স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ‘বিজয় বইমেলা-২০২৫’। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) বইমেলা স্ট্যান্ডিং কমিটি এই মেলার আয়োজন করেছে। এতে সার্বিক সহযোগিতা করছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।
আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বাপুস সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।
উদ্বোধনের দিনেই মেলা প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। পাঠকেরা ঘুরে ঘুরে তাদের পছন্দের বই কিনছেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ‘ডিসেম্বর আমাদের অহংকারের মাস, বাঙালির বিজয়ের মাস। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হলে আমাদের জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়তে হবে। আর জ্ঞান অর্জনের প্রধান হাতিয়ার হলো বই।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাপুস সহ-সভাপতি গোলাম এলাহী জায়েদ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মেলা স্ট্যান্ডিং কমিটির পরিচালক আবুল বাশার ফিরোজ শেখ, বাপুস পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান খান ও ড. আবদুল আজিজ।
বইমেলার গুরুত্ব তুলে ধরে আবুল বাশার ফিরোজ শেখ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। বিজয় বইমেলা সেই দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে। এখানে মুক্তিযুদ্ধের ওপর রচিত অনেক বই পাওয়া যাচ্ছে। বই কেবল বিনোদন নয়, এটি ইতিহাসের দলিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘পাঠকরা যত বেশি বই পড়বেন, দেশের সংস্কৃতি তত সমৃদ্ধ হবে। প্রকাশনা শিল্পকে বাঁচাতে হলে পাঠকদের বই কিনতে হবে।’
আয়োজকরা জানান, মেলায় দেশের প্রায় সব প্রথিতযশা প্রকাশনী অংশ নিয়েছে এবং শতাধিক স্টল স্থাপন করা হয়েছে। মেলা চলবে আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে ছুটির দিনে মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।
বই কেনাকাটার পাশাপাশি মেলায় থাকছে বিশেষ আয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে লেখক ও প্রকাশকদের নিয়ে স্মারক বক্তৃতা এবং বই ও সাহিত্যবিষয়ক আলোচনা। এছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রাখা হয়েছে।

রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ‘বিজয় বইমেলা-২০২৫’। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) বইমেলা স্ট্যান্ডিং কমিটি এই মেলার আয়োজন করেছে। এতে সার্বিক সহযোগিতা করছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।
আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বাপুস সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।
উদ্বোধনের দিনেই মেলা প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। পাঠকেরা ঘুরে ঘুরে তাদের পছন্দের বই কিনছেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ‘ডিসেম্বর আমাদের অহংকারের মাস, বাঙালির বিজয়ের মাস। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হলে আমাদের জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়তে হবে। আর জ্ঞান অর্জনের প্রধান হাতিয়ার হলো বই।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাপুস সহ-সভাপতি গোলাম এলাহী জায়েদ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মেলা স্ট্যান্ডিং কমিটির পরিচালক আবুল বাশার ফিরোজ শেখ, বাপুস পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান খান ও ড. আবদুল আজিজ।
বইমেলার গুরুত্ব তুলে ধরে আবুল বাশার ফিরোজ শেখ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। বিজয় বইমেলা সেই দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে। এখানে মুক্তিযুদ্ধের ওপর রচিত অনেক বই পাওয়া যাচ্ছে। বই কেবল বিনোদন নয়, এটি ইতিহাসের দলিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘পাঠকরা যত বেশি বই পড়বেন, দেশের সংস্কৃতি তত সমৃদ্ধ হবে। প্রকাশনা শিল্পকে বাঁচাতে হলে পাঠকদের বই কিনতে হবে।’
আয়োজকরা জানান, মেলায় দেশের প্রায় সব প্রথিতযশা প্রকাশনী অংশ নিয়েছে এবং শতাধিক স্টল স্থাপন করা হয়েছে। মেলা চলবে আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে ছুটির দিনে মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।
বই কেনাকাটার পাশাপাশি মেলায় থাকছে বিশেষ আয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে লেখক ও প্রকাশকদের নিয়ে স্মারক বক্তৃতা এবং বই ও সাহিত্যবিষয়ক আলোচনা। এছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রাখা হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে