স্ট্রিম প্রতিবেদক

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো ‘ফাউল করার নিয়তে’ নামবে না আশা প্রকাশ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সব খেলোয়াড় যদি ফাউল করার নিয়তে মাঠে নামে তাহলে রেফারির পক্ষে ম্যাচ পণ্ড হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয় না। সুতরাং খেলোয়াড়দের ফাউল করার নিয়ত থেকে দূরে থাকতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে একজন সম্পাদকের লেখা থেকে উদ্ধৃত করে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নির্বাচনের মূল স্টেকহোল্ডার রাজনৈতিক দলগুলো এবং তাদের সহযোগিতা ছাড়া সুন্দর নির্বাচন করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে সিইসি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আমাদের স্টেকহোল্ডার যারা ইলেকশনের মাঠে খেলবেন, তারা সব ফাউল করার নিয়তে নামবেন না। তারা একটা ভালো নির্বাচনের নিয়তে নামবেন, এ বিশ্বাস আমার আছে। নির্বাচনের মাঠে কেউ যাতে ফাউল না করতে পারেন তার যাবতীয় ব্যবস্থা আমরা নেব, ইনশাআল্লাহ। কারণ, একটা বিশাল বিপ্লবের মধ্য দিয়ে আমরা কিন্তু এই অবস্থায় আছি। একটা ক্রান্তি লগ্নে আছি।
আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে সিইসি বলেন, নির্বাচন করার জন্য যা যা প্রস্তুতি নেওয়া দরকার, আমরা জোরেশোরে নিচ্ছি।
সিইসি বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা এখন নিউইয়র্কে আছেন। আপনারা দেখেছেন, যার সঙ্গে উনি দেখা করছেন তাকেই বলছেন যে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে। আমি গণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চাই। একটা সুন্দর নির্বাচন, ঐতিহাসিক নির্বাচন দিতে চাই। উনার ওই কথাগুলোকে বাস্তবায়ন করার জন্যই আমরা কিন্তু কাজ করছি। একবার একটা ঐতিহাসিক নির্বাচন যাতে হয়। আর এই ঐতিহাসিক নির্বাচন কিন্তু আপনাদের (গণমাধ্যম) ছাড়া পারবো না। আমরা যতো ভালোই করি না কেন, এখন আপনারা যদি উল্টোটা বলেন, তাহলে সব শেষ, বরবাদ হয়ে যাবে।’
সিইসি বলেন, আমরা কারো কথায় চলতে চাই না। আমরা বিবেকের তাড়নায় চলি। আইন অনুযায়ী চলতে চাই। সংবিধান অনুযায়ী চলতে চাই এবং একটা সরল সোজা পথে চলতে চাই, কোনো বাঁকা পথে নয়। কাউকে কোনো ফেভার করার জন্য না। নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে চাই।
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার মন্তব্য প্রতিবেদন উল্লেখ করে সিইসি বলেন, কেউ আমাকে কেউ এ পর্যন্ত বলেন নাই যে, আমি ফাউল খেলার নিয়তে ইলেকশনে যাব। ইলেকশনে ভোট ডাকাতি করব, সন্ত্রাস করব এমন কেউ বা কোনো রাজনীতিবিদ বলেন নাই। সুতরাং আমি ধরে নিচ্ছি যে, উনারা সুন্দরভাবে সহযোগিতা করবে। তবে সরকার উনাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, চার থেকে পাঁচ জন নেতা আমেরিকাও গেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সাথে ওখানেও তো আলাপ-আলোচনা করার একটা সুযোগ পাবেন। আমার কিন্তু আমাদের রাজনীতিবিদদের ওপর আস্থা আছে। এটা আমার সব সময় ছিল।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো ‘ফাউল করার নিয়তে’ নামবে না আশা প্রকাশ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সব খেলোয়াড় যদি ফাউল করার নিয়তে মাঠে নামে তাহলে রেফারির পক্ষে ম্যাচ পণ্ড হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয় না। সুতরাং খেলোয়াড়দের ফাউল করার নিয়ত থেকে দূরে থাকতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে একজন সম্পাদকের লেখা থেকে উদ্ধৃত করে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নির্বাচনের মূল স্টেকহোল্ডার রাজনৈতিক দলগুলো এবং তাদের সহযোগিতা ছাড়া সুন্দর নির্বাচন করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে সিইসি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আমাদের স্টেকহোল্ডার যারা ইলেকশনের মাঠে খেলবেন, তারা সব ফাউল করার নিয়তে নামবেন না। তারা একটা ভালো নির্বাচনের নিয়তে নামবেন, এ বিশ্বাস আমার আছে। নির্বাচনের মাঠে কেউ যাতে ফাউল না করতে পারেন তার যাবতীয় ব্যবস্থা আমরা নেব, ইনশাআল্লাহ। কারণ, একটা বিশাল বিপ্লবের মধ্য দিয়ে আমরা কিন্তু এই অবস্থায় আছি। একটা ক্রান্তি লগ্নে আছি।
আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে সিইসি বলেন, নির্বাচন করার জন্য যা যা প্রস্তুতি নেওয়া দরকার, আমরা জোরেশোরে নিচ্ছি।
সিইসি বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা এখন নিউইয়র্কে আছেন। আপনারা দেখেছেন, যার সঙ্গে উনি দেখা করছেন তাকেই বলছেন যে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে। আমি গণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চাই। একটা সুন্দর নির্বাচন, ঐতিহাসিক নির্বাচন দিতে চাই। উনার ওই কথাগুলোকে বাস্তবায়ন করার জন্যই আমরা কিন্তু কাজ করছি। একবার একটা ঐতিহাসিক নির্বাচন যাতে হয়। আর এই ঐতিহাসিক নির্বাচন কিন্তু আপনাদের (গণমাধ্যম) ছাড়া পারবো না। আমরা যতো ভালোই করি না কেন, এখন আপনারা যদি উল্টোটা বলেন, তাহলে সব শেষ, বরবাদ হয়ে যাবে।’
সিইসি বলেন, আমরা কারো কথায় চলতে চাই না। আমরা বিবেকের তাড়নায় চলি। আইন অনুযায়ী চলতে চাই। সংবিধান অনুযায়ী চলতে চাই এবং একটা সরল সোজা পথে চলতে চাই, কোনো বাঁকা পথে নয়। কাউকে কোনো ফেভার করার জন্য না। নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে চাই।
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার মন্তব্য প্রতিবেদন উল্লেখ করে সিইসি বলেন, কেউ আমাকে কেউ এ পর্যন্ত বলেন নাই যে, আমি ফাউল খেলার নিয়তে ইলেকশনে যাব। ইলেকশনে ভোট ডাকাতি করব, সন্ত্রাস করব এমন কেউ বা কোনো রাজনীতিবিদ বলেন নাই। সুতরাং আমি ধরে নিচ্ছি যে, উনারা সুন্দরভাবে সহযোগিতা করবে। তবে সরকার উনাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, চার থেকে পাঁচ জন নেতা আমেরিকাও গেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সাথে ওখানেও তো আলাপ-আলোচনা করার একটা সুযোগ পাবেন। আমার কিন্তু আমাদের রাজনীতিবিদদের ওপর আস্থা আছে। এটা আমার সব সময় ছিল।

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৬ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে