স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও গুজবে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশ সদর দপ্তর, বিজিবি, কোস্টগার্ড, এনএসআই, ডিজিএফআই ও এসবিকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে মাদক কারবারি ও গডফাদারদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে মাদক বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এ জন্য নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করতে বলা হয়েছে।
সভায় আরও বলা হয়, নিষিদ্ধ সংগঠন, দল ও ফ্যাসিস্ট কর্মকাণ্ডে জড়িতরা যাতে জামিন না পায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। তাদের বিষয়ে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে।
বৈঠক সূত্র আরও জানিয়েছে, জামিনে মুক্তি পাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। তাদের গতিবিধিও কঠোরভাবে নজরদারিতে রাখতে হবে।
সারা দেশের চাঁদাবাজদের শনাক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সভায়। এ তালিকাভুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
একইসঙ্গে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ব্যবহার করে কোনো ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি যেন দেশত্যাগ করতে না পারে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। রোহিঙ্গাশিবির এলাকায় বিশেষ নজরদারি করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও গুজবের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। শুধু সরকারি কর্মকর্তা ও অনুমোদিত সিকিউরিটি সার্ভিস ছাড়া অন্য কাউকে অস্ত্রের অনুমতি দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও গুজবে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশ সদর দপ্তর, বিজিবি, কোস্টগার্ড, এনএসআই, ডিজিএফআই ও এসবিকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে মাদক কারবারি ও গডফাদারদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে মাদক বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এ জন্য নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করতে বলা হয়েছে।
সভায় আরও বলা হয়, নিষিদ্ধ সংগঠন, দল ও ফ্যাসিস্ট কর্মকাণ্ডে জড়িতরা যাতে জামিন না পায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। তাদের বিষয়ে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে।
বৈঠক সূত্র আরও জানিয়েছে, জামিনে মুক্তি পাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। তাদের গতিবিধিও কঠোরভাবে নজরদারিতে রাখতে হবে।
সারা দেশের চাঁদাবাজদের শনাক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সভায়। এ তালিকাভুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
একইসঙ্গে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ব্যবহার করে কোনো ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি যেন দেশত্যাগ করতে না পারে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। রোহিঙ্গাশিবির এলাকায় বিশেষ নজরদারি করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও গুজবের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। শুধু সরকারি কর্মকর্তা ও অনুমোদিত সিকিউরিটি সার্ভিস ছাড়া অন্য কাউকে অস্ত্রের অনুমতি দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে