স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভূমিকার সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে আমরা রাজপথে নামব। নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।’
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ঢাকা-১৫ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসিকে কঠোর বার্তা দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, আমরা এখনো মুখে বলে যাচ্ছি, এখনো মাঠে নামিনি। কারণ আমরা মাঠে নামব নির্বাচনের জন্য। আমাদের আন্দোলনের দিকে নামতে বাধ্য করবেন না। জনগণ এখন ভোটের উৎসবে অংশ নিতে চায়, কোনো কারচুপি সহ্য করা হবে না।’
দিল্লি থেকে ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের পতন হলেও দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত থেমে নেই। আমাদের জাতীয় লড়াই শেষ হয়ে যায়নি। আধিপত্যবাদী ও ফ্যাসিস্ট শক্তি এখনো দিল্লিতে বসে ষড়যন্ত্র করছে।’
এ সময় তিনি ডা. শফিকুর রহমানকে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অন্যতম বীর সেনাপতি ও ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রধান কাণ্ডারি হিসেবে অভিহিত করেন। বর্তমান সময়ের দাবি হিসেবে ঢাকা-১৫ আসন থেকে ডা. শফিকুর রহমানকে সংসদে পাঠানোর আহ্বান জানান নাহিদ।
প্রতিপক্ষ দলগুলোর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির সমালোচনা করে নাহিদ বলেন, ‘শুনছি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। কিন্তু ২ হাজার টাকার কার্ড নিতে যদি ১ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে, তবে তা জনগণ পর্যন্ত পৌঁছাবে না। যে দল ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দেয়, তারা কীভাবে এসব কার্ডের ইতিবাচক ব্যবহার করবে?’
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেবল সরকার পরিবর্তন নয়, বরং ক্ষমতার কাঠামো পরিবর্তনের নির্বাচন হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি।
নাহিদ আরও বলেন, ‘এবারের নির্বাচন পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি, বৈষম্য ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে “না” এবং ইনসাফের পক্ষে “হ্যাঁ” বলার নির্বাচন।’
এদিকে আজ বিকেল পৌনে ৩টায় শুরু হওয়া এই সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য জাহিদুল ইসলাম। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. শফিকুর রহমান। এ ছাড়া বক্তব্য দেন ঢাকা-১৪ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আরমান, সদ্য জামায়াতে যোগ দেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এবং কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমানসহ ১০ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভূমিকার সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে আমরা রাজপথে নামব। নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।’
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ঢাকা-১৫ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসিকে কঠোর বার্তা দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, আমরা এখনো মুখে বলে যাচ্ছি, এখনো মাঠে নামিনি। কারণ আমরা মাঠে নামব নির্বাচনের জন্য। আমাদের আন্দোলনের দিকে নামতে বাধ্য করবেন না। জনগণ এখন ভোটের উৎসবে অংশ নিতে চায়, কোনো কারচুপি সহ্য করা হবে না।’
দিল্লি থেকে ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের পতন হলেও দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত থেমে নেই। আমাদের জাতীয় লড়াই শেষ হয়ে যায়নি। আধিপত্যবাদী ও ফ্যাসিস্ট শক্তি এখনো দিল্লিতে বসে ষড়যন্ত্র করছে।’
এ সময় তিনি ডা. শফিকুর রহমানকে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অন্যতম বীর সেনাপতি ও ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রধান কাণ্ডারি হিসেবে অভিহিত করেন। বর্তমান সময়ের দাবি হিসেবে ঢাকা-১৫ আসন থেকে ডা. শফিকুর রহমানকে সংসদে পাঠানোর আহ্বান জানান নাহিদ।
প্রতিপক্ষ দলগুলোর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির সমালোচনা করে নাহিদ বলেন, ‘শুনছি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। কিন্তু ২ হাজার টাকার কার্ড নিতে যদি ১ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে, তবে তা জনগণ পর্যন্ত পৌঁছাবে না। যে দল ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দেয়, তারা কীভাবে এসব কার্ডের ইতিবাচক ব্যবহার করবে?’
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেবল সরকার পরিবর্তন নয়, বরং ক্ষমতার কাঠামো পরিবর্তনের নির্বাচন হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি।
নাহিদ আরও বলেন, ‘এবারের নির্বাচন পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি, বৈষম্য ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে “না” এবং ইনসাফের পক্ষে “হ্যাঁ” বলার নির্বাচন।’
এদিকে আজ বিকেল পৌনে ৩টায় শুরু হওয়া এই সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য জাহিদুল ইসলাম। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. শফিকুর রহমান। এ ছাড়া বক্তব্য দেন ঢাকা-১৪ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আরমান, সদ্য জামায়াতে যোগ দেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এবং কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমানসহ ১০ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১২ ঘণ্টা আগে