স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পুনরায় পোষ্য কোটা চালু করার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এই কর্মসূচিতে রাজনৈতিক দলসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
রাকসু নির্বাচনের ঠিক আগে বাতিল হওয়া কোটা পুনর্বহালকে অধিকাংশ শিক্ষার্থী রাকসু বানচালের ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন।
বৃহস্পতিবার(১৮ সেপ্টেম্বর)বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় পোষ্য কোটা পুনর্বহাল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাংশ জানান, ১৮-২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোটা পুনরায় না হলে তারা পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাবেন। ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সুবিধা গ্রহণের জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সন্তানই আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া মেধা, ন্যূনতম পাস নম্বর এবং বিভাগভিত্তিক সীমাবদ্ধতা মানা বাধ্যতামূলক। অনিয়ম প্রমাণিত হলে ছাত্রত্ব বাতিলসহ অভিভাবকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাবি শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি এবং আসন্ন রাকসু নির্বাচনের ভিপি পদপ্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, 'ক্যাম্পাসের রাকসু যাঁরা বানচাল করতে চান, তাঁরা খুবই সক্রিয়। যখন তাঁরা দেখছেন রাকসু নির্বাচন হয়েই যাচ্ছে, তখন তাঁরা একটি সম্পূর্ণ মীমাংসিত ইস্যুকে সামনে নিয়ে আসছেন। যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা- কর্মচারী ত্রিমুখী অবস্থান করছেন।'
এ ছাড়াও মোস্তাকুর রহমান জাহিদ সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানিয়ে পোষ্য কোটা পুনরায় ফিরিয়ে না আনা এবং ২৫ সেপ্টেম্বরই রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার দাবি জানান।
এ প্রসঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাবি সাবেক সমন্বয় ফাহিম রেজা বলেন, 'প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা' বা অন্য যে নামেই পোষ্য কোটাকে ডাকা হোক না কেন তা পোষ্য কোটা।
পোষ্য কোটা বহালের প্রশ্নে সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, এটা মনে হচ্ছে রাকসু বানচালের ষড়যন্ত্র। শহীদের রক্তের উপরে দাঁড়িয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ কোনো অন্যায্য সুবিধা ভোগ করতে পারবে না।
ছাত্রদল মনোনীত জিএস পদপ্রার্থী নাফিউল জীবন বলেন, 'অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে এই পোষ্য কোটা বাতিল করতে হবে, যদি আজকের মধ্যে বাতিল না করা হয়, তবে আগামীকাল সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই আন্দোলন আরো বেগবান করা হবে।'
উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুরোপুরি পোষ্য কোটা বাতিল করা হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পুনরায় পোষ্য কোটা চালু করার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এই কর্মসূচিতে রাজনৈতিক দলসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
রাকসু নির্বাচনের ঠিক আগে বাতিল হওয়া কোটা পুনর্বহালকে অধিকাংশ শিক্ষার্থী রাকসু বানচালের ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন।
বৃহস্পতিবার(১৮ সেপ্টেম্বর)বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় পোষ্য কোটা পুনর্বহাল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাংশ জানান, ১৮-২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোটা পুনরায় না হলে তারা পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাবেন। ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সুবিধা গ্রহণের জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সন্তানই আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া মেধা, ন্যূনতম পাস নম্বর এবং বিভাগভিত্তিক সীমাবদ্ধতা মানা বাধ্যতামূলক। অনিয়ম প্রমাণিত হলে ছাত্রত্ব বাতিলসহ অভিভাবকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাবি শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি এবং আসন্ন রাকসু নির্বাচনের ভিপি পদপ্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, 'ক্যাম্পাসের রাকসু যাঁরা বানচাল করতে চান, তাঁরা খুবই সক্রিয়। যখন তাঁরা দেখছেন রাকসু নির্বাচন হয়েই যাচ্ছে, তখন তাঁরা একটি সম্পূর্ণ মীমাংসিত ইস্যুকে সামনে নিয়ে আসছেন। যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা- কর্মচারী ত্রিমুখী অবস্থান করছেন।'
এ ছাড়াও মোস্তাকুর রহমান জাহিদ সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানিয়ে পোষ্য কোটা পুনরায় ফিরিয়ে না আনা এবং ২৫ সেপ্টেম্বরই রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার দাবি জানান।
এ প্রসঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাবি সাবেক সমন্বয় ফাহিম রেজা বলেন, 'প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা' বা অন্য যে নামেই পোষ্য কোটাকে ডাকা হোক না কেন তা পোষ্য কোটা।
পোষ্য কোটা বহালের প্রশ্নে সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, এটা মনে হচ্ছে রাকসু বানচালের ষড়যন্ত্র। শহীদের রক্তের উপরে দাঁড়িয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ কোনো অন্যায্য সুবিধা ভোগ করতে পারবে না।
ছাত্রদল মনোনীত জিএস পদপ্রার্থী নাফিউল জীবন বলেন, 'অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে এই পোষ্য কোটা বাতিল করতে হবে, যদি আজকের মধ্যে বাতিল না করা হয়, তবে আগামীকাল সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই আন্দোলন আরো বেগবান করা হবে।'
উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুরোপুরি পোষ্য কোটা বাতিল করা হয়।

শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১১ ঘণ্টা আগে