স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে গণহত্যায় উসকানি ও তথ্য গোপনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও সাবেক আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আজ।
রোববার (১১ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রথমে প্রসিকিউশন পক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা ফরমাল চার্জ গঠনের স্বপক্ষে তাদের আইনি যুক্তি ও তথ্য-উপাত্ত আদালতের সামনে উপস্থাপন করবে। এরপর আসামিপক্ষকে শুনবেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার অন্যতম আসামি জুনাইদ আহমেদ পলক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তার আইনজীবী লিটন আহমেদ শুনানির জন্য আগামী ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় প্রার্থনা করে গত ৭ জানুয়ারি একটি আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত আজ শুনানির দিন ধার্য রাখায় আইনি প্রক্রিয়া মেনেই কার্যক্রম চলবে।
অন্যদিকে মামলার অপর আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতেই বিচারিক কার্যক্রম চলছে। পলাতক আসামির ন্যায়বিচার নিশ্চিতে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজুর আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ তিনি জয়ের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেবেন।
এর আগে গত ৭ জানুয়ারি এই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সেদিন পর্যন্ত রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর নিয়োগসংক্রান্ত দাপ্তরিক চিঠি বা নথি ইস্যু না হওয়ায় এবং আইনি প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকায় ট্রাইব্যুনাল শুনানি পিছিয়ে আজকের দিন (১১ জানুয়ারি) নির্ধারণ করেছিলেন।
প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনায় দেশজুড়ে ইন্টারনেট শাটডাউন করা হয়েছিল। বাংলাদেশে বসে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মূল কারিগর ছিলেন তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী পলক।
প্রসিকিউশনের দাবি, ইন্টারনেট বন্ধ রাখার মূল উদ্দেশ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ‘গণহত্যা’ ও নির্যাতনের তথ্য বিশ্ববাসীর কাছ থেকে গোপন করা এবং হত্যাযজ্ঞে উসকানি দেওয়া।
এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই দুজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নেন এবং একই দিন প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল করে। পলাতক সজীব ওয়াজেদ জয়কে হাজির হতে গত ১০ ডিসেম্বর দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। নির্ধারিত সময়ে তিনি হাজির না হওয়ায় তার অনুপস্থিতেই বিচারকাজ পরিচালনার অংশ হিসেবে এই স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে গণহত্যায় উসকানি ও তথ্য গোপনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও সাবেক আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আজ।
রোববার (১১ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রথমে প্রসিকিউশন পক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা ফরমাল চার্জ গঠনের স্বপক্ষে তাদের আইনি যুক্তি ও তথ্য-উপাত্ত আদালতের সামনে উপস্থাপন করবে। এরপর আসামিপক্ষকে শুনবেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার অন্যতম আসামি জুনাইদ আহমেদ পলক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তার আইনজীবী লিটন আহমেদ শুনানির জন্য আগামী ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় প্রার্থনা করে গত ৭ জানুয়ারি একটি আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত আজ শুনানির দিন ধার্য রাখায় আইনি প্রক্রিয়া মেনেই কার্যক্রম চলবে।
অন্যদিকে মামলার অপর আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতেই বিচারিক কার্যক্রম চলছে। পলাতক আসামির ন্যায়বিচার নিশ্চিতে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজুর আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ তিনি জয়ের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেবেন।
এর আগে গত ৭ জানুয়ারি এই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সেদিন পর্যন্ত রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর নিয়োগসংক্রান্ত দাপ্তরিক চিঠি বা নথি ইস্যু না হওয়ায় এবং আইনি প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকায় ট্রাইব্যুনাল শুনানি পিছিয়ে আজকের দিন (১১ জানুয়ারি) নির্ধারণ করেছিলেন।
প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনায় দেশজুড়ে ইন্টারনেট শাটডাউন করা হয়েছিল। বাংলাদেশে বসে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মূল কারিগর ছিলেন তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী পলক।
প্রসিকিউশনের দাবি, ইন্টারনেট বন্ধ রাখার মূল উদ্দেশ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ‘গণহত্যা’ ও নির্যাতনের তথ্য বিশ্ববাসীর কাছ থেকে গোপন করা এবং হত্যাযজ্ঞে উসকানি দেওয়া।
এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই দুজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নেন এবং একই দিন প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল করে। পলাতক সজীব ওয়াজেদ জয়কে হাজির হতে গত ১০ ডিসেম্বর দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। নির্ধারিত সময়ে তিনি হাজির না হওয়ায় তার অনুপস্থিতেই বিচারকাজ পরিচালনার অংশ হিসেবে এই স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে