স্ট্রিম প্রতিবেদক

গত আগস্ট মাসে দেশের গণমাধ্যমে মোট ৪৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনার খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ সব সড়ক দুর্ঘটনায় ৫০২ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন।
আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌপথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনার সঙ্গে রেল ও নৌপথের দুর্ঘটনা যোগ করলে মোট সংখ্যা হবে ৫৫২। যার মধ্যে রেলপথে ৩৪টি এবং নৌপথে ২১টি দুর্ঘটনায়। সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট নিহতের সংখ্যা ৫৬৩। আহত হয়েছেন ১২৬১ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগস্টে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে ঢাকা বিভাগে, সংখ্যার হিসাবে ১৩২টি। নিহত হয়েছে ১২৮ জন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে, ১৫টি।
দুর্ঘটনাগুলোতে ২৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৫ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৫ শতাংশ বাস, ১৩ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক। বাদবাকি দুর্ঘটনার সঙ্গে ছিল সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, কার-জিপ-মাইক্রোবাস।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সড়কে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি, সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিক্সা, সিএনজি অটোরিক্সা, নসিমন-করিমন অবাধে চলাচল, জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা, সড়কে মিডিয়ান বা রোড ডিভাইডার না থাকা, সড়কে গাছপালায় অন্ধ-বাঁকের সৃষ্টি, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহনের কারণে এ সব দুর্ঘটনা ঘটেছে।

গত আগস্ট মাসে দেশের গণমাধ্যমে মোট ৪৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনার খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ সব সড়ক দুর্ঘটনায় ৫০২ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন।
আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌপথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনার সঙ্গে রেল ও নৌপথের দুর্ঘটনা যোগ করলে মোট সংখ্যা হবে ৫৫২। যার মধ্যে রেলপথে ৩৪টি এবং নৌপথে ২১টি দুর্ঘটনায়। সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট নিহতের সংখ্যা ৫৬৩। আহত হয়েছেন ১২৬১ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগস্টে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে ঢাকা বিভাগে, সংখ্যার হিসাবে ১৩২টি। নিহত হয়েছে ১২৮ জন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে, ১৫টি।
দুর্ঘটনাগুলোতে ২৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৫ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৫ শতাংশ বাস, ১৩ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক। বাদবাকি দুর্ঘটনার সঙ্গে ছিল সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, কার-জিপ-মাইক্রোবাস।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সড়কে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি, সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিক্সা, সিএনজি অটোরিক্সা, নসিমন-করিমন অবাধে চলাচল, জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা, সড়কে মিডিয়ান বা রোড ডিভাইডার না থাকা, সড়কে গাছপালায় অন্ধ-বাঁকের সৃষ্টি, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহনের কারণে এ সব দুর্ঘটনা ঘটেছে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে