সিইসির সঙ্গে ১১ দলীয় জোটের বৈঠক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, আমরা সুন্দর পরিবেশে নির্বাচন প্রত্যাশা করছি। কিন্তু সুন্দর পরিবেশের নির্বাচনে বারবার বাঁধা তৈরি করা হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ব্যারিকেড তৈরি করা হচ্ছে।
আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতা বলেন, “আর কয়েক ঘণ্টা পরেই জাতির প্রত্যাশিত নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী কাজে বিঘ্ন ঘটানো হচ্ছে। সন্ত্রাসী কায়দায় হুমকি দেওয়া এবং নির্বাচনী ক্যাম্প ভেঙে দেওয়ার মতো অপকর্মের প্রতিবাদ জানাতেই আমরা নির্বাচন কমিশনে এসেছি।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, মানুষের আকাশচুম্বী প্রত্যাশা অনুযায়ী ইতিহাসের সবচাইতে সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
জুবায়ের অভিযোগ করে বলেন, “গতকাল মৌলভীবাজার-১ আসনে জামায়াতের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রহমানসহ দায়িত্বশীলদের ওপর হামলা হয়েছে। ৩ নম্বর আসনেও একই ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ফরিদপুর-২ আসনে আমাদের এজেন্টদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। মানিকগঞ্জ, নেত্রকোনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীতেও হামলার ঘটনা ঘটছে। ঢাকা-১৫ আসনে গত রাতে আমাদের ১২টি নির্বাচনী ক্যাম্প পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা ইসিকে বলেছি এসব বিষয়ে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে।”
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জামায়াত নেতাকে আটকের ঘটনাকে ‘নাটক’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, “জনসমর্থন না থাকায় একটি পক্ষ আমাদের মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে হীন অপপ্রচার চালাচ্ছে। ফ্যাসিবাদ বিদায় নেওয়ার পর আমরা এই ধরনের মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে সম্মানহানি আশা করি না। জনগণ এসব চক্রান্ত রুখে দেবে।”
ইসির পদক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, “ইসি আমাদের জানিয়েছে তারা তাৎক্ষণিক অ্যাকশন নিচ্ছে। কিন্তু আমরা বলেছি, শুধু বললেই হবে না, কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এছাড়া আমরা বডি ওর্ন ক্যামেরার তালিকায় অসংগতি লক্ষ্য করেছি। কিছু আসনে অস্বাভাবিক বেশি এবং কিছু আসনে খুব কম ক্যামেরা রাখা হয়েছে। কোনো বিশেষ দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এমনটি করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে আমাদের সন্দেহ রয়েছে।”
সবশেষে জুবায়ের সংবাদমাধ্যমকে সত্য তথ্য প্রচারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “কোনো তথ্য যেন অপতথ্যে রূপ না নেয়। আমরা সব ধরনের ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করব। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি কেন্দ্রে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আমরা মাঠ ছাড়ব না এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেব।”
বৈঠকে জুবায়েরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, এনসিপির আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া, খেলাফত মজলিসের অধ্যাপক আবদুল জলিল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজি ও ফজলুর রহমান, এনসিপির ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, বিডিপির এম আবদুল ওয়াজেদ, এলডিপির অধ্যক্ষ এম মাহবুবুর রহমান এবং এবি পার্টির মোহাম্মদ আলফাত হোসাইন।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, আমরা সুন্দর পরিবেশে নির্বাচন প্রত্যাশা করছি। কিন্তু সুন্দর পরিবেশের নির্বাচনে বারবার বাঁধা তৈরি করা হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ব্যারিকেড তৈরি করা হচ্ছে।
আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতা বলেন, “আর কয়েক ঘণ্টা পরেই জাতির প্রত্যাশিত নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী কাজে বিঘ্ন ঘটানো হচ্ছে। সন্ত্রাসী কায়দায় হুমকি দেওয়া এবং নির্বাচনী ক্যাম্প ভেঙে দেওয়ার মতো অপকর্মের প্রতিবাদ জানাতেই আমরা নির্বাচন কমিশনে এসেছি।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, মানুষের আকাশচুম্বী প্রত্যাশা অনুযায়ী ইতিহাসের সবচাইতে সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
জুবায়ের অভিযোগ করে বলেন, “গতকাল মৌলভীবাজার-১ আসনে জামায়াতের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রহমানসহ দায়িত্বশীলদের ওপর হামলা হয়েছে। ৩ নম্বর আসনেও একই ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ফরিদপুর-২ আসনে আমাদের এজেন্টদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। মানিকগঞ্জ, নেত্রকোনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীতেও হামলার ঘটনা ঘটছে। ঢাকা-১৫ আসনে গত রাতে আমাদের ১২টি নির্বাচনী ক্যাম্প পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা ইসিকে বলেছি এসব বিষয়ে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে।”
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জামায়াত নেতাকে আটকের ঘটনাকে ‘নাটক’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, “জনসমর্থন না থাকায় একটি পক্ষ আমাদের মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে হীন অপপ্রচার চালাচ্ছে। ফ্যাসিবাদ বিদায় নেওয়ার পর আমরা এই ধরনের মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে সম্মানহানি আশা করি না। জনগণ এসব চক্রান্ত রুখে দেবে।”
ইসির পদক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, “ইসি আমাদের জানিয়েছে তারা তাৎক্ষণিক অ্যাকশন নিচ্ছে। কিন্তু আমরা বলেছি, শুধু বললেই হবে না, কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এছাড়া আমরা বডি ওর্ন ক্যামেরার তালিকায় অসংগতি লক্ষ্য করেছি। কিছু আসনে অস্বাভাবিক বেশি এবং কিছু আসনে খুব কম ক্যামেরা রাখা হয়েছে। কোনো বিশেষ দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এমনটি করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে আমাদের সন্দেহ রয়েছে।”
সবশেষে জুবায়ের সংবাদমাধ্যমকে সত্য তথ্য প্রচারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “কোনো তথ্য যেন অপতথ্যে রূপ না নেয়। আমরা সব ধরনের ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করব। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি কেন্দ্রে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আমরা মাঠ ছাড়ব না এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেব।”
বৈঠকে জুবায়েরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, এনসিপির আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া, খেলাফত মজলিসের অধ্যাপক আবদুল জলিল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজি ও ফজলুর রহমান, এনসিপির ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, বিডিপির এম আবদুল ওয়াজেদ, এলডিপির অধ্যক্ষ এম মাহবুবুর রহমান এবং এবি পার্টির মোহাম্মদ আলফাত হোসাইন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে