আবদুল্লাহ কাফি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে প্রচার-প্রচারণায় বিএনপির সরব উপস্থিতি থাকলেও ভিন্ন কৌশল বেছে নিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা। পোস্টার লাগানো, লাউডস্পিকার বাজানো কিংবা শোডাউনের মতো প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে তিনি সরাসরি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে, জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়াও। তবে সাধারণ ভোটারদের মতে, মাঠের দৃশ্যমান দৌড়ে এখন পর্যন্ত বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব এগিয়ে।
গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর ত্রিমোহিনী বাসস্ট্যান্ডের অদূরে নুরুল আমিনের চা দোকানে গিয়ে নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, 'কেউ তো আসে না।' দোকানে দেখা গেল কয়েকটা নির্বাচনী লিফলেট রাখা। এগুলোর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শুধু বিএনপির কয়েকজন এসেছিল। তারাই এগুলো দিয়ে গেছে। আর কেউ আসে নাই।’
নুরুল আমিনের মতো আবদুস সালামের কাছেও বিএনপি বাদে যায়নি আর কোনো প্রার্থী। ত্রিমোহিনীর লায়নহাটির বাসিন্দা সালাম বলেন, ‘অনেক প্রার্থীর ব্যানার দেখি, তাঁদের ছবি দেখি। কিন্তু এখন পর্যন্ত সামনাসামনি দেখি নাই। নির্বাচনের আরও সময় আছে, এর আগে তাঁরা আসবেন হয়তো।’ তবে প্রার্থীরা জানিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের মতো প্রচার চালাচ্ছেন এবং ভোটাররা তাতে সাড়া দিচ্ছেন।
রাজধানীর সবুজবাগ, মতিঝিল, ডেমরা ও মান্ডা থানা নিয়ে গঠিত হয়েছে ঢাকা-৯ আসন। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪ ও ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৮২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ৫ জন। এছাড়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন ৫ হাজার ৯৫৪ জন।
আসন্ন নির্বাচনে আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১২ জন প্রার্থী। সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্বাচনী প্রচারে সাঁটানো হয়েছে প্রচুর ব্যানার-ফেস্টুন। বিএনপি বাদেও ঝুলছে এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যানার।
‘ত্রিমোহিনীর এই রাস্তাটাই দেখেন। প্রায় দুই বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। রামপুরা থেকে তারাবো বিশ্বরোড পর্যন্ত ব্যস্ত এই সড়কটা কেউ ঠিক করার কথা ভাবছেও না। ভাঙা সড়ক থেকে ধুলা ছড়াচ্ছে, যা আমাদের সহ্য করতে হচ্ছে।’ নুরুল আমিন, চা দোকানী, ঢাকা–৯ নির্বাচনী এলাকা
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা-৯ আসনজুড়ে গ্যাস সংকট, গণপরিবহনের অভাব এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতা প্রধান সমস্যা। এছাড়া যানজট, ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা, পানির নিম্নমান, খাল দখল ও দূষণের কথা জানিয়েছেন বাসিন্দারা। মাদক ও সন্ত্রাসের বিস্তার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে তাঁদের।
নুরুল আমিন বলেন, ‘ত্রিমোহিনীর এই রাস্তাটাই দেখেন। প্রায় দুই বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। রামপুরা থেকে তারাবো বিশ্বরোড পর্যন্ত ব্যস্ত এই সড়কটা কেউ ঠিক করার কথা ভাবছেও না। ভাঙা সড়ক থেকে ধুলা ছড়াচ্ছে, যা আমাদের সহ্য করতে হচ্ছে।’
আবদুস সালাম বলেন, 'বিভিন্ন সময়ে অনেক নেতা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে ত্রিমোহিনী খাল খনন করা হবে। কিন্তু সেসব বাস্তবায়ন হয়নি। বরং খালটা দিন দিন আরও দূষিত ও দখল হয়ে নালায় রূপ নিয়েছে।'
গোড়ানের এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, 'রাজধানীতে থাকি কিন্তু তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা পাই না। বিরাট এলাকায় কোনো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা নেই। ফলে ছোট ছোট প্রচুর গাড়ি নামছে রাস্তায় আর জট লেগে থাকছে। এবার এমন একজন প্রার্থীর জয়ী হওয়া প্রয়োজন, যিনি এই সমস্যাগুলোকে নিজের মনে করে সমাধান করবেন।'
ঢাকা-৯ এর প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন—বিএনপির হাবিবুর রশিদ হাবিব, এনসিপির মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া (জাবেদ রাসিন), জাতীয় পার্টির (জাপা) কাজী আবুল খায়ের, স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) খন্দকার মিজানুর রহমান, গণফোরামের নাজমা আক্তার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের নাহিদ হাসান চৌধুরী জুনায়েদ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মাসুদ হোসেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) মোহাম্মদ শফি উল্লাহ চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহ ইফতেখার আহসান ও ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির (এনপিপি) শাহীন খান।
বিএনপির হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, 'ঢাকা-৯ একটি নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত আসন। এখানে চিকিৎসা, জলাবদ্ধতা ও গ্যাসের সমস্যা প্রকট। তরুণদের জন্য খেলার মাঠ বা শরীরচর্চার ব্যবস্থা নেই। আমরা জয়ী হলে এলাকাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করব।'
এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া (শাপলা কলি প্রতীক) বলেন, ‘ভোটারদের কাছ থেকে গ্যাস, পানি ও রাস্তাঘাটের সমস্যার কথা বেশি শুনেছি। আমার ইশতেহার আমি সেভাবেই প্রণয়ন করেছি যা আসলেই বাস্তবায়নযোগ্য।’
ফুটবল প্রতীকে লড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা বলেন, 'ঢাকা-৯ খুবই অবহেলিত। মানুষ নিয়মিত ট্যাক্স এবং বিল দিলেও সেবা পাচ্ছে না। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের মনে সংশয় আছে। কর্মসংস্থান ও মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে।'
আলোচিত প্রার্থীদের সবাই জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, 'আমি এই এলাকার সন্তান। ৩৮ বছর ধরে এই এলাকার রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ভোটাররা আমাদের সানন্দে গ্রহণ করছেন।'
এনসিপির জাবেদ মিয়া বলেন, 'অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। আমার প্রচার কৌশল অন্যদের চেয়ে আলাদা বলে দিন দিন সমর্থন বৃদ্ধি পাচ্ছে।'
তাসনিম জারা তাঁর ভিন্নধর্মী প্রচারণা প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা মাইকিং বা শোডাউন করছি না। আমরা অলি-গলি, পাড়া-মহল্লা ও মানুষের উঠানে গিয়ে কথা বলছি। তাঁরা খুব সাদরে আমাদের গ্রহণ করছেন এবং সমস্যাগুলোর কথা বলছেন। তাঁরা আমাকে নিজের মেয়ের মতো বা বোনের মতো আপন করে নিচ্ছেন, এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে প্রচার-প্রচারণায় বিএনপির সরব উপস্থিতি থাকলেও ভিন্ন কৌশল বেছে নিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা। পোস্টার লাগানো, লাউডস্পিকার বাজানো কিংবা শোডাউনের মতো প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে তিনি সরাসরি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে, জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়াও। তবে সাধারণ ভোটারদের মতে, মাঠের দৃশ্যমান দৌড়ে এখন পর্যন্ত বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব এগিয়ে।
গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর ত্রিমোহিনী বাসস্ট্যান্ডের অদূরে নুরুল আমিনের চা দোকানে গিয়ে নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, 'কেউ তো আসে না।' দোকানে দেখা গেল কয়েকটা নির্বাচনী লিফলেট রাখা। এগুলোর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শুধু বিএনপির কয়েকজন এসেছিল। তারাই এগুলো দিয়ে গেছে। আর কেউ আসে নাই।’
নুরুল আমিনের মতো আবদুস সালামের কাছেও বিএনপি বাদে যায়নি আর কোনো প্রার্থী। ত্রিমোহিনীর লায়নহাটির বাসিন্দা সালাম বলেন, ‘অনেক প্রার্থীর ব্যানার দেখি, তাঁদের ছবি দেখি। কিন্তু এখন পর্যন্ত সামনাসামনি দেখি নাই। নির্বাচনের আরও সময় আছে, এর আগে তাঁরা আসবেন হয়তো।’ তবে প্রার্থীরা জানিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের মতো প্রচার চালাচ্ছেন এবং ভোটাররা তাতে সাড়া দিচ্ছেন।
রাজধানীর সবুজবাগ, মতিঝিল, ডেমরা ও মান্ডা থানা নিয়ে গঠিত হয়েছে ঢাকা-৯ আসন। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪ ও ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৮২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ৫ জন। এছাড়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন ৫ হাজার ৯৫৪ জন।
আসন্ন নির্বাচনে আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১২ জন প্রার্থী। সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্বাচনী প্রচারে সাঁটানো হয়েছে প্রচুর ব্যানার-ফেস্টুন। বিএনপি বাদেও ঝুলছে এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যানার।
‘ত্রিমোহিনীর এই রাস্তাটাই দেখেন। প্রায় দুই বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। রামপুরা থেকে তারাবো বিশ্বরোড পর্যন্ত ব্যস্ত এই সড়কটা কেউ ঠিক করার কথা ভাবছেও না। ভাঙা সড়ক থেকে ধুলা ছড়াচ্ছে, যা আমাদের সহ্য করতে হচ্ছে।’ নুরুল আমিন, চা দোকানী, ঢাকা–৯ নির্বাচনী এলাকা
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা-৯ আসনজুড়ে গ্যাস সংকট, গণপরিবহনের অভাব এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতা প্রধান সমস্যা। এছাড়া যানজট, ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা, পানির নিম্নমান, খাল দখল ও দূষণের কথা জানিয়েছেন বাসিন্দারা। মাদক ও সন্ত্রাসের বিস্তার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে তাঁদের।
নুরুল আমিন বলেন, ‘ত্রিমোহিনীর এই রাস্তাটাই দেখেন। প্রায় দুই বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। রামপুরা থেকে তারাবো বিশ্বরোড পর্যন্ত ব্যস্ত এই সড়কটা কেউ ঠিক করার কথা ভাবছেও না। ভাঙা সড়ক থেকে ধুলা ছড়াচ্ছে, যা আমাদের সহ্য করতে হচ্ছে।’
আবদুস সালাম বলেন, 'বিভিন্ন সময়ে অনেক নেতা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে ত্রিমোহিনী খাল খনন করা হবে। কিন্তু সেসব বাস্তবায়ন হয়নি। বরং খালটা দিন দিন আরও দূষিত ও দখল হয়ে নালায় রূপ নিয়েছে।'
গোড়ানের এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, 'রাজধানীতে থাকি কিন্তু তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা পাই না। বিরাট এলাকায় কোনো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা নেই। ফলে ছোট ছোট প্রচুর গাড়ি নামছে রাস্তায় আর জট লেগে থাকছে। এবার এমন একজন প্রার্থীর জয়ী হওয়া প্রয়োজন, যিনি এই সমস্যাগুলোকে নিজের মনে করে সমাধান করবেন।'
ঢাকা-৯ এর প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন—বিএনপির হাবিবুর রশিদ হাবিব, এনসিপির মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া (জাবেদ রাসিন), জাতীয় পার্টির (জাপা) কাজী আবুল খায়ের, স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) খন্দকার মিজানুর রহমান, গণফোরামের নাজমা আক্তার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের নাহিদ হাসান চৌধুরী জুনায়েদ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মাসুদ হোসেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) মোহাম্মদ শফি উল্লাহ চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহ ইফতেখার আহসান ও ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির (এনপিপি) শাহীন খান।
বিএনপির হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, 'ঢাকা-৯ একটি নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত আসন। এখানে চিকিৎসা, জলাবদ্ধতা ও গ্যাসের সমস্যা প্রকট। তরুণদের জন্য খেলার মাঠ বা শরীরচর্চার ব্যবস্থা নেই। আমরা জয়ী হলে এলাকাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করব।'
এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া (শাপলা কলি প্রতীক) বলেন, ‘ভোটারদের কাছ থেকে গ্যাস, পানি ও রাস্তাঘাটের সমস্যার কথা বেশি শুনেছি। আমার ইশতেহার আমি সেভাবেই প্রণয়ন করেছি যা আসলেই বাস্তবায়নযোগ্য।’
ফুটবল প্রতীকে লড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা বলেন, 'ঢাকা-৯ খুবই অবহেলিত। মানুষ নিয়মিত ট্যাক্স এবং বিল দিলেও সেবা পাচ্ছে না। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের মনে সংশয় আছে। কর্মসংস্থান ও মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে।'
আলোচিত প্রার্থীদের সবাই জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, 'আমি এই এলাকার সন্তান। ৩৮ বছর ধরে এই এলাকার রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ভোটাররা আমাদের সানন্দে গ্রহণ করছেন।'
এনসিপির জাবেদ মিয়া বলেন, 'অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। আমার প্রচার কৌশল অন্যদের চেয়ে আলাদা বলে দিন দিন সমর্থন বৃদ্ধি পাচ্ছে।'
তাসনিম জারা তাঁর ভিন্নধর্মী প্রচারণা প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা মাইকিং বা শোডাউন করছি না। আমরা অলি-গলি, পাড়া-মহল্লা ও মানুষের উঠানে গিয়ে কথা বলছি। তাঁরা খুব সাদরে আমাদের গ্রহণ করছেন এবং সমস্যাগুলোর কথা বলছেন। তাঁরা আমাকে নিজের মেয়ের মতো বা বোনের মতো আপন করে নিচ্ছেন, এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৯ ঘণ্টা আগে