স্ট্রিম প্রতিবেদক

নেত্রকোণা জেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ সবুজ মিয়া ও মোহাম্মদ সুলতান, আপন দুই ভাই। তাঁদের সন্তান জয় মিয়া ও মারজিয়া সুলতানাকে বিয়ে দিয়ে সম্পর্ককে আরেকধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা। তবে মিরপুরের আগুন কেড়ে নিয়েছে তাঁদের দুই সন্তানের প্রাণ। এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে বিলাপ করে খুঁজছেন তাঁদের লাশ।
আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে এসে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
রাজধানী মিরপুরের শিয়ালবাড়ি এলাকার পোশাক কারখানা ও রাসায়নিক গোডাউনের আগুন কেড়ে নিয়েছে অন্তত ১৬টি প্রাণ। মঙ্গলবার বিকেলের সেই আগুনে পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে দেহগুলো। এখন সেগুলো রাখা আছে ঢামেক হাসপাতালের মর্গে।
মর্গের ভেতরে কাজ করছেন চিকিৎসক ও পুলিশ সদস্যরা। তাঁদের ভাষ্য, এই লাশগুলো দেখে কাউকে চেনার উপায় নাই। আগুনে পুড়ে কালো কঙ্কাল হয়ে গেছে। কারও মুখ নেই, কারও চুলটুকু অবশিষ্ট। তবু স্বজনেরা চেষ্টা ছাড়ছেন না। কেউ হাতে থাকা ঘড়ি দেখে কাঁদছেন, কেউ কানের দুল দেখে শনাক্তের দাবি করছেন।
সন্তানের খোঁজে আসা সহোদর সবুজ মিয়া ও সুলতানের সঙ্গে কথা হয় স্ট্রিমের। তারা জানান, গত কোরবানি ঈদের ছুটিতে বিয়ে হয় জয় মিয়া ও মারজিয়া সুলতানার। বিয়ের পর তাঁরা ঢাকা আসেন, কাজ শুরু করেন একই প্রতিষ্ঠানে।
জয় মিয়ার বাবা সবুজ মিয়া স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ভালো। তাই তার মাইয়াডার লগে পোলাডারে বিয়া দিছিলাম। কিন্তু সেই বিয়া আর টিকলো না, পোলাপান দুইডা মইরা গেলো।’
‘পোলাডার লাশ পাইছি, কিন্তু আমার বউমারে এখনও পাই নাই’— বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন সবুজ।
মারজিয়া সুলতানার বাবা মোহাম্মদ সুলতান স্ট্রিমকে বলেন, ‘আগুন লাগার পরে পোলার লগে কথা হইছে আমার। তারা আমারে কইলো, ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগছে, ধোঁয়ায় সব অন্ধকার। বের হওয়ার গেট বন্ধ। আমরা বের হইতে পারতেছি না।’
সুলতান আরও বলেন, ‘এইটা বইলা পোলাটা যে কল কাটলো, আর কথা কইতে পারলাম না। এতবার কল দিলাম তাও ধরলো না। এখন পোলার লাশ নিয়া বইসা আছি, কিন্তু মাইয়াটারে তো পাইলাম না।’
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পোশাক কারখানা ও ক্যামিকেল গোডাউনে লাগা আগুনে এখন পর্যন্ত ১৬ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

নেত্রকোণা জেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ সবুজ মিয়া ও মোহাম্মদ সুলতান, আপন দুই ভাই। তাঁদের সন্তান জয় মিয়া ও মারজিয়া সুলতানাকে বিয়ে দিয়ে সম্পর্ককে আরেকধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা। তবে মিরপুরের আগুন কেড়ে নিয়েছে তাঁদের দুই সন্তানের প্রাণ। এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে বিলাপ করে খুঁজছেন তাঁদের লাশ।
আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে এসে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
রাজধানী মিরপুরের শিয়ালবাড়ি এলাকার পোশাক কারখানা ও রাসায়নিক গোডাউনের আগুন কেড়ে নিয়েছে অন্তত ১৬টি প্রাণ। মঙ্গলবার বিকেলের সেই আগুনে পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে দেহগুলো। এখন সেগুলো রাখা আছে ঢামেক হাসপাতালের মর্গে।
মর্গের ভেতরে কাজ করছেন চিকিৎসক ও পুলিশ সদস্যরা। তাঁদের ভাষ্য, এই লাশগুলো দেখে কাউকে চেনার উপায় নাই। আগুনে পুড়ে কালো কঙ্কাল হয়ে গেছে। কারও মুখ নেই, কারও চুলটুকু অবশিষ্ট। তবু স্বজনেরা চেষ্টা ছাড়ছেন না। কেউ হাতে থাকা ঘড়ি দেখে কাঁদছেন, কেউ কানের দুল দেখে শনাক্তের দাবি করছেন।
সন্তানের খোঁজে আসা সহোদর সবুজ মিয়া ও সুলতানের সঙ্গে কথা হয় স্ট্রিমের। তারা জানান, গত কোরবানি ঈদের ছুটিতে বিয়ে হয় জয় মিয়া ও মারজিয়া সুলতানার। বিয়ের পর তাঁরা ঢাকা আসেন, কাজ শুরু করেন একই প্রতিষ্ঠানে।
জয় মিয়ার বাবা সবুজ মিয়া স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ভালো। তাই তার মাইয়াডার লগে পোলাডারে বিয়া দিছিলাম। কিন্তু সেই বিয়া আর টিকলো না, পোলাপান দুইডা মইরা গেলো।’
‘পোলাডার লাশ পাইছি, কিন্তু আমার বউমারে এখনও পাই নাই’— বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন সবুজ।
মারজিয়া সুলতানার বাবা মোহাম্মদ সুলতান স্ট্রিমকে বলেন, ‘আগুন লাগার পরে পোলার লগে কথা হইছে আমার। তারা আমারে কইলো, ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগছে, ধোঁয়ায় সব অন্ধকার। বের হওয়ার গেট বন্ধ। আমরা বের হইতে পারতেছি না।’
সুলতান আরও বলেন, ‘এইটা বইলা পোলাটা যে কল কাটলো, আর কথা কইতে পারলাম না। এতবার কল দিলাম তাও ধরলো না। এখন পোলার লাশ নিয়া বইসা আছি, কিন্তু মাইয়াটারে তো পাইলাম না।’
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পোশাক কারখানা ও ক্যামিকেল গোডাউনে লাগা আগুনে এখন পর্যন্ত ১৬ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে