স্ট্রিম প্রতিবেদক

‘মুজিববাদ’ ও ‘মওদুদীবাদ’কে ফ্যাসিবাদের ‘প্রক্সি শক্তি’ উল্লেখ করে তাদের রুখে দিতে বিএনপির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঐক্য চেয়েছেন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশের পথ আটকে আছে দুই ফ্যাসিবাদী প্রক্সির হাতে, মুজিববাদ ও মওদূদীবাদের আধিপত্যে। এই প্রক্সির শাসন কাঠামো ভেঙে আমরা যদি একটি ন্যায়ভিত্তিক, সৎ, জাতীয় রাষ্ট্র গড়তে চাই, তবে প্রতিটি নাগরিককে এই ঐতিহাসিক পুনর্গঠনের কাজে শামিল হতে হবে। এ লড়াই কেবল নির্বাচন বা ক্ষমতার লড়াই নয়, এটি বাংলাদেশের আত্মাকে পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে প্রথমেই বাঁচাতে হবে তার রাজনীতিকে–প্রক্সির ছায়া থেকে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লেখেন, এই দুই যুদ্ধ একা কোনো দল লড়তে পারবে না। বিএনপি ও এনসিপি–গণতান্ত্রিক জাতীয়তাবাদী ধারার দুই শক্তির মধ্যে একটি দায়িত্বশীল ঐক্য প্রয়োজন। তবে এ ঐক্যের শর্ত রয়েছে– বিএনপিকে তার পুরোনো সীমাবদ্ধতা ও পরিবারতন্ত্রের ছায়া থেকে বের হতে হবে। বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংস্কারের পথে হাঁটতে হবে। আর যারা ভারতের প্রভাব-রাজনীতির দিকে ঝুঁকে আছে, তাদেরও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূলধারায় ফিরে আসতে হবে।
তিনি লেখেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সংকটকে কেবল বেগম জিয়া বা তারেক জিয়ার সংকট হিসেবে দেখার ভুল করেছি। এই সংকট বেগম জিয়া বা তারেক জিয়ার নয়, এটি এক গভীরতর রাষ্ট্রগত সংকট, যা ব্যক্তি-নির্ভর ব্যাখ্যার ঊর্ধ্বে। পরিবারতন্ত্রের যে দুর্বলতা দীর্ঘদিন বিএনপিকে জর্জরিত করেছে, সেই জায়গায় সংস্কারের পথ আমরা ইতিমধ্যে স্পষ্ট করেছি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, বিএনপি যখন জনগণের কাছে তার ঐতিহাসিক আবেদন হারিয়েছে, তখন অবলম্বন খুঁজেছে প্রতিষ্ঠানের ছায়ায়। তবুও আশা থাকে, নতুন প্রজন্ম যদি সত্যিই জেগে ওঠে, তারা পরিবারতন্ত্রের গণ্ডি ভেঙে আবারও জনপদের রাজনীতিতে ফিরতে পারে। ভারতের কংগ্রেসও আজ একই পথ খুঁজছে: পরিবারতন্ত্রের শেকল ভেঙে পুনর্গঠিত হওয়ার পথ।
তিনি লেখেন, ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রক্সি রাজনীতির দাসত্ব থেকে মুক্তি এবং সাম্য ও মর্যাদার ভিত্তিতে নতুন রাষ্ট্র কাঠামো নির্মাণ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ছাত্রশিবির তাদের কিছু কল্যাণমূলক কাজের আড়ালে পদপদবি ও আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে ছাত্রসমাজকে জামায়াতের হাতে তুলে দিয়েছে। ফলে দেশ আবারও পুরোনো প্রক্সি রাজনীতির ঘূর্ণিপাকে নিপতিত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।
পাটওয়ারী আরও লেখেন, এনসিপি স্পষ্ট করেছে– ঐক্য হোক বা না হোক, চারটি মৌলিক প্রশ্নে তারা কোনো আপস করবে না। এগুলো হলো– বাংলাদেশের পুনর্গঠন; সার্বভৌম মর্যাদা ও জাতীয়তাবাদ; ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ এবং নাগরিক অধিকার, স্বাধীনতা ও সম্মান।

‘মুজিববাদ’ ও ‘মওদুদীবাদ’কে ফ্যাসিবাদের ‘প্রক্সি শক্তি’ উল্লেখ করে তাদের রুখে দিতে বিএনপির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঐক্য চেয়েছেন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশের পথ আটকে আছে দুই ফ্যাসিবাদী প্রক্সির হাতে, মুজিববাদ ও মওদূদীবাদের আধিপত্যে। এই প্রক্সির শাসন কাঠামো ভেঙে আমরা যদি একটি ন্যায়ভিত্তিক, সৎ, জাতীয় রাষ্ট্র গড়তে চাই, তবে প্রতিটি নাগরিককে এই ঐতিহাসিক পুনর্গঠনের কাজে শামিল হতে হবে। এ লড়াই কেবল নির্বাচন বা ক্ষমতার লড়াই নয়, এটি বাংলাদেশের আত্মাকে পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে প্রথমেই বাঁচাতে হবে তার রাজনীতিকে–প্রক্সির ছায়া থেকে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লেখেন, এই দুই যুদ্ধ একা কোনো দল লড়তে পারবে না। বিএনপি ও এনসিপি–গণতান্ত্রিক জাতীয়তাবাদী ধারার দুই শক্তির মধ্যে একটি দায়িত্বশীল ঐক্য প্রয়োজন। তবে এ ঐক্যের শর্ত রয়েছে– বিএনপিকে তার পুরোনো সীমাবদ্ধতা ও পরিবারতন্ত্রের ছায়া থেকে বের হতে হবে। বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংস্কারের পথে হাঁটতে হবে। আর যারা ভারতের প্রভাব-রাজনীতির দিকে ঝুঁকে আছে, তাদেরও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূলধারায় ফিরে আসতে হবে।
তিনি লেখেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সংকটকে কেবল বেগম জিয়া বা তারেক জিয়ার সংকট হিসেবে দেখার ভুল করেছি। এই সংকট বেগম জিয়া বা তারেক জিয়ার নয়, এটি এক গভীরতর রাষ্ট্রগত সংকট, যা ব্যক্তি-নির্ভর ব্যাখ্যার ঊর্ধ্বে। পরিবারতন্ত্রের যে দুর্বলতা দীর্ঘদিন বিএনপিকে জর্জরিত করেছে, সেই জায়গায় সংস্কারের পথ আমরা ইতিমধ্যে স্পষ্ট করেছি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, বিএনপি যখন জনগণের কাছে তার ঐতিহাসিক আবেদন হারিয়েছে, তখন অবলম্বন খুঁজেছে প্রতিষ্ঠানের ছায়ায়। তবুও আশা থাকে, নতুন প্রজন্ম যদি সত্যিই জেগে ওঠে, তারা পরিবারতন্ত্রের গণ্ডি ভেঙে আবারও জনপদের রাজনীতিতে ফিরতে পারে। ভারতের কংগ্রেসও আজ একই পথ খুঁজছে: পরিবারতন্ত্রের শেকল ভেঙে পুনর্গঠিত হওয়ার পথ।
তিনি লেখেন, ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল প্রক্সি রাজনীতির দাসত্ব থেকে মুক্তি এবং সাম্য ও মর্যাদার ভিত্তিতে নতুন রাষ্ট্র কাঠামো নির্মাণ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ছাত্রশিবির তাদের কিছু কল্যাণমূলক কাজের আড়ালে পদপদবি ও আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে ছাত্রসমাজকে জামায়াতের হাতে তুলে দিয়েছে। ফলে দেশ আবারও পুরোনো প্রক্সি রাজনীতির ঘূর্ণিপাকে নিপতিত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।
পাটওয়ারী আরও লেখেন, এনসিপি স্পষ্ট করেছে– ঐক্য হোক বা না হোক, চারটি মৌলিক প্রশ্নে তারা কোনো আপস করবে না। এগুলো হলো– বাংলাদেশের পুনর্গঠন; সার্বভৌম মর্যাদা ও জাতীয়তাবাদ; ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ এবং নাগরিক অধিকার, স্বাধীনতা ও সম্মান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৪ ঘণ্টা আগে