স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশে অপতথ্য, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে সমন্বিত, আধুনিক ও সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
সভাপতির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সঠিক তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা গণতন্ত্র ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। অপতথ্য এখন শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নির্বাচন ব্যবস্থায় আস্থা ক্ষুণ্ণ করতে পারে।’ এ জন্য তিনি প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সারা দেশের মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অপ ও অসত্য তথ্য বিষয়ে জনসচেতনতামূলক আলোচনা করার পাশাপাশি স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষক এবং মসজিদের ইমামদের এ বিষয়ে সচেতন করে তুলতে হবে।’
প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেন, ‘আমরা শুধু ড্যামেজ কন্ট্রোল করব; তা বন্ধ করতে পারব না।’ সমস্যার সমাধানে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগকে প্রযুক্তিগত দিক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে জনসচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরির কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি।
সভায় জানানো হয়, অপতথ্য প্রতিরোধে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) অধীনে একটি সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং সেলের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এছাড়া ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স, টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ চ্যানেল সক্রিয় করার সুপারিশ করা হয়, যাতে জরুরি কনটেন্ট দ্রুত অপসারণ করা যায়।
সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, সরকারি-বেসরকারি ফ্যাক্ট-চেকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত ডাটাবেস তৈরি, যাচাইকৃত কনটেন্ট দ্রুত প্রচার এবং ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একটি আন্তসংস্থা কার্যপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নের অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ সভা আয়োজনেরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খানসহ বিটিআরসি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিবি এবং বিভিন্ন ফ্যাক্ট-চেকার গ্রুপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশে অপতথ্য, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে সমন্বিত, আধুনিক ও সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
সভাপতির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সঠিক তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা গণতন্ত্র ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। অপতথ্য এখন শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নির্বাচন ব্যবস্থায় আস্থা ক্ষুণ্ণ করতে পারে।’ এ জন্য তিনি প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সারা দেশের মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অপ ও অসত্য তথ্য বিষয়ে জনসচেতনতামূলক আলোচনা করার পাশাপাশি স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষক এবং মসজিদের ইমামদের এ বিষয়ে সচেতন করে তুলতে হবে।’
প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেন, ‘আমরা শুধু ড্যামেজ কন্ট্রোল করব; তা বন্ধ করতে পারব না।’ সমস্যার সমাধানে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগকে প্রযুক্তিগত দিক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে জনসচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরির কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি।
সভায় জানানো হয়, অপতথ্য প্রতিরোধে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) অধীনে একটি সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং সেলের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এছাড়া ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স, টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ চ্যানেল সক্রিয় করার সুপারিশ করা হয়, যাতে জরুরি কনটেন্ট দ্রুত অপসারণ করা যায়।
সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, সরকারি-বেসরকারি ফ্যাক্ট-চেকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত ডাটাবেস তৈরি, যাচাইকৃত কনটেন্ট দ্রুত প্রচার এবং ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একটি আন্তসংস্থা কার্যপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নের অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ সভা আয়োজনেরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খানসহ বিটিআরসি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিবি এবং বিভিন্ন ফ্যাক্ট-চেকার গ্রুপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৬ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে