স্ট্রিম সংবাদদাতা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিতের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রাকসু জানায়, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ করার একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা।
রাকসু কার্যালয় থেকে পাঠানো ওই বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক আন্দোলন ও দাবির মুখে নির্ধারিত সময়ে শাকসু নির্বাচনের অনুমোদন দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে একটি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন প্রশাসনিক প্রভাব ও আদালতকে ব্যবহার করে নির্বাচন বন্ধের চেষ্টা চালাচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস বিনির্মাণে ছাত্র সংসদ অপরিহার্য। অথচ আদালত ও প্রশাসনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এই অধিকার হরণ করা হচ্ছে। এটি ছাত্ররাজনীতির মৌলিক চেতনার পরিপন্থী।
রাকসু জানায়, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রাখার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, শাকসু নির্বাচন স্থগিত তারই অংশ। যারা মুখে মুখে শিক্ষার্থীদের অধিকার ও কল্যাণের কথা বলে, তারাই আজ গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করছে বলে সংগঠনটি অভিযোগ করে।
বিবৃতিতে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, বর্তমান বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা কখনোই পেশিশক্তি, রাজনৈতিক চাপ বা দলীয় স্বার্থের কাছে ভোটাধিকার বন্ধক দিতে রাজি নয়। শাকসু নির্বাচন স্থগিতের এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছে। এর দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
রাকসু প্রতিনিধিরা স্পষ্ট করে বলেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচন কোনো দলের অনুগ্রহ নয়; এটি শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। সেই অধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তাঁরা পূর্বঘোষিত সময়ের মধ্যেই একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ শাকসু নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় যে দেশব্যাপী ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে এই গণতন্ত্রবিরোধী অপচেষ্টার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ় আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিতের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রাকসু জানায়, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ করার একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা।
রাকসু কার্যালয় থেকে পাঠানো ওই বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক আন্দোলন ও দাবির মুখে নির্ধারিত সময়ে শাকসু নির্বাচনের অনুমোদন দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে একটি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন প্রশাসনিক প্রভাব ও আদালতকে ব্যবহার করে নির্বাচন বন্ধের চেষ্টা চালাচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস বিনির্মাণে ছাত্র সংসদ অপরিহার্য। অথচ আদালত ও প্রশাসনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এই অধিকার হরণ করা হচ্ছে। এটি ছাত্ররাজনীতির মৌলিক চেতনার পরিপন্থী।
রাকসু জানায়, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রাখার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, শাকসু নির্বাচন স্থগিত তারই অংশ। যারা মুখে মুখে শিক্ষার্থীদের অধিকার ও কল্যাণের কথা বলে, তারাই আজ গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করছে বলে সংগঠনটি অভিযোগ করে।
বিবৃতিতে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, বর্তমান বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা কখনোই পেশিশক্তি, রাজনৈতিক চাপ বা দলীয় স্বার্থের কাছে ভোটাধিকার বন্ধক দিতে রাজি নয়। শাকসু নির্বাচন স্থগিতের এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছে। এর দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
রাকসু প্রতিনিধিরা স্পষ্ট করে বলেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচন কোনো দলের অনুগ্রহ নয়; এটি শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। সেই অধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তাঁরা পূর্বঘোষিত সময়ের মধ্যেই একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ শাকসু নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় যে দেশব্যাপী ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে এই গণতন্ত্রবিরোধী অপচেষ্টার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ় আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে