স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
আজ সোমবার (৬ জানুয়ারি) বিকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবিপ্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চার্জশিটভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১২ জন। পলাতক দেখানো হয়েছে প্রধান অভিযুক্ত শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদসহ ৫ আসামিকে।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন—প্রধান অভিযুক্ত পলাতক ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, ফয়সালের বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, সহযোগী মো. কবির, নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সিবিওন দিও, সঞ্জয় চিসিম, আমিনুল ইসলাম রাজু, আব্দুল হান্নান ও মো. ফয়সাল।
পলাতক আসামিরা হলেন—শুটার ফয়সাল করিম দাউদ, মোটরসাইকেল চালক আলমগীর শেখ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী মো. আলমগীর হোসেন, ফিলিপ স্নাল ও মুক্তি মাহমুদ (৫১)।
ডিবি প্রধান জানান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে গুলিতে হত্যা করা হয়।
মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ১২ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে কিছু দুষ্কৃতকারী গুলিবিদ্ধ করে। তার পরিপ্রেক্ষিতে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। পরবর্তীতে সেটি হত্যা মামলায় রুপান্তরিত হয়। মামলাটি তদন্তের ভার ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর আমাদের গোয়েন্দা পুলিশ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ম বজাঁয় রেখে মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের গ্রেপ্তারসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করে। এক্ষেত্রে আমাদের অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী যেসব বাহিনী বা সংস্থা রয়েছে , তারা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন। এতে আমরা এই ঘটনার রহস্য উদঘাটনে সক্ষম হই।’
‘পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেপ্তার করেছি। বিভিন্ন ধরনের আলামত জব্দ করেছি। হাদিকে বহনকারী রিকশা, হাদি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, যে অস্ত্র দিয়ে গুলি করা হয়, সেই অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।’—যোগ করেন তিনি।
ডিবিপ্রধান বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতার পাশাপাশি হাদির পরিবার থেকেও সহযোগিতা পেয়েছি। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা খুবই মর্মাহত ও বিধ্বস্ত ছিলেন। তারপরও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে তারা সহযোগিতা করে গেছেন। আমরা যেখানে যে, যার নিকট সহযোগিতা চেয়েছি, সবাই সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন, যাতে হাদি হত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘হাদি হত্যা মামলার তদন্তকালে জানা যায়, শরিফ ওসমান হাদি বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক অঙ্গনে অতি পরিচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেছিলেন। বিভিন্ন সময়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের বিগত দিনের কার্যকলাপ সম্পর্কে তিনি সভা-সমাবেশ, ইলেক্ট্রনিক ও সোস্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন রকম সমালোচনামূলক জোড়ালো বক্তব্য দিয়েছেন। তার এই বক্তব্যে নিষিদ্ধষোষিত ছাত্রলীগ ও তাদের সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। ভিক্টিমকে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আমাদের তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘হাদিকে গুলি করার পর শুটার ফয়সাল করিম দাউদ এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে পালানোর বিষয়ে সার্বিক সহায়তা করেছেন তাজুল ইসলাম বাপ্পী। যিনি পল্লবী থানা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগ মনোনীত নির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন। কাজেই আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও ভিক্টিমের পূর্ববর্তী বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য থেকে তদন্তে প্রকাশ পায় যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে শরিফ ওসমান হাদি ওরফে ওসমান গণিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সার্বিক তদন্ত ও স্বাক্ষ্যপ্রমাণে গ্রেপ্তার আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান বলেন, ‘বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। অস্ত্র, গুলির ফরেন্সিক পরীক্ষার মতামত, মোবাইল ডিভাইস ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের ফরেন্সিক পরীক্ষার রিপোর্ট অনুসারে আসামিদের সম্পৃক্ততা তদন্তে প্রমাণিত হয়। পলাতক আসামি ফয়সাল করিম দাউদ সহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আজকে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই মামলা সংক্রান্তে আরও কোনো তথ্যপ্রমাণাদি বা কারও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিজ্ঞ আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হওয়া শুটার ফয়সাল করিম দাউদের একাধিক ভিডিও বার্তায় দুবাইতে অবস্থান ও হত্যার কথা অস্বীকার প্রসঙ্গে ডিবিপ্রধান বলেন, ‘আমরা তার ভিডিও বার্তা পর্যালোচনা করেছি। এগুলোর ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে দেখা র্গেছে, এটা উনি বলতেই পারেন। কিন্তু আমরা আমাদের তদন্তে নিশ্চিত হয়েই অভিযোগপত্র দাখিল করেছি।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হাদি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলির ফরেন্সিক রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ফয়সালের ভিডিও সঠিক; তবে তাঁর বক্তব্য বেঠিক। হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা হিসেবে আমাদের তদন্তে তাইজুল ইসলাম বাপ্পীর নাম এসেছে। পরবর্তীতে আরও কোনো তথ্য পাওয়া গেলে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে।’

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
আজ সোমবার (৬ জানুয়ারি) বিকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবিপ্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চার্জশিটভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১২ জন। পলাতক দেখানো হয়েছে প্রধান অভিযুক্ত শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদসহ ৫ আসামিকে।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন—প্রধান অভিযুক্ত পলাতক ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, ফয়সালের বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, সহযোগী মো. কবির, নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সিবিওন দিও, সঞ্জয় চিসিম, আমিনুল ইসলাম রাজু, আব্দুল হান্নান ও মো. ফয়সাল।
পলাতক আসামিরা হলেন—শুটার ফয়সাল করিম দাউদ, মোটরসাইকেল চালক আলমগীর শেখ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী মো. আলমগীর হোসেন, ফিলিপ স্নাল ও মুক্তি মাহমুদ (৫১)।
ডিবি প্রধান জানান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে গুলিতে হত্যা করা হয়।
মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ১২ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে কিছু দুষ্কৃতকারী গুলিবিদ্ধ করে। তার পরিপ্রেক্ষিতে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। পরবর্তীতে সেটি হত্যা মামলায় রুপান্তরিত হয়। মামলাটি তদন্তের ভার ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর আমাদের গোয়েন্দা পুলিশ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ম বজাঁয় রেখে মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের গ্রেপ্তারসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করে। এক্ষেত্রে আমাদের অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী যেসব বাহিনী বা সংস্থা রয়েছে , তারা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন। এতে আমরা এই ঘটনার রহস্য উদঘাটনে সক্ষম হই।’
‘পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেপ্তার করেছি। বিভিন্ন ধরনের আলামত জব্দ করেছি। হাদিকে বহনকারী রিকশা, হাদি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, যে অস্ত্র দিয়ে গুলি করা হয়, সেই অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।’—যোগ করেন তিনি।
ডিবিপ্রধান বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতার পাশাপাশি হাদির পরিবার থেকেও সহযোগিতা পেয়েছি। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা খুবই মর্মাহত ও বিধ্বস্ত ছিলেন। তারপরও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে তারা সহযোগিতা করে গেছেন। আমরা যেখানে যে, যার নিকট সহযোগিতা চেয়েছি, সবাই সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন, যাতে হাদি হত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘হাদি হত্যা মামলার তদন্তকালে জানা যায়, শরিফ ওসমান হাদি বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক অঙ্গনে অতি পরিচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেছিলেন। বিভিন্ন সময়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের বিগত দিনের কার্যকলাপ সম্পর্কে তিনি সভা-সমাবেশ, ইলেক্ট্রনিক ও সোস্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন রকম সমালোচনামূলক জোড়ালো বক্তব্য দিয়েছেন। তার এই বক্তব্যে নিষিদ্ধষোষিত ছাত্রলীগ ও তাদের সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। ভিক্টিমকে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আমাদের তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘হাদিকে গুলি করার পর শুটার ফয়সাল করিম দাউদ এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে পালানোর বিষয়ে সার্বিক সহায়তা করেছেন তাজুল ইসলাম বাপ্পী। যিনি পল্লবী থানা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগ মনোনীত নির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন। কাজেই আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও ভিক্টিমের পূর্ববর্তী বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য থেকে তদন্তে প্রকাশ পায় যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে শরিফ ওসমান হাদি ওরফে ওসমান গণিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সার্বিক তদন্ত ও স্বাক্ষ্যপ্রমাণে গ্রেপ্তার আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান বলেন, ‘বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। অস্ত্র, গুলির ফরেন্সিক পরীক্ষার মতামত, মোবাইল ডিভাইস ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের ফরেন্সিক পরীক্ষার রিপোর্ট অনুসারে আসামিদের সম্পৃক্ততা তদন্তে প্রমাণিত হয়। পলাতক আসামি ফয়সাল করিম দাউদ সহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আজকে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই মামলা সংক্রান্তে আরও কোনো তথ্যপ্রমাণাদি বা কারও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিজ্ঞ আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হওয়া শুটার ফয়সাল করিম দাউদের একাধিক ভিডিও বার্তায় দুবাইতে অবস্থান ও হত্যার কথা অস্বীকার প্রসঙ্গে ডিবিপ্রধান বলেন, ‘আমরা তার ভিডিও বার্তা পর্যালোচনা করেছি। এগুলোর ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে দেখা র্গেছে, এটা উনি বলতেই পারেন। কিন্তু আমরা আমাদের তদন্তে নিশ্চিত হয়েই অভিযোগপত্র দাখিল করেছি।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হাদি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলির ফরেন্সিক রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ফয়সালের ভিডিও সঠিক; তবে তাঁর বক্তব্য বেঠিক। হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা হিসেবে আমাদের তদন্তে তাইজুল ইসলাম বাপ্পীর নাম এসেছে। পরবর্তীতে আরও কোনো তথ্য পাওয়া গেলে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে