সালেহ ফুয়াদ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রার্থী দিতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। এর মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় জামায়াতের হিন্দু শাখার সভাপতি বাবু কৃষ্ণ নন্দী মনোনয়ন পেতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে দলটির সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
বাবু কৃষ্ণ অবশ্য নিজ আসনে মনোনয়ন পাচ্ছেন না। তাঁকে প্রার্থী করা হচ্ছে পাশের খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসন থেকে, যেখানে সবশেষ ৫ নির্বাচনে প্রার্থীই দেয়নি জামায়াত। ১৯৯৬ সালে প্রার্থী দিলেও ভোট পায় মাত্র দুই হাজার।
দলটির নেতা-কর্মীরা জানান, জামায়াতের দলীয় মনোনয়ন পেতে হলে ন্যূনতম রুকন পর্যায়ের নেতা হতে হতো। চব্বিশের পটপরিবর্তনের পর দলটি এই নীতিতে পরিবর্তন এনেছে। এখন ইসলাম ধর্মাবলম্বীর পাশাপাশি অন্যরাও দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে জানানো হয়েছে।
আসন্ন নির্বাচনে কিছু আসনে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার বাস্তবতা রয়েছে বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি জানান, অমুসলিমদের সংসদ সদস্য প্রার্থী করার কথা ভাবছেন তাঁরা।
জামায়াতের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খুব শিগগির বাবু কৃষ্ণকে খুলনা-১ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান খুলনায় গিয়ে এই ঘোষণা দিতে পারেন।
২০০৩ সাল থেকে সাংগঠনিকভাবে জামায়াতের রাজনীতিতে যুক্ত বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন কৃষ্ণ নন্দী। মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) স্ট্রিমকে বলেন, ‘মনোনয়ন হাতে পাওয়ার আগে নিশ্চিত করে বলতে পারব না। তবে কাজটাজ করতেছি। ঘোষণা হওয়ার পরে আমির সাহেব আসবেন, পরিচয় করায়ে দেবেন। পরওয়ার সাহেবও (জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার) আসবেন। তারপরে নিশ্চিত করে বলতে পারব।’
প্রার্থী ঘোষণা ও পরিচয় পর্বের অনুষ্ঠানের তারিখ নিয়ে জানতে চাইলে বাবু কৃষ্ণ বলেন, ‘কবে হবে এখনো জানায়নি। আমির সাহেব জানায়ে দেবেন আমাকে। জানায়ে দিলেই উনি হেলিকপ্টারে করে আসবেন। পরিচয় করায়ে দিলে তখন আমি কাজ শুরু করব।’
স্থানীয়রা জানান, খুলনা-১ আসনটি হিন্দু অধ্যুষিত। জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এখানে প্রচার চালাচ্ছেন বটিয়াঘাটা উপজেলা জামায়াত আমির শেখ আবু ইউসুফ। সবশেষ ১৯৯৬ সালে তিনিই ছিলেন এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী। তবে হিন্দু ভোট টানার জন্য আসনটিতে এখন বাবু কৃষ্ণকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিতে যাচ্ছে জামায়াত। এই আসনে হিন্দু ধর্মানুসারীদের মধ্যে জামায়াতের যোগ্য প্রার্থী নেই। এই কারণে পাশের উপজেলা ডুমুরিয়ার বাসিন্দা বাবু কৃষ্ণকে প্রার্থী করতে পারে।
অন্য আসনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে বাবু কৃষ্ণ স্ট্রিমকে জানান, বটিয়াঘাটায় নিজের বাড়ি না থাকলেও সেখানে তাঁর স্বজন রয়েছেন। সাংগঠনিক কাজে প্রায়ই সেখানে যাতায়াত করছেন তিনি।
আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে জামায়াতের কৌশল
খুলনা-১ আসনে পড়েছে দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলা। এর মধ্যে দাকোপ দেশের একমাত্র হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ উপজেলা। এখানে ৫৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ বাসিন্দাই হিন্দু। এ ছাড়া খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী আছে ২ দশমিক ১২ শতাংশ। বাকি ৪৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ বাসিন্দা ইসলাম ধর্মের অনুসারী। আর বটিয়াঘাটা উপজেলার ২৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ বাসিন্দা হিন্দু ধর্মের।
হিন্দু অধ্যুষিত আসনটিতে ১৯৯১ সাল থেকে টানা জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। বিএনপির প্রার্থীও এখানে কখনো সুবিধা করতে পারেননি। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী শেখ আবু ইউসুফ ১৯৯৬ সালে এই আসনে পেয়েছিলেন ২ হাজার ৩০৮ ভোট, যা ছিল কাস্ট ভোটের মাত্র ২ শতাংশ। এরপর আর কোনো নির্বাচনেই এখানে প্রার্থী দেয়নি জামায়াত।
জামায়াতের একাধিক নেতা জানান, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এখন নিষিদ্ধ। এ কারণে দলটির ঘাঁটিতে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করতে হিন্দু ধর্মের একজনকে প্রার্থী ঘোষণা করতে যাচ্ছে জামায়াত।
প্রথম দফায় খুলনা ৪, ৫ ও ৬ আসনে প্রাথমিকভাবে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছিল জামায়াত। এরপর গত ৯ ফেব্রুয়ারি বাকি তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে জামায়াত। এর মধ্যে খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে বটিয়াঘাটা উপজেলা জামায়াত আমির শেখ আবু ইউসুফকে প্রার্থী করা হয়।
এরপর থেকে আসনটিতে আবু ইউসুফ নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে আসছেন। তবে সম্প্রতি এখানে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রমে কিছুটা পরিবর্তন দেখা গেছে। দাকোপ-বটিয়াঘাটার দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন বাবু কৃষ্ণ নন্দী।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে সখ্য রয়েছে কৃষ্ণ নন্দীর। গোলাম পরওয়ার নির্বাচন করবেন খুলনা-৫ (ফুলতলা ও ডুমুরিয়া) আসন থেকে। এটিও হিন্দু অধ্যুষিত আসন। ২০০১ সালে গোলাম পরওয়ার এখান থেকে জয়ও পেয়েছিলেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে কিছুদিন আগে হিন্দু জনগোষ্ঠীদের নিয়ে বিশাল সমাবেশ করেছেন গোলাম পরওয়ারের। এ সমাবেশে হিন্দু জনগোষ্ঠীর অংশ নেওয়ার পেছনে কৃষ্ণ নন্দীর বড় ভূমিকা ছিল।
এ ছাড়া গোলাম পরওয়ারের নির্বাচনী এলাকা চুকনগরে ব্যবসা রয়েছে কৃষ্ণ নন্দীর। গোলাম পরওয়ারের সভা-সমাবেশে বক্তৃতাও করেছেন কৃষ্ণ নন্দী। এসব কারণেই জামায়াত তাঁর ওপর বেশ আস্থা রাখে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রার্থী দিতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। এর মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় জামায়াতের হিন্দু শাখার সভাপতি বাবু কৃষ্ণ নন্দী মনোনয়ন পেতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে দলটির সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
বাবু কৃষ্ণ অবশ্য নিজ আসনে মনোনয়ন পাচ্ছেন না। তাঁকে প্রার্থী করা হচ্ছে পাশের খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসন থেকে, যেখানে সবশেষ ৫ নির্বাচনে প্রার্থীই দেয়নি জামায়াত। ১৯৯৬ সালে প্রার্থী দিলেও ভোট পায় মাত্র দুই হাজার।
দলটির নেতা-কর্মীরা জানান, জামায়াতের দলীয় মনোনয়ন পেতে হলে ন্যূনতম রুকন পর্যায়ের নেতা হতে হতো। চব্বিশের পটপরিবর্তনের পর দলটি এই নীতিতে পরিবর্তন এনেছে। এখন ইসলাম ধর্মাবলম্বীর পাশাপাশি অন্যরাও দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে জানানো হয়েছে।
আসন্ন নির্বাচনে কিছু আসনে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার বাস্তবতা রয়েছে বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি জানান, অমুসলিমদের সংসদ সদস্য প্রার্থী করার কথা ভাবছেন তাঁরা।
জামায়াতের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খুব শিগগির বাবু কৃষ্ণকে খুলনা-১ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান খুলনায় গিয়ে এই ঘোষণা দিতে পারেন।
২০০৩ সাল থেকে সাংগঠনিকভাবে জামায়াতের রাজনীতিতে যুক্ত বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন কৃষ্ণ নন্দী। মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) স্ট্রিমকে বলেন, ‘মনোনয়ন হাতে পাওয়ার আগে নিশ্চিত করে বলতে পারব না। তবে কাজটাজ করতেছি। ঘোষণা হওয়ার পরে আমির সাহেব আসবেন, পরিচয় করায়ে দেবেন। পরওয়ার সাহেবও (জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার) আসবেন। তারপরে নিশ্চিত করে বলতে পারব।’
প্রার্থী ঘোষণা ও পরিচয় পর্বের অনুষ্ঠানের তারিখ নিয়ে জানতে চাইলে বাবু কৃষ্ণ বলেন, ‘কবে হবে এখনো জানায়নি। আমির সাহেব জানায়ে দেবেন আমাকে। জানায়ে দিলেই উনি হেলিকপ্টারে করে আসবেন। পরিচয় করায়ে দিলে তখন আমি কাজ শুরু করব।’
স্থানীয়রা জানান, খুলনা-১ আসনটি হিন্দু অধ্যুষিত। জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এখানে প্রচার চালাচ্ছেন বটিয়াঘাটা উপজেলা জামায়াত আমির শেখ আবু ইউসুফ। সবশেষ ১৯৯৬ সালে তিনিই ছিলেন এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী। তবে হিন্দু ভোট টানার জন্য আসনটিতে এখন বাবু কৃষ্ণকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিতে যাচ্ছে জামায়াত। এই আসনে হিন্দু ধর্মানুসারীদের মধ্যে জামায়াতের যোগ্য প্রার্থী নেই। এই কারণে পাশের উপজেলা ডুমুরিয়ার বাসিন্দা বাবু কৃষ্ণকে প্রার্থী করতে পারে।
অন্য আসনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে বাবু কৃষ্ণ স্ট্রিমকে জানান, বটিয়াঘাটায় নিজের বাড়ি না থাকলেও সেখানে তাঁর স্বজন রয়েছেন। সাংগঠনিক কাজে প্রায়ই সেখানে যাতায়াত করছেন তিনি।
আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে জামায়াতের কৌশল
খুলনা-১ আসনে পড়েছে দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলা। এর মধ্যে দাকোপ দেশের একমাত্র হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ উপজেলা। এখানে ৫৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ বাসিন্দাই হিন্দু। এ ছাড়া খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী আছে ২ দশমিক ১২ শতাংশ। বাকি ৪৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ বাসিন্দা ইসলাম ধর্মের অনুসারী। আর বটিয়াঘাটা উপজেলার ২৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ বাসিন্দা হিন্দু ধর্মের।
হিন্দু অধ্যুষিত আসনটিতে ১৯৯১ সাল থেকে টানা জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। বিএনপির প্রার্থীও এখানে কখনো সুবিধা করতে পারেননি। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী শেখ আবু ইউসুফ ১৯৯৬ সালে এই আসনে পেয়েছিলেন ২ হাজার ৩০৮ ভোট, যা ছিল কাস্ট ভোটের মাত্র ২ শতাংশ। এরপর আর কোনো নির্বাচনেই এখানে প্রার্থী দেয়নি জামায়াত।
জামায়াতের একাধিক নেতা জানান, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এখন নিষিদ্ধ। এ কারণে দলটির ঘাঁটিতে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করতে হিন্দু ধর্মের একজনকে প্রার্থী ঘোষণা করতে যাচ্ছে জামায়াত।
প্রথম দফায় খুলনা ৪, ৫ ও ৬ আসনে প্রাথমিকভাবে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছিল জামায়াত। এরপর গত ৯ ফেব্রুয়ারি বাকি তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে জামায়াত। এর মধ্যে খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে বটিয়াঘাটা উপজেলা জামায়াত আমির শেখ আবু ইউসুফকে প্রার্থী করা হয়।
এরপর থেকে আসনটিতে আবু ইউসুফ নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে আসছেন। তবে সম্প্রতি এখানে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রমে কিছুটা পরিবর্তন দেখা গেছে। দাকোপ-বটিয়াঘাটার দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন বাবু কৃষ্ণ নন্দী।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে সখ্য রয়েছে কৃষ্ণ নন্দীর। গোলাম পরওয়ার নির্বাচন করবেন খুলনা-৫ (ফুলতলা ও ডুমুরিয়া) আসন থেকে। এটিও হিন্দু অধ্যুষিত আসন। ২০০১ সালে গোলাম পরওয়ার এখান থেকে জয়ও পেয়েছিলেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে কিছুদিন আগে হিন্দু জনগোষ্ঠীদের নিয়ে বিশাল সমাবেশ করেছেন গোলাম পরওয়ারের। এ সমাবেশে হিন্দু জনগোষ্ঠীর অংশ নেওয়ার পেছনে কৃষ্ণ নন্দীর বড় ভূমিকা ছিল।
এ ছাড়া গোলাম পরওয়ারের নির্বাচনী এলাকা চুকনগরে ব্যবসা রয়েছে কৃষ্ণ নন্দীর। গোলাম পরওয়ারের সভা-সমাবেশে বক্তৃতাও করেছেন কৃষ্ণ নন্দী। এসব কারণেই জামায়াত তাঁর ওপর বেশ আস্থা রাখে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে