স্ট্রিম প্রতিবেদক

পাল্টাপাল্টি ধাওয়া আর সংঘর্ষের দিনভর উত্তপ্ত ছিল বাংলা মোটর থেকে শাহবাগ এলাকা। এতে যান চলাচল বন্ধের পাশাপাশি থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে রাত পৌনে ১১টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ০৯ মিনিটে এই প্রতিবেদন লিখার সময়ও শাহবাড় মোড়ে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যান চলাচলও স্বাভাবিকভাব চলতে দেখা যায়।
শাহবাগ মোড় থেকে স্ট্রিম প্রতিবেদক রাত ১১টার দিকে জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড় ছেড়ে দিয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। মোড়ে টহলরত পুলিশ ছাড়া বাড়তি কোনো সদস্যদের উপস্থিতি দেখা যায়নি।
এর আগে, আজ রাত ৮টা ৪২ মিনিটে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া লাইভে—আসন্ন নির্বাচন বানচালের জন্য ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনে পুলিশ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেন, ‘যারা আমাদের ওপর হামলা করেছে, তারা যেকোনো মুহূর্তে যমুনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর আক্রমণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। কারণ হামলার সঙ্গে শেখ হাসিনার পুলিশ লীগের আক্রমণের পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন বানচালের জন্য হামলা হলেও আমরা মনে করি ১২ ফেব্রুয়ারিই ভোট হতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ এই নির্বাচনের সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তাসহ নানা বিষয় জড়িত। নির্বাচন বানচালের নীলনকশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’
পরে রাত ৯টা ১৩ মিনিটে একই পেজ থেকে এক পোস্টে বলা হয়, ‘লীগ এক্টিভ হয়েছে। তারা সাধারণ জনতার সাথে মিশে পরিস্থিতি অন্য দিকে প্রবাহের চেষ্টা করছে। শহিদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার এবং নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে। আপনাদের সবাইকে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।’
এদিকে, শাহবাগ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান আজ রাত পৌনে ১১টার দিকে স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছি। তিনজনকে আটক করা হয়েছিল। তাদেরকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
এর আগে, শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে করার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন (যমুনা) অভিমুখে ইনকিলাব মঞ্চের যাত্রাকে কেন্দ্র করে আজ বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত শাহবাগ ও এর আশপাশের এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে শধাতিক মানুষ আহত হন। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ টিয়ারশেল, জলকামান ও লাঠিচার্জ করে।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ সদলবলে শাহবাগ থানায় অবস্থান নিলে শাহবাগ চত্বর পুরোপুরি আন্দোলনকারীদের দখলে চলে যায়। কেবল শাহবাগ মোড় নয়, কাঁটাবন মোড়, পিজি হাসপাতালের গলি এবং টিএসসির রাজু ভাস্কর্য এলাকাতেও আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিলেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপালি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে এশারের নামাজের পর তাঁরা বিভিন্ন দিক থেকে স্লোগান দিয়ে আবারও শাহবাগে একত্রিত হন।
উল্লেখ্য, গতকাল (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিল ইনকিলাব মঞ্চ। তাদের মূল দাবি ছিল শুক্রবার বিকেলের মধ্যে হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘের কাছে চিঠি পাঠাতে হবে। বৃহস্পতিবার রাতেও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে তাঁরা অবস্থান নেন। কর্মসূচিতে ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ও ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমাসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে আবদুল্লাহ আল জাবের সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের চিঠি না পাঠানো পর্যন্ত তারা যমুনার সামনেই অবস্থান করবেন।

পাল্টাপাল্টি ধাওয়া আর সংঘর্ষের দিনভর উত্তপ্ত ছিল বাংলা মোটর থেকে শাহবাগ এলাকা। এতে যান চলাচল বন্ধের পাশাপাশি থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে রাত পৌনে ১১টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ০৯ মিনিটে এই প্রতিবেদন লিখার সময়ও শাহবাড় মোড়ে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যান চলাচলও স্বাভাবিকভাব চলতে দেখা যায়।
শাহবাগ মোড় থেকে স্ট্রিম প্রতিবেদক রাত ১১টার দিকে জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড় ছেড়ে দিয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। মোড়ে টহলরত পুলিশ ছাড়া বাড়তি কোনো সদস্যদের উপস্থিতি দেখা যায়নি।
এর আগে, আজ রাত ৮টা ৪২ মিনিটে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া লাইভে—আসন্ন নির্বাচন বানচালের জন্য ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনে পুলিশ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেন, ‘যারা আমাদের ওপর হামলা করেছে, তারা যেকোনো মুহূর্তে যমুনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর আক্রমণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। কারণ হামলার সঙ্গে শেখ হাসিনার পুলিশ লীগের আক্রমণের পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন বানচালের জন্য হামলা হলেও আমরা মনে করি ১২ ফেব্রুয়ারিই ভোট হতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ এই নির্বাচনের সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তাসহ নানা বিষয় জড়িত। নির্বাচন বানচালের নীলনকশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’
পরে রাত ৯টা ১৩ মিনিটে একই পেজ থেকে এক পোস্টে বলা হয়, ‘লীগ এক্টিভ হয়েছে। তারা সাধারণ জনতার সাথে মিশে পরিস্থিতি অন্য দিকে প্রবাহের চেষ্টা করছে। শহিদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার এবং নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে। আপনাদের সবাইকে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।’
এদিকে, শাহবাগ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান আজ রাত পৌনে ১১টার দিকে স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছি। তিনজনকে আটক করা হয়েছিল। তাদেরকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
এর আগে, শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে করার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন (যমুনা) অভিমুখে ইনকিলাব মঞ্চের যাত্রাকে কেন্দ্র করে আজ বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত শাহবাগ ও এর আশপাশের এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে শধাতিক মানুষ আহত হন। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ টিয়ারশেল, জলকামান ও লাঠিচার্জ করে।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ সদলবলে শাহবাগ থানায় অবস্থান নিলে শাহবাগ চত্বর পুরোপুরি আন্দোলনকারীদের দখলে চলে যায়। কেবল শাহবাগ মোড় নয়, কাঁটাবন মোড়, পিজি হাসপাতালের গলি এবং টিএসসির রাজু ভাস্কর্য এলাকাতেও আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিলেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপালি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে এশারের নামাজের পর তাঁরা বিভিন্ন দিক থেকে স্লোগান দিয়ে আবারও শাহবাগে একত্রিত হন।
উল্লেখ্য, গতকাল (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিল ইনকিলাব মঞ্চ। তাদের মূল দাবি ছিল শুক্রবার বিকেলের মধ্যে হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘের কাছে চিঠি পাঠাতে হবে। বৃহস্পতিবার রাতেও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে তাঁরা অবস্থান নেন। কর্মসূচিতে ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ও ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমাসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে আবদুল্লাহ আল জাবের সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের চিঠি না পাঠানো পর্যন্ত তারা যমুনার সামনেই অবস্থান করবেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে