স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রশাসনের কলঙ্ক মোচনের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসন্ন নির্বাচন প্রশাসনের জন্য ‘অগ্নিপরীক্ষা’ অভিহিত করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বিগত ১৭ বছরে প্রশাসনের প্রতি জনগণের যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে, তা থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হচ্ছে আগামী ১২ তারিখের নিরপেক্ষ ভোট।
পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বিগত ৩টি নির্বাচনের মতো এই নির্বাচনে কোনো ওসির বা এসপির জন্য খাম পাঠাতে হবে না। আপনারা কোনো রাজনৈতিক দলের গোলামি করবেন না। রাজনৈতিক দলের কাছে দায়বদ্ধ থাকলে তার পরিণতি কী হয়, তা গত জুলাইয়ে দেখেছেন। কামানের গোলা আর ভারত দিয়েও জনতার স্রোত আটকানো যায় না।‘ তিনি পুলিশকে কোনো নির্দিষ্ট দলের হয়ে কাজ না করে ‘জনতার পুলিশ’ হওয়ার আহ্বান জানান।
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘কতিপয় অফিসার বিগত সময়ে আপনাদের সম্মান লুণ্ঠিত করেছে। এই নির্বাচন আপনাদের কলঙ্ক মোচনের সুযোগ। আপনারা জনতার কাতারে কাঁধ মিলিয়ে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতে কাজ করবেন।’
ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় কেন্দ্রে গিয়ে সবাইকে দেশের মালিকানা বুঝে নিতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ দল ভুয়া পর্যবেক্ষক সংস্থার নাম দিয়ে কেন্দ্র দখল ও রিগিংয়ের পাঁয়তারা করছে। তবে জুলাই বিপ্লবের বীর ছাত্ররা, বিশেষ করে ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির কর্মীরা ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন বলে তিনি ঘোষণা দেন। সমাবেশে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রশাসনের কলঙ্ক মোচনের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসন্ন নির্বাচন প্রশাসনের জন্য ‘অগ্নিপরীক্ষা’ অভিহিত করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বিগত ১৭ বছরে প্রশাসনের প্রতি জনগণের যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে, তা থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হচ্ছে আগামী ১২ তারিখের নিরপেক্ষ ভোট।
পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বিগত ৩টি নির্বাচনের মতো এই নির্বাচনে কোনো ওসির বা এসপির জন্য খাম পাঠাতে হবে না। আপনারা কোনো রাজনৈতিক দলের গোলামি করবেন না। রাজনৈতিক দলের কাছে দায়বদ্ধ থাকলে তার পরিণতি কী হয়, তা গত জুলাইয়ে দেখেছেন। কামানের গোলা আর ভারত দিয়েও জনতার স্রোত আটকানো যায় না।‘ তিনি পুলিশকে কোনো নির্দিষ্ট দলের হয়ে কাজ না করে ‘জনতার পুলিশ’ হওয়ার আহ্বান জানান।
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘কতিপয় অফিসার বিগত সময়ে আপনাদের সম্মান লুণ্ঠিত করেছে। এই নির্বাচন আপনাদের কলঙ্ক মোচনের সুযোগ। আপনারা জনতার কাতারে কাঁধ মিলিয়ে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতে কাজ করবেন।’
ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় কেন্দ্রে গিয়ে সবাইকে দেশের মালিকানা বুঝে নিতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ দল ভুয়া পর্যবেক্ষক সংস্থার নাম দিয়ে কেন্দ্র দখল ও রিগিংয়ের পাঁয়তারা করছে। তবে জুলাই বিপ্লবের বীর ছাত্ররা, বিশেষ করে ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির কর্মীরা ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন বলে তিনি ঘোষণা দেন। সমাবেশে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৪ ঘণ্টা আগে