leadT1ad

নতুন আইন শ্রমিকের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হতে পারে: বিইএফ

স্ট্রিম প্রতিবেদকঢাকা
প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১৯: ৫৪
আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৫, ২০: ৫৯
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত হয় সংবাদ সম্মেলন। স্ট্রিম ছবি

বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ) নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, শ্রম আইন সংশোধনের প্রস্তাব কার্যকর করার ক্ষেত্রে সামাজিক সংলাপ ছাড়া এগোনো হলে তা শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় ব্যর্থ হতে পারে এবং দেশের শিল্পখাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।

আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিইএফের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান টি রহমান, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও বিজিএমইএর শ্রমবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান এ এন এম সাইফুদ্দিন।

বিইএফ সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, ‘৫ হাজার শ্রমিকের একটি কারখানায় যদি মাত্র ২০ জন মিলে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করে, তবে তা কোনোভাবেই পুরো শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে না। আবার সর্বোচ্চ পাঁচটি ইউনিয়নের সুযোগ থাকলে, ১৫০ জন মিলে একাধিক ইউনিয়ন গঠন করবে, যা প্রতিষ্ঠিত শিল্পের জন্য অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে।’

ফজলে শামীম এহসান আরও বলেন, ‘শ্রম আইন সংশোধনের কিছু প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে শিল্প খাতে স্থিতিশীলতা ব্যহত হবে। এতে সময়মতো ক্রয়াদেশ সরবরাহ ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, অতীতে শ্রম অস্থিরতার কারণে কম্বোডিয়ায় বিনিয়োগ কমেছিল এবং ভিয়েতনাম সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছিল।

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রশ্ন তোলেন, ‘যখন শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষই এই প্রস্তাবনার বিপক্ষে, তখন কার স্বার্থে আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে?’ তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভিয়েতনাম ও ভারতে এ ধরনের চাপ নেই। অথচ বাংলাদেশে বিষয়টি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভিয়েতনামে একটি রাষ্ট্র–নিয়ন্ত্রিত ট্রেড ইউনিয়ন রয়েছে, যেখানে কারখানার জিএম নিজেই ইউনিয়নের সভাপতি। তবুও শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়নি।’

বিকেএমইএর সভাপতি আরও বলেন, ‘আইনের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ১০০ শ্রমিক থাকলেই ভবিষ্য তহবিল চালু করতে হবে। এটি কতটা যৌক্তিক, তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত।’

এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান বলেন, ‘দেশের শ্রমবাজারে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি মানুষ কাজ করছেন। কিন্তু আনুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা মাত্র ১ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ। বাকি সবাই অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছেন। অথচ শ্রম আইন মূলত আনুষ্ঠানিক খাতকেই কেন্দ্র করে তৈরি।’

বিইএফ সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘শ্রম আইন সংশোধনের পুরো প্রক্রিয়ায় সামাজিক সংলাপের ঘাটতি ছিল। শ্রমিকদের জন্য একাধিক দুর্বল সংগঠন গড়ে তোলার চেয়ে কার্যকর এক বা দুটি সংগঠন থাকাই বেশি বাস্তবসম্মত।’

Ad 300x250

নির্বাচন বানচালে এই হামলা, সেনাবাহিনী রক্ষা করেছে: শামীম হায়দার পাটোয়ারী

স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই জাতীয় পার্টি বিলীন হয়ে যাবে

শিবির সমর্থিত প্যানেলের জুমার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ অবমাননার অভিযোগ

ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরের ওপর হামলা নিয়ে বর্তমান ভিপিপ্রার্থীরা কী বলছেন

রাকসু নির্বাচনে সাইবার বুলিং প্রতিরোধে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন

সম্পর্কিত