স্ট্রিম প্রতিবেদক

ন্যূনতম পাস নম্বর না পেয়েও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ভর্তি হয়েছিলেন রাকসুতে (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ) ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের এজিএস প্রার্থী এস এম সালমান সাব্বির।
২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র সালমানের রেজিস্ট্রেশন ফরমে দেখা যায়, তিনি ভর্তি পরীক্ষায় ৩২.৫ নম্বর পেয়েছিলেন। অথচ সে বছর রাবিতে পাস নম্বর ছিল ৪০।
রেজিস্ট্রেশন ফরমে দেখা গেছে, সালমান পোষ্য কোটা ব্যবহার করে পরিসংখ্যান বিভাগে ভর্তি হন। কিন্তু সে ক্ষেত্রেও ন্যূনতম পাস নম্বর নির্ধারিত ছিল ৩৫। অর্থাৎ, পোষ্য কোটার হিসেবেও পরীক্ষায় অকৃতকার্য ছিলেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, অকৃতকার্য হওয়া সত্ত্বেও অবৈধ সুবিধা নিয়ে রাবিতে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।
যদিও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি সালমান। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না। একদিন আগে এ বিষয়টি সামনে আনা আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার শামিল। আমি কোটাবিরোধী আন্দোলনে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলাম। একটি কথা বলতে পারি, আমরা থাকা পর্যন্ত পোষ্য কোটা ফিরে আসবে না।’
সালমান আরও বলেন, রাকসু নির্বাচনের দুই-একদিন আগে আমাকে নিয়ে মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। অনেকে আমাকে আওয়ামী লীগের দোসর বানাতে চাইছে, কিন্তু সবাই অনেক আগে থেকেই জানে আমি ছাত্রশিবিরের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পোষ্য কোটা বিলুপ্তির দাবিতে গত বছর থেকেই আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের মুখে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ভর্তিতে পোষ্য কোটা সুবিধা বাতিলের ঘোষণা দেন উপাচার্য সালেহ হাসান নকিব।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর কয়েকটি শর্তে পোষ্য কোটায় শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। এর প্রতিবাদে আবারও রাস্তায় নামেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ২১ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে পোষ্য কোটা আবার স্থগিতের কথা জানায় প্রশাসন।
ওই সময় পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন এস এম সালমান সাব্বির। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের প্যানেল সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদপ্রার্থী সালমান। আগামীকাল রাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে।
পোষ্য কোটায় ভর্তি হয়েও কোটাবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়াকে ‘দ্বিচারিতা’ হিসেবে দেখছেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের রাবি শাখার আহ্বায়ক ও ‘গণতান্ত্রিক শিক্ষার্থী পর্ষদ’ মনোনীত রাকসুর ভিপিপ্রার্থী ফুয়াদ রাতুল।
তিনি স্ট্রিমকে বলেন, প্রশাসন যখন পোষ্য কোটা পুনরায় ফিরিয়ে আনলো তখন আমাদের আশঙ্কা ছিল বড় ছাত্রসংগঠনগুলোর এতে গ্রিন সিগন্যাল থাকতে পারে। পোষ্য কোটা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্তে শিবির বা তাদের প্রার্থীরাও প্রতিবাদ জানিয়েছিল। নিজে (সালমান সাব্বির) পোষ্য কোটায় ভর্তি হয়ে পোষ্য কোটাবিরোধী হয়ে ওঠা—এটা আমার মনে হয় রাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে এক ধরনের দ্বিচারিতা।
তিনি আরও বলেন, পোষ্য কোটার বিরোধী হয়ে শিবির এমন একজনকে এজিএস পদে দাঁড় করিয়েছে যে নিজেই কি-না ভর্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে পোষ্য কোটার জোরে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী ফাহিম রেজাও প্রথমে পোষ্য কোটার পক্ষে থাকলেও পরে অবস্থান বদলে আন্দোলনে অংশ নেন।
বিক্ষোভ শুরুর আগে এক ফেসবুক পোস্টে ফাহিম লেখেন, ‘এত বছর ধরে চলে আসা একটি অন্যায্য সুবিধার বিপক্ষে ইনসাফমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। রিভিউ কমিটির বৈঠকে আমিই বলেছিলাম ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের অন্তত ১ শতাংশ কোটা বহাল রাখা উচিত।’

ন্যূনতম পাস নম্বর না পেয়েও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ভর্তি হয়েছিলেন রাকসুতে (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ) ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের এজিএস প্রার্থী এস এম সালমান সাব্বির।
২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র সালমানের রেজিস্ট্রেশন ফরমে দেখা যায়, তিনি ভর্তি পরীক্ষায় ৩২.৫ নম্বর পেয়েছিলেন। অথচ সে বছর রাবিতে পাস নম্বর ছিল ৪০।
রেজিস্ট্রেশন ফরমে দেখা গেছে, সালমান পোষ্য কোটা ব্যবহার করে পরিসংখ্যান বিভাগে ভর্তি হন। কিন্তু সে ক্ষেত্রেও ন্যূনতম পাস নম্বর নির্ধারিত ছিল ৩৫। অর্থাৎ, পোষ্য কোটার হিসেবেও পরীক্ষায় অকৃতকার্য ছিলেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, অকৃতকার্য হওয়া সত্ত্বেও অবৈধ সুবিধা নিয়ে রাবিতে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।
যদিও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি সালমান। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না। একদিন আগে এ বিষয়টি সামনে আনা আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার শামিল। আমি কোটাবিরোধী আন্দোলনে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলাম। একটি কথা বলতে পারি, আমরা থাকা পর্যন্ত পোষ্য কোটা ফিরে আসবে না।’
সালমান আরও বলেন, রাকসু নির্বাচনের দুই-একদিন আগে আমাকে নিয়ে মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। অনেকে আমাকে আওয়ামী লীগের দোসর বানাতে চাইছে, কিন্তু সবাই অনেক আগে থেকেই জানে আমি ছাত্রশিবিরের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পোষ্য কোটা বিলুপ্তির দাবিতে গত বছর থেকেই আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের মুখে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ভর্তিতে পোষ্য কোটা সুবিধা বাতিলের ঘোষণা দেন উপাচার্য সালেহ হাসান নকিব।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর কয়েকটি শর্তে পোষ্য কোটায় শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। এর প্রতিবাদে আবারও রাস্তায় নামেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ২১ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে পোষ্য কোটা আবার স্থগিতের কথা জানায় প্রশাসন।
ওই সময় পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন এস এম সালমান সাব্বির। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের প্যানেল সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদপ্রার্থী সালমান। আগামীকাল রাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে।
পোষ্য কোটায় ভর্তি হয়েও কোটাবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়াকে ‘দ্বিচারিতা’ হিসেবে দেখছেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের রাবি শাখার আহ্বায়ক ও ‘গণতান্ত্রিক শিক্ষার্থী পর্ষদ’ মনোনীত রাকসুর ভিপিপ্রার্থী ফুয়াদ রাতুল।
তিনি স্ট্রিমকে বলেন, প্রশাসন যখন পোষ্য কোটা পুনরায় ফিরিয়ে আনলো তখন আমাদের আশঙ্কা ছিল বড় ছাত্রসংগঠনগুলোর এতে গ্রিন সিগন্যাল থাকতে পারে। পোষ্য কোটা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্তে শিবির বা তাদের প্রার্থীরাও প্রতিবাদ জানিয়েছিল। নিজে (সালমান সাব্বির) পোষ্য কোটায় ভর্তি হয়ে পোষ্য কোটাবিরোধী হয়ে ওঠা—এটা আমার মনে হয় রাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে এক ধরনের দ্বিচারিতা।
তিনি আরও বলেন, পোষ্য কোটার বিরোধী হয়ে শিবির এমন একজনকে এজিএস পদে দাঁড় করিয়েছে যে নিজেই কি-না ভর্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে পোষ্য কোটার জোরে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী ফাহিম রেজাও প্রথমে পোষ্য কোটার পক্ষে থাকলেও পরে অবস্থান বদলে আন্দোলনে অংশ নেন।
বিক্ষোভ শুরুর আগে এক ফেসবুক পোস্টে ফাহিম লেখেন, ‘এত বছর ধরে চলে আসা একটি অন্যায্য সুবিধার বিপক্ষে ইনসাফমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। রিভিউ কমিটির বৈঠকে আমিই বলেছিলাম ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের অন্তত ১ শতাংশ কোটা বহাল রাখা উচিত।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৯ ঘণ্টা আগে