স্ট্রিম প্রতিবেদক
বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ) নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, শ্রম আইন সংশোধনের প্রস্তাব কার্যকর করার ক্ষেত্রে সামাজিক সংলাপ ছাড়া এগোনো হলে তা শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় ব্যর্থ হতে পারে এবং দেশের শিল্পখাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিইএফের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান টি রহমান, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও বিজিএমইএর শ্রমবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান এ এন এম সাইফুদ্দিন।
বিইএফ সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, ‘৫ হাজার শ্রমিকের একটি কারখানায় যদি মাত্র ২০ জন মিলে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করে, তবে তা কোনোভাবেই পুরো শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে না। আবার সর্বোচ্চ পাঁচটি ইউনিয়নের সুযোগ থাকলে, ১৫০ জন মিলে একাধিক ইউনিয়ন গঠন করবে, যা প্রতিষ্ঠিত শিল্পের জন্য অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে।’
ফজলে শামীম এহসান আরও বলেন, ‘শ্রম আইন সংশোধনের কিছু প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে শিল্প খাতে স্থিতিশীলতা ব্যহত হবে। এতে সময়মতো ক্রয়াদেশ সরবরাহ ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, অতীতে শ্রম অস্থিরতার কারণে কম্বোডিয়ায় বিনিয়োগ কমেছিল এবং ভিয়েতনাম সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছিল।
বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রশ্ন তোলেন, ‘যখন শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষই এই প্রস্তাবনার বিপক্ষে, তখন কার স্বার্থে আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে?’ তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভিয়েতনাম ও ভারতে এ ধরনের চাপ নেই। অথচ বাংলাদেশে বিষয়টি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভিয়েতনামে একটি রাষ্ট্র–নিয়ন্ত্রিত ট্রেড ইউনিয়ন রয়েছে, যেখানে কারখানার জিএম নিজেই ইউনিয়নের সভাপতি। তবুও শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়নি।’
বিকেএমইএর সভাপতি আরও বলেন, ‘আইনের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ১০০ শ্রমিক থাকলেই ভবিষ্য তহবিল চালু করতে হবে। এটি কতটা যৌক্তিক, তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত।’
এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান বলেন, ‘দেশের শ্রমবাজারে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি মানুষ কাজ করছেন। কিন্তু আনুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা মাত্র ১ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ। বাকি সবাই অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছেন। অথচ শ্রম আইন মূলত আনুষ্ঠানিক খাতকেই কেন্দ্র করে তৈরি।’
বিইএফ সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘শ্রম আইন সংশোধনের পুরো প্রক্রিয়ায় সামাজিক সংলাপের ঘাটতি ছিল। শ্রমিকদের জন্য একাধিক দুর্বল সংগঠন গড়ে তোলার চেয়ে কার্যকর এক বা দুটি সংগঠন থাকাই বেশি বাস্তবসম্মত।’
বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ) নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, শ্রম আইন সংশোধনের প্রস্তাব কার্যকর করার ক্ষেত্রে সামাজিক সংলাপ ছাড়া এগোনো হলে তা শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় ব্যর্থ হতে পারে এবং দেশের শিল্পখাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিইএফের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান টি রহমান, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও বিজিএমইএর শ্রমবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান এ এন এম সাইফুদ্দিন।
বিইএফ সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, ‘৫ হাজার শ্রমিকের একটি কারখানায় যদি মাত্র ২০ জন মিলে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করে, তবে তা কোনোভাবেই পুরো শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে না। আবার সর্বোচ্চ পাঁচটি ইউনিয়নের সুযোগ থাকলে, ১৫০ জন মিলে একাধিক ইউনিয়ন গঠন করবে, যা প্রতিষ্ঠিত শিল্পের জন্য অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে।’
ফজলে শামীম এহসান আরও বলেন, ‘শ্রম আইন সংশোধনের কিছু প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে শিল্প খাতে স্থিতিশীলতা ব্যহত হবে। এতে সময়মতো ক্রয়াদেশ সরবরাহ ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, অতীতে শ্রম অস্থিরতার কারণে কম্বোডিয়ায় বিনিয়োগ কমেছিল এবং ভিয়েতনাম সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছিল।
বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রশ্ন তোলেন, ‘যখন শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষই এই প্রস্তাবনার বিপক্ষে, তখন কার স্বার্থে আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে?’ তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভিয়েতনাম ও ভারতে এ ধরনের চাপ নেই। অথচ বাংলাদেশে বিষয়টি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভিয়েতনামে একটি রাষ্ট্র–নিয়ন্ত্রিত ট্রেড ইউনিয়ন রয়েছে, যেখানে কারখানার জিএম নিজেই ইউনিয়নের সভাপতি। তবুও শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়নি।’
বিকেএমইএর সভাপতি আরও বলেন, ‘আইনের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ১০০ শ্রমিক থাকলেই ভবিষ্য তহবিল চালু করতে হবে। এটি কতটা যৌক্তিক, তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত।’
এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান বলেন, ‘দেশের শ্রমবাজারে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি মানুষ কাজ করছেন। কিন্তু আনুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা মাত্র ১ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ। বাকি সবাই অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছেন। অথচ শ্রম আইন মূলত আনুষ্ঠানিক খাতকেই কেন্দ্র করে তৈরি।’
বিইএফ সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘শ্রম আইন সংশোধনের পুরো প্রক্রিয়ায় সামাজিক সংলাপের ঘাটতি ছিল। শ্রমিকদের জন্য একাধিক দুর্বল সংগঠন গড়ে তোলার চেয়ে কার্যকর এক বা দুটি সংগঠন থাকাই বেশি বাস্তবসম্মত।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ অবমাননার অভিযোগ এনেছে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেল।
৪ ঘণ্টা আগেরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে প্রার্থী ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাইবার বুলিংরোধে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট বিশেষ কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. একরামুল হামিদকে আহ্বায়ক করে এ কমিটি করা হয়েছে
৫ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশের রাজনীতিতে নুরুল হক নুর প্রাসঙ্গিক হতে শুরু করেন ২০১৮ সালের কোটা সংস্কারের আন্দোলনের পর থেকে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা থেকে ডাকসুর ভিপি পদে নির্বাচিত হওয়া নুরের ওপর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অন্তত ২৫ বার হামলার খবর পাওয়া যায়। ২৯ আগস্ট রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আরেক দফা হামলার শিকার হন
৬ ঘণ্টা আগেগণ-অধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় দেশের পরিচালনা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ একথা বলেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে