স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপসোমবার (২ জুন) বিকেল ৪টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শুরু হচ্ছে।
কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ৩১টি দল ও জোটকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে সরকারের সঙ্গে মতবিরোধ থাকলেও বিএনপি আজকের সংলাপে অংশগ্রহণ করবে। জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরও সংলাপে উপস্থিত থাকবেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ছয় মাস মেয়াদি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপের সংলাপে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে ১৬৬ দফার একটি সংস্কার সুপারিশমালা উপস্থাপন করা হয়। এতে সংবিধান সংশোধন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠনের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রথম পর্যায়ে ৩৮টি দল ও জোটের মধ্যে ৩৩টি দল মতামত জানায় এবং মার্চ থেকে মে পর্যন্ত ৪৫টি পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এই সংলাপের মধ্য দিয়ে সরকার ‘জুলাই সনদ’ ঘোষণার চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।’ তিনি জানান, আজকের বৈঠকের পর ঈদের আগে ও পরে আরও দুটি সংলাপ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রথম ধাপের সংলাপে অধিকাংশ দল উচ্চকক্ষ গঠন, জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিলের মাধ্যমে নিয়োগ এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা দুই মেয়াদে সীমিত করার সুপারিশে একমত হয়েছিল। তবে বিএনপি, জামায়াতসহ কয়েকটি দল এতে আপত্তি জানায়। বিএনপি চায়, এসব সংস্কার পরবর্তী নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমে হোক। জামায়াতের মতে, গণভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। অন্যদিকে, ছাত্রনেতাদের গঠিত এনসিপি দলের দাবি, গণপরিষদের মাধ্যমে জাতীয় সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে হবে।
ঐকমত্য কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের মূল লক্ষ্য হলো মতপার্থক্য দূর করে মৌলিক সংস্কার বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য সৃষ্টি করা, যা ‘জুলাই সনদ’ নামে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা দলিলে রূপ নিতে পারে।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেছিলো ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’। প্রথম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এলডিপি, নাগরিক ঐক্য, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিশ, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদসহ নানা রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা।অংশ নিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটিও।
মূলত ছয়টি পৃথক কমিশনের দেওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার জন্যই এই সংলাপ, যা নতুন নির্বাচনের রূপরেখা নির্ধারণে সহায়ক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আয়োজিত এ বৈঠককে অনেকে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের সূচনাবিন্দু হিসেবেও দেখছেন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপসোমবার (২ জুন) বিকেল ৪টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শুরু হচ্ছে।
কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ৩১টি দল ও জোটকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে সরকারের সঙ্গে মতবিরোধ থাকলেও বিএনপি আজকের সংলাপে অংশগ্রহণ করবে। জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরও সংলাপে উপস্থিত থাকবেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ছয় মাস মেয়াদি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপের সংলাপে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে ১৬৬ দফার একটি সংস্কার সুপারিশমালা উপস্থাপন করা হয়। এতে সংবিধান সংশোধন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠনের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রথম পর্যায়ে ৩৮টি দল ও জোটের মধ্যে ৩৩টি দল মতামত জানায় এবং মার্চ থেকে মে পর্যন্ত ৪৫টি পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘এই সংলাপের মধ্য দিয়ে সরকার ‘জুলাই সনদ’ ঘোষণার চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।’ তিনি জানান, আজকের বৈঠকের পর ঈদের আগে ও পরে আরও দুটি সংলাপ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রথম ধাপের সংলাপে অধিকাংশ দল উচ্চকক্ষ গঠন, জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিলের মাধ্যমে নিয়োগ এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা দুই মেয়াদে সীমিত করার সুপারিশে একমত হয়েছিল। তবে বিএনপি, জামায়াতসহ কয়েকটি দল এতে আপত্তি জানায়। বিএনপি চায়, এসব সংস্কার পরবর্তী নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমে হোক। জামায়াতের মতে, গণভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। অন্যদিকে, ছাত্রনেতাদের গঠিত এনসিপি দলের দাবি, গণপরিষদের মাধ্যমে জাতীয় সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে হবে।
ঐকমত্য কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের মূল লক্ষ্য হলো মতপার্থক্য দূর করে মৌলিক সংস্কার বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য সৃষ্টি করা, যা ‘জুলাই সনদ’ নামে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা দলিলে রূপ নিতে পারে।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেছিলো ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’। প্রথম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এলডিপি, নাগরিক ঐক্য, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিশ, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদসহ নানা রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা।অংশ নিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটিও।
মূলত ছয়টি পৃথক কমিশনের দেওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার জন্যই এই সংলাপ, যা নতুন নির্বাচনের রূপরেখা নির্ধারণে সহায়ক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আয়োজিত এ বৈঠককে অনেকে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের সূচনাবিন্দু হিসেবেও দেখছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৬ ঘণ্টা আগে