স্ট্রিম ডেস্ক

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধেই ঘোষণা করা হতে পারে।’
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। খবর ইউএনবির।
সানাউল্লাহ বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এরমধ্যে আপনাদের (গণমাধ্যমকে) জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রায় দুই মাস আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে আপনি ধরতেই পারেন, তফসিল ডিসেম্বরের প্রথম অংশেই আসবে।’
সভায় আলোচনার বিষয় ছিল ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন, ২০২৫ সালের জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধির খসড়া, প্রবাসীদের জন্য বিদেশে ভোটদান এবং ডাকযোগে ভোটগ্রহণ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এতে সভাপতিত্ব করেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে নির্বাচনি তফসিল নিয়ে আলোচনা হয়নি, তবে এ বিষয়ে খুব শিগগিরই আলাপ করা হবে।
সানাউল্লাহ বলেন, ‘রমজান শুরুর আগেই অর্থাৎ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা সবাই বুঝতেই পারছেন, রমজানের আগেই নির্বাচন শেষ করতে হবে। একইসঙ্গে নতুন সরকার গঠনের জন্য কিছুদিন রাখতে হবে। তাই ভোট গ্রহণ কিছুটা আগেই করতে হবে। ওই সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ থেকে ৬০ দিন পেছালেই তফসিল ঘোষণার সময়কাল পেয়ে যাবেন।’
সভায় আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে—যাতে তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ১৮ থেকে ২০ লাখ নতুন ভোটার তালিকায় যুক্ত হবেন।
নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, বৈঠকে ২০২৫ সালের জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এর আগে, গত ১৯ জুন প্রাথমিকভাবে আচরণবিধির খসড়াটি অনুমোদন দেয় নির্বাচন কমিশন এবং ২৯ জুন জনমত নেওয়ার জন্য এটি অনলাইনে প্রকাশ করে।
তিনি বলেন, ‘অনলাইনে প্রকাশের পর যার ওপর আমরা জনমত চেয়েছিলাম, সেই প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণবিধির খসড়া আজ চূড়ান্ত করা হয়েছে।’
তবে আরপিও সংশোধন নিয়ে বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধেই ঘোষণা করা হতে পারে।’
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। খবর ইউএনবির।
সানাউল্লাহ বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এরমধ্যে আপনাদের (গণমাধ্যমকে) জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রায় দুই মাস আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সেক্ষেত্রে আপনি ধরতেই পারেন, তফসিল ডিসেম্বরের প্রথম অংশেই আসবে।’
সভায় আলোচনার বিষয় ছিল ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন, ২০২৫ সালের জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধির খসড়া, প্রবাসীদের জন্য বিদেশে ভোটদান এবং ডাকযোগে ভোটগ্রহণ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এতে সভাপতিত্ব করেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে নির্বাচনি তফসিল নিয়ে আলোচনা হয়নি, তবে এ বিষয়ে খুব শিগগিরই আলাপ করা হবে।
সানাউল্লাহ বলেন, ‘রমজান শুরুর আগেই অর্থাৎ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা সবাই বুঝতেই পারছেন, রমজানের আগেই নির্বাচন শেষ করতে হবে। একইসঙ্গে নতুন সরকার গঠনের জন্য কিছুদিন রাখতে হবে। তাই ভোট গ্রহণ কিছুটা আগেই করতে হবে। ওই সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ থেকে ৬০ দিন পেছালেই তফসিল ঘোষণার সময়কাল পেয়ে যাবেন।’
সভায় আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে—যাতে তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ১৮ থেকে ২০ লাখ নতুন ভোটার তালিকায় যুক্ত হবেন।
নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, বৈঠকে ২০২৫ সালের জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এর আগে, গত ১৯ জুন প্রাথমিকভাবে আচরণবিধির খসড়াটি অনুমোদন দেয় নির্বাচন কমিশন এবং ২৯ জুন জনমত নেওয়ার জন্য এটি অনলাইনে প্রকাশ করে।
তিনি বলেন, ‘অনলাইনে প্রকাশের পর যার ওপর আমরা জনমত চেয়েছিলাম, সেই প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণবিধির খসড়া আজ চূড়ান্ত করা হয়েছে।’
তবে আরপিও সংশোধন নিয়ে বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে