সেটা গণপরিষদ নির্বাচন হতে হবে। আগের সংবিধান এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা ফেইল করেছে বলেই গণ-অভ্যুত্থান এসেছে। তাই আগের সংবিধান নিয়ে এগোনোর কোনও সুযোগ নেই।’
আগের নির্বাচনগুলোতে প্রশাসন আম্পায়ার না হয়ে খেলোয়াড়ের ভূমিকা পালন করতো বলেও অভিযোগ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘ইউএনও, পুলিশ, ডিসি কিনে আগে নির্বাচন করা হয়েছে। কিন্তু এনসিপি সমঝোতার রাজনীতি করে না।’
সবশেষ আখতার হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র অপূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্ট। ঐকমত্য কমিশন অনেকগুলো সংস্কার কমিশনের সমষ্টি। আমরা যখন কীভাবে সংস্কার করব—এই প্রশ্নে এগোচ্ছি, তখন ড. ইউনূস সংস্কারোত্তর সংবিধান শব্দবন্ধ ব্যবহার করে আমাদের গণপরিষদের আকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে গেছেন। রাজনৈতিক দলগুলো সংবিধান সংস্কারে একমত হয়েছেন কিন্তু সংবিধান বাতিল করতে চান না।
যদি সংবিধান সংস্কারের পথে বাধা আসে, রাজপথের মানুষ রাজপথে ফেরত যেতে সময় লাগবে না বলেও হুঁশিয়ার করেন আখতার। তিনি বলেন, ‘অ্যামেন্ডমেন্ট আর রিফরমেশন শব্দ দুটির পার্থক্য আছে। শহীদেরা সংবিধান সংশোধন নয়, বরং সংস্কারের জন্য জীবন দিয়েছে। শুধু কাগজের জুলাই সনদ আমরা চাই না।’ সব রাজনৈতিক দলকে জুলাইয়ের আইনি ভিত্তি দিয়ে, গণপরিষদ নির্বাচন দিয়ে, গণতন্ত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হক, আরিফ সোহেল, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহসহ দলের অন্য সদস্যরা। এ সময় বক্তারা গণপরিষদ নির্বাচন বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। গণপরিষদ নির্বাচনের ঐতিহাসিক, নিয়মতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক গুরুত্বও তুলে ধরেন তাঁরা।
ফরিদুল হক বলেন, ১৯৩৫, ১৯৬২ এবং ১৯৭২-এর সংবিধানের কোনও পার্থক্য নেই। এই তিনটি সংবিধানেই শাসকের কোনও জবাবদিহির জায়গা নেই। বিচার, আইন, শাসন বিভাগ—তিনটিই শাসকের অধীনে থাকায় জনগণ কেবল শোষিতই হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার তখনই হবে, যখন ১৯৭২-এর সংবিধান ফেরত আসতে পারবে না এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি সংবিধান বদল করতে পারবে না।
আলোচনায় অংশ নিয়ে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আরিফ সোহেল বলেছেন, জাতীয় ঐক্যের নামে ৫ আগস্টে ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে উঠেছিলেন বিভিন্ন বড় দলের নেতারা। অথচ জাতীয় ঐক্য ৫ আগস্টের পরপরই ভেঙে গেছে। বাহাত্তরের সংবিধান জনগণকে শাসন ও শোষণ করার সংবিধান। জনগণের অংশীদারত্বের ভিত্তিতে নতুন করে শগণপরিষদ নির্বাচন দিতে হবে, সেই পরিষদের দাবিতে সংবিধান রচিত হবে। তবেই ৩০০ বছরের অত্যাচারের ইতিহাস থেকে মুক্তি পাবে জনগণ।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তীব্র সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেছেন, তিনি লন্ডনে গিয়ে সিজদা করে ওহী পেয়েছেন যে— নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হতে হবে। এটি ঠিক হয়নি। তাঁকে স্পষ্ট বলে দিতে চাই— কেবলা বাংলাদেশের জনগণের দিকে করতে হবে। কারণ তারাই আপনাকে ক্ষমতায় বসিয়েছে।
আজ শনিবার রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘তাঁর উচিত ছিল, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ঘোষণা করেছেন। আপনি জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করেছেন।’
এ সময় দেশের সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থারও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, ‘সংবিধান হলো ফ্যাসিস্ট কাঠামোর টেক্সটবুক, যার রচয়িতা শেখ মুজিব।’
একইসুরে কথা বলেন এনসিপির আরেক নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন মূলধারার গণমাধ্যমের সমালোচনা করে বলেন, ‘তাঁরা রাজনীতিবিদ কিনে ফেলেন, মিডিয়া কিনে ফেলেন, হুজুরদের কিনে ফেলেন, সরকারও কিনে ফেলেন। ৫ আগস্ট যে কারণে হয়েছে, তা নির্মূল করতে না পারলে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, গণপ্রতিরোধের সম্মুখীন হবেন। এই মিডিয়াগুলো ৫ তারিখের পর অভ্যুত্থানের নেতাদের চরিত্রহরণের চেষ্টা করেছে।’ কিন্তু চরিত্র হরণ করে, আসন ভাগ করে; তাদের ‘কেনা যাবে না’ বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

এ সময় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন যখনই হোক না কেন, আগে সেটা গণপরিষদ নির্বাচন হতে হবে। আগের সংবিধান এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা ফেইল করেছে বলেই গণ-অভ্যুত্থান এসেছে। তাই আগের সংবিধান নিয়ে এগোনোর কোনও সুযোগ নেই।’
আগের নির্বাচনগুলোতে প্রশাসন আম্পায়ার না হয়ে খেলোয়াড়ের ভূমিকা পালন করতো বলেও অভিযোগ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘ইউএনও, পুলিশ, ডিসি কিনে আগে নির্বাচন করা হয়েছে। কিন্তু এনসিপি সমঝোতার রাজনীতি করে না।’
সবশেষ আখতার হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র অপূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্ট। ঐকমত্য কমিশন অনেকগুলো সংস্কার কমিশনের সমষ্টি। আমরা যখন কীভাবে সংস্কার করব—এই প্রশ্নে এগোচ্ছি, তখন ড. ইউনূস সংস্কারোত্তর সংবিধান শব্দবন্ধ ব্যবহার করে আমাদের গণপরিষদের আকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে গেছেন। রাজনৈতিক দলগুলো সংবিধান সংস্কারে একমত হয়েছেন কিন্তু সংবিধান বাতিল করতে চান না।
যদি সংবিধান সংস্কারের পথে বাধা আসে, রাজপথের মানুষ রাজপথে ফেরত যেতে সময় লাগবে না বলেও হুঁশিয়ার করেন আখতার। তিনি বলেন, ‘অ্যামেন্ডমেন্ট আর রিফরমেশন শব্দ দুটির পার্থক্য আছে। শহীদেরা সংবিধান সংশোধন নয়, বরং সংস্কারের জন্য জীবন দিয়েছে। শুধু কাগজের জুলাই সনদ আমরা চাই না।’ সব রাজনৈতিক দলকে জুলাইয়ের আইনি ভিত্তি দিয়ে, গণপরিষদ নির্বাচন দিয়ে, গণতন্ত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হক, আরিফ সোহেল, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহসহ দলের অন্য সদস্যরা। এ সময় বক্তারা গণপরিষদ নির্বাচন বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। গণপরিষদ নির্বাচনের ঐতিহাসিক, নিয়মতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক গুরুত্বও তুলে ধরেন তাঁরা।
ফরিদুল হক বলেন, ১৯৩৫, ১৯৬২ এবং ১৯৭২-এর সংবিধানের কোনও পার্থক্য নেই। এই তিনটি সংবিধানেই শাসকের কোনও জবাবদিহির জায়গা নেই। বিচার, আইন, শাসন বিভাগ—তিনটিই শাসকের অধীনে থাকায় জনগণ কেবল শোষিতই হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার তখনই হবে, যখন ১৯৭২-এর সংবিধান ফেরত আসতে পারবে না এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি সংবিধান বদল করতে পারবে না।
আলোচনায় অংশ নিয়ে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আরিফ সোহেল বলেছেন, জাতীয় ঐক্যের নামে ৫ আগস্টে ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে উঠেছিলেন বিভিন্ন বড় দলের নেতারা। অথচ জাতীয় ঐক্য ৫ আগস্টের পরপরই ভেঙে গেছে। বাহাত্তরের সংবিধান জনগণকে শাসন ও শোষণ করার সংবিধান। জনগণের অংশীদারত্বের ভিত্তিতে নতুন করে শগণপরিষদ নির্বাচন দিতে হবে, সেই পরিষদের দাবিতে সংবিধান রচিত হবে। তবেই ৩০০ বছরের অত্যাচারের ইতিহাস থেকে মুক্তি পাবে জনগণ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৪ ঘণ্টা আগে