স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে গাজা অভিমুখী ১১টি জাহাজের একটি ‘কনশানস’ থেকে আটক হওয়ার বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। এরপর ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে তাঁর আটক হওয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও তথ্য যাচাইকারীরা বলছেন, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি।
ওই ছবিতে দেখা গেছে, বাংলাদেশে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের ছবি আঁকা টি-শার্ট পরিহিত শহিদুল আলমকে সমুদ্রের পাড়ে আটক করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য।
ফ্যাক্টওয়াচের অ্যাসিস্ট্যান্ট এডিটর শুভাশীষ দীপ স্ট্রিমকে নিশ্চিত করেছেন, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।
তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি হলেও ছবিটির প্রতীকী বার্তা গ্রহণ করা যায় বলে জানান তিনি। ‘ডিসক্লেইমার’ ব্যবহার করে এ ধরনের ছবি ব্যবহার করা যেতে পারে বলেও উল্লেখ করেন শুভাশীষ দীপ।
শুভাশীষ দীপ বলেন, ‘অনেক সময় পরিস্থিতি ফুটিয়ে তোলার জন্য ডিসক্লেইমার ব্যবহার করে এ ধরনের ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করা যেতেই পারে। অনেকে সেটি করছেনও।’
আজ বুধবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টার কিছুক্ষণ পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে আটক হওয়ার ব্যাপারে ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন শহিদুল আলম।
ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘আমি শহিদুল আলম বাংলাদেশের একজন আলোকচিত্রী ও লেখক। আপনারা যদি এই ভিডিওটি দেখেন, সাগরে আমাদের আটক করা হয়েছে এবং আমাকে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী অপহরণ করেছে—যে দেশ (ইসরায়েল) যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশের সক্রিয় সহায়তা ও সহযোগিতায় গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে।’
ওই ভিডিও বার্তা নিয়ে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্টচেক উইং বাংলাফ্যাক্ট জানিয়েছে, আটকের পর পোস্ট করা শহিদুল আলমের ভিডিওটি সাজানো নয়, এটি আগে থেকে রেকর্ড করা ছিল। আটক হওয়ার পর প্রকাশের জন্য ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছিল। এ ধরনের প্রি-রেকর্ডেড ভিডিওবার্তা ফ্লোটিলার যাত্রীরা আগেও প্রকাশ করেছেন।
আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) ও থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (টিএমটিজি) নৌবহরের একটি জাহাজ হলো কনশানস। আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ও চিকিৎসাকর্মীবাহী এই জাহাজ ইসরায়েলের অবৈধ অবরোধ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গাজা অভিমুখে রওনা হয়েছিল। সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহরের নৌযানগুলোও ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে গাজায় ঢোকার চেষ্টা করেছিল।

ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে গাজা অভিমুখী ১১টি জাহাজের একটি ‘কনশানস’ থেকে আটক হওয়ার বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। এরপর ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে তাঁর আটক হওয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও তথ্য যাচাইকারীরা বলছেন, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি।
ওই ছবিতে দেখা গেছে, বাংলাদেশে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের ছবি আঁকা টি-শার্ট পরিহিত শহিদুল আলমকে সমুদ্রের পাড়ে আটক করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য।
ফ্যাক্টওয়াচের অ্যাসিস্ট্যান্ট এডিটর শুভাশীষ দীপ স্ট্রিমকে নিশ্চিত করেছেন, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।
তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি হলেও ছবিটির প্রতীকী বার্তা গ্রহণ করা যায় বলে জানান তিনি। ‘ডিসক্লেইমার’ ব্যবহার করে এ ধরনের ছবি ব্যবহার করা যেতে পারে বলেও উল্লেখ করেন শুভাশীষ দীপ।
শুভাশীষ দীপ বলেন, ‘অনেক সময় পরিস্থিতি ফুটিয়ে তোলার জন্য ডিসক্লেইমার ব্যবহার করে এ ধরনের ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করা যেতেই পারে। অনেকে সেটি করছেনও।’
আজ বুধবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টার কিছুক্ষণ পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে আটক হওয়ার ব্যাপারে ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন শহিদুল আলম।
ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘আমি শহিদুল আলম বাংলাদেশের একজন আলোকচিত্রী ও লেখক। আপনারা যদি এই ভিডিওটি দেখেন, সাগরে আমাদের আটক করা হয়েছে এবং আমাকে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী অপহরণ করেছে—যে দেশ (ইসরায়েল) যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশের সক্রিয় সহায়তা ও সহযোগিতায় গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে।’
ওই ভিডিও বার্তা নিয়ে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্টচেক উইং বাংলাফ্যাক্ট জানিয়েছে, আটকের পর পোস্ট করা শহিদুল আলমের ভিডিওটি সাজানো নয়, এটি আগে থেকে রেকর্ড করা ছিল। আটক হওয়ার পর প্রকাশের জন্য ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছিল। এ ধরনের প্রি-রেকর্ডেড ভিডিওবার্তা ফ্লোটিলার যাত্রীরা আগেও প্রকাশ করেছেন।
আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) ও থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (টিএমটিজি) নৌবহরের একটি জাহাজ হলো কনশানস। আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ও চিকিৎসাকর্মীবাহী এই জাহাজ ইসরায়েলের অবৈধ অবরোধ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গাজা অভিমুখে রওনা হয়েছিল। সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহরের নৌযানগুলোও ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে গাজায় ঢোকার চেষ্টা করেছিল।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে