কামরুল হাসান

প্রথমবারের মতো চালু করা পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মূলত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে ভিত্তি ধরে এই ব্যবস্থাপনা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, বাহরাইনে একসঙ্গে অনেক ব্যালট বিতরণের ভিডিও পাওয়া গেছে। সেখানে ১৬০ থেকে ২৩৩ বাংলাদেশি বসবাস করেন। এ বিষয়ে বাহরাইনের সংশ্লিষ্টদের ভার্বাল নোট দেওয়া হয়েছে। সিপিআর (জাতীয় পরিচয়পত্রের সমতুল্য) দেখানো ছাড়া ব্যালট না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরবে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি জানিয়ে তিনি বলেন, ওমানের একটি ভিডিও সত্য বলে মনে হয়েছে। কুয়েত থেকে একটি ভিডিও পাওয়া গেলেও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এর বাইরে আবুধাবি, দুবাই, কাতার, মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশে পোস্টাল ব্যালট নিয়ে কোনো সমস্যা চোখে পড়েনি।
জানা যায়, প্রথমে সামাজিক মাধ্যমে বাহরাইনের ঠিকানাসংবলিত বহু পোস্টাল ব্যালট এক বাসায় গণনা করার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুকে সৌদি আরব ও কুয়েতের দুটি ভিডিও প্রকাশ করেন। তাতে দেখা যায়, কয়েকজন প্রবাসী অন্যের কাছে পোস্টাল ব্যালট পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব ভিডিও নিয়ে নানা শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে এর ইতিবাচক দিকও রয়েছে। সমালোচনার মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালটে ঠিক ধানের শীষ প্রতীক কোথায় রয়েছে, তা সবাই জানতে পারছেন। এ ব্যাপারে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, পোস্টাল ব্যালট নিয়ে যেসব ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে আগামী নির্বাচন নিয়ে সূক্ষ্ম কারচুপির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কিছু পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেও তা আশানুরুপ নয়। কে বা কারা, কীভাবে এর সঙ্গে জড়িত– তা জাতির সামনে প্রকাশ করতে ইসির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালট ঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা না হলে পুরো নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।’
গত ১৩ জানুয়ারি বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান দাবি করেন, পোস্টাল ব্যালটে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ধানের শীষ প্রতীক এমন জায়গায় রাখা হয়েছে, যা খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। আবার খুঁজে পেলেও প্রতীক এমন স্থানে বিন্যাস করা হয়েছে যে, তা নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
দেশে নতুন বিন্যাস করা পোস্টাল ব্যালট দেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এতে জড়িত না থাওলেও বিন্যাসের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাজটি করেছেন। ফলে তিনটি দলের প্রতীক দৃশ্যমান ও নিরাপদ স্থান পেয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ইসির সঙ্গে বৈঠকের পর জানান, পোস্টাল ব্যালটের নানা অনিয়ম ইসির কাছে তুলে ধরে ব্যাখ্যা চেয়েছেন তারা। তিনি বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের ঘটনায় বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রবাসীদের ভোটদানে এই পদ্ধতি প্রথম প্রয়োগ হচ্ছে। এখানে কিছু ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে। কিন্তু যেসব ভুল হচ্ছে, তাতে আমরা ভিকটিম হচ্ছি। একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কিছু কাজ হয়েছে বলে আমাদের ধারণা ছিল, যা এখন প্রমাণিত হচ্ছে।’
একই দিন সিইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে এ ব্যাপারে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ প্রবাসী জামায়াত নেতার বাসায় পোস্টাল ব্যালট পাওয়ার ঘটনা মিথ্যা দাবি করেন।
পোস্টাল ভোটের জন্য ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে দেশে ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪১; বিদেশে ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪০ জন। ইসি সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ডাকঘরের মাধ্যমে প্রবাসী ভোটারদের কাছে এ পর্যন্ত ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৮৪টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। ঠিকানার ভুলের কারণে ৪ হাজার ৫২১টি ব্যালট ফেরত এসেছে। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৭৩ ভোটার ব্যালট হাতে পেয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করেছেন। আগামী ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার পর দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালট দেওয়া হবে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, কেউ পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সামান্যতম জালিয়াতি করলে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক, ফৌজদারি মামলা এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে ফেরত আনা হবে।

প্রথমবারের মতো চালু করা পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মূলত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে ভিত্তি ধরে এই ব্যবস্থাপনা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, বাহরাইনে একসঙ্গে অনেক ব্যালট বিতরণের ভিডিও পাওয়া গেছে। সেখানে ১৬০ থেকে ২৩৩ বাংলাদেশি বসবাস করেন। এ বিষয়ে বাহরাইনের সংশ্লিষ্টদের ভার্বাল নোট দেওয়া হয়েছে। সিপিআর (জাতীয় পরিচয়পত্রের সমতুল্য) দেখানো ছাড়া ব্যালট না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরবে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি জানিয়ে তিনি বলেন, ওমানের একটি ভিডিও সত্য বলে মনে হয়েছে। কুয়েত থেকে একটি ভিডিও পাওয়া গেলেও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এর বাইরে আবুধাবি, দুবাই, কাতার, মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশে পোস্টাল ব্যালট নিয়ে কোনো সমস্যা চোখে পড়েনি।
জানা যায়, প্রথমে সামাজিক মাধ্যমে বাহরাইনের ঠিকানাসংবলিত বহু পোস্টাল ব্যালট এক বাসায় গণনা করার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুকে সৌদি আরব ও কুয়েতের দুটি ভিডিও প্রকাশ করেন। তাতে দেখা যায়, কয়েকজন প্রবাসী অন্যের কাছে পোস্টাল ব্যালট পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব ভিডিও নিয়ে নানা শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে এর ইতিবাচক দিকও রয়েছে। সমালোচনার মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালটে ঠিক ধানের শীষ প্রতীক কোথায় রয়েছে, তা সবাই জানতে পারছেন। এ ব্যাপারে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, পোস্টাল ব্যালট নিয়ে যেসব ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে আগামী নির্বাচন নিয়ে সূক্ষ্ম কারচুপির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কিছু পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেও তা আশানুরুপ নয়। কে বা কারা, কীভাবে এর সঙ্গে জড়িত– তা জাতির সামনে প্রকাশ করতে ইসির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালট ঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা না হলে পুরো নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।’
গত ১৩ জানুয়ারি বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান দাবি করেন, পোস্টাল ব্যালটে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ধানের শীষ প্রতীক এমন জায়গায় রাখা হয়েছে, যা খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। আবার খুঁজে পেলেও প্রতীক এমন স্থানে বিন্যাস করা হয়েছে যে, তা নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
দেশে নতুন বিন্যাস করা পোস্টাল ব্যালট দেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এতে জড়িত না থাওলেও বিন্যাসের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাজটি করেছেন। ফলে তিনটি দলের প্রতীক দৃশ্যমান ও নিরাপদ স্থান পেয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ইসির সঙ্গে বৈঠকের পর জানান, পোস্টাল ব্যালটের নানা অনিয়ম ইসির কাছে তুলে ধরে ব্যাখ্যা চেয়েছেন তারা। তিনি বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের ঘটনায় বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রবাসীদের ভোটদানে এই পদ্ধতি প্রথম প্রয়োগ হচ্ছে। এখানে কিছু ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে। কিন্তু যেসব ভুল হচ্ছে, তাতে আমরা ভিকটিম হচ্ছি। একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কিছু কাজ হয়েছে বলে আমাদের ধারণা ছিল, যা এখন প্রমাণিত হচ্ছে।’
একই দিন সিইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে এ ব্যাপারে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ প্রবাসী জামায়াত নেতার বাসায় পোস্টাল ব্যালট পাওয়ার ঘটনা মিথ্যা দাবি করেন।
পোস্টাল ভোটের জন্য ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে দেশে ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪১; বিদেশে ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪০ জন। ইসি সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ডাকঘরের মাধ্যমে প্রবাসী ভোটারদের কাছে এ পর্যন্ত ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৮৪টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। ঠিকানার ভুলের কারণে ৪ হাজার ৫২১টি ব্যালট ফেরত এসেছে। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৭৩ ভোটার ব্যালট হাতে পেয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করেছেন। আগামী ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার পর দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালট দেওয়া হবে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, কেউ পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সামান্যতম জালিয়াতি করলে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক, ফৌজদারি মামলা এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে ফেরত আনা হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে