স্ট্রিম সংবাদদাতা

নির্বাচনী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার জন্য নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে যদি কেউ সন্ত্রাস চালাতে চাইলে নিজে জবাব দেওয়ার আগে প্রশাসনকে জানাবেন। যদি দেখেন প্রশাসন ব্যবস্থা না নেওয়ায় সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হয়ে গেছে, সেটি প্রতিহত করা ওয়াজিব।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শেরপুরের শহিদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেরার শ্রীবরদীর গড়জরিপা ইউনিয়নের গোপালখিলা এলাকায় বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের কবর জিয়ারত করেন শফিকুর রহমান। গত ২৭ জানুয়ারির এ ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
জামায়াতের নারী শাখার নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান বলেন, বহু জায়গায় মায়েদের গায়ে হাত তোলা হয়েছে। কোনো কোনো উন্মাদ বলেছে— বোরকা-হিজাব পরে কেউ ভোট চাইতে গেলে কাপড় খুলে ফেলা হবে। যারা মা-বোনদের কাপড় খুলে নিতে চায়, তারা পশুর চেয়েও খারাপ। আমি স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই– মায়েদের গায়ে হাত উঠলে বাংলাদেশ বিস্ফোরিত হবে।

১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে ‘জাতির বাঁক পরিবর্তনের দিন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এমন একটি দেশ চাই, যেখানে তুচ্ছ শান্তির জন্য হানাহানি হবে না, নোংরা ঘটনা ঘটবে না। রাজনীতির নামে যদি মানুষ খুন হয়, সেই রাজনীতি আমরা ঘৃণা করি।
রাজনৈতিক মামলায় ভুয়া আসামি করার সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের কেউ চাঁদাবাজ বলতে পারবে না। আমরা কোথাও চাঁদাবাজি করি না। বাংলাদেশে মোট মামলা করেছি ১ হাজার ২০০টি। এর মধ্যে ৮টি মামলায় আসামি একজন করে। দ্বিতীয় কাউকে অপরাধী পাইনি, তাদের নাম লিখব কি করে? আমরা এটা করিনি। কিন্তু অনেকেই হাজার হাজার মানুষকে আসামি করে মামলা করেছেন। তারপর তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু গ্রহণ করেছেন। এসব হারাম।
তিনি বলেন, শেরপুর কৃষিপ্রধান এলাকা, এখানে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হলে ভালো হবে। জেলায় মেডিকেল কলেজ না থাকার বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে দেশের কোনো জেলা মেডিকেল কলেজবিহীন থাকবে না। আর যেখানে যে ইন্ডাস্ট্রি প্রয়োজন সেটি গড়ে তোলা হবে।
সভায় জামায়াতের আমির শেরপুর-১ আসনে প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর-২ আসনে গোলাম কিবরিয়া ও শেরপুর-৩ আসনে দলীয় প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।

নির্বাচনী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার জন্য নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে যদি কেউ সন্ত্রাস চালাতে চাইলে নিজে জবাব দেওয়ার আগে প্রশাসনকে জানাবেন। যদি দেখেন প্রশাসন ব্যবস্থা না নেওয়ায় সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হয়ে গেছে, সেটি প্রতিহত করা ওয়াজিব।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শেরপুরের শহিদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেরার শ্রীবরদীর গড়জরিপা ইউনিয়নের গোপালখিলা এলাকায় বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের কবর জিয়ারত করেন শফিকুর রহমান। গত ২৭ জানুয়ারির এ ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
জামায়াতের নারী শাখার নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান বলেন, বহু জায়গায় মায়েদের গায়ে হাত তোলা হয়েছে। কোনো কোনো উন্মাদ বলেছে— বোরকা-হিজাব পরে কেউ ভোট চাইতে গেলে কাপড় খুলে ফেলা হবে। যারা মা-বোনদের কাপড় খুলে নিতে চায়, তারা পশুর চেয়েও খারাপ। আমি স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই– মায়েদের গায়ে হাত উঠলে বাংলাদেশ বিস্ফোরিত হবে।

১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে ‘জাতির বাঁক পরিবর্তনের দিন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এমন একটি দেশ চাই, যেখানে তুচ্ছ শান্তির জন্য হানাহানি হবে না, নোংরা ঘটনা ঘটবে না। রাজনীতির নামে যদি মানুষ খুন হয়, সেই রাজনীতি আমরা ঘৃণা করি।
রাজনৈতিক মামলায় ভুয়া আসামি করার সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের কেউ চাঁদাবাজ বলতে পারবে না। আমরা কোথাও চাঁদাবাজি করি না। বাংলাদেশে মোট মামলা করেছি ১ হাজার ২০০টি। এর মধ্যে ৮টি মামলায় আসামি একজন করে। দ্বিতীয় কাউকে অপরাধী পাইনি, তাদের নাম লিখব কি করে? আমরা এটা করিনি। কিন্তু অনেকেই হাজার হাজার মানুষকে আসামি করে মামলা করেছেন। তারপর তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু গ্রহণ করেছেন। এসব হারাম।
তিনি বলেন, শেরপুর কৃষিপ্রধান এলাকা, এখানে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হলে ভালো হবে। জেলায় মেডিকেল কলেজ না থাকার বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে দেশের কোনো জেলা মেডিকেল কলেজবিহীন থাকবে না। আর যেখানে যে ইন্ডাস্ট্রি প্রয়োজন সেটি গড়ে তোলা হবে।
সভায় জামায়াতের আমির শেরপুর-১ আসনে প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর-২ আসনে গোলাম কিবরিয়া ও শেরপুর-৩ আসনে দলীয় প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৯ ঘণ্টা আগে