স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। একইসঙ্গে ১২ ফেব্রুয়ারি একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।
বৈঠক শেষে ইভার্স ইজাবস বলেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক দৃঢ় ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে ইইউ কোনো ধরনের পরামর্শ দিতে বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংশোধনী আনতে আসেনি। তাদের মূল দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা এবং মিশন শেষে একটি পর্যবেক্ষণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করা।
ইভার্স ইজাবস বলেন, 'আমরা বাংলাদেশের জন্য শুভকামনা জানাই। আমাদের প্রত্যাশা, আগামী বৃহস্পতিবার একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।'
নির্বাচন ঘিরে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়গুলো তুলে ধরে ইভার্স ইজাবস জানান, ইইউ চায় বাংলাদেশে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হোক, যেখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে। একইসঙ্গে নারী, সংখ্যালঘু এবং সকল শ্রেণি-পেশার নাগরিকের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাকে তারা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণের প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ইইউর ৬০ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করছেন। এছাড়া আগামী পরশু থেকে স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকদের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হবে, যারা সরাসরি ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি বড় দল বাংলাদেশে আসবে। প্রায় ১৫০ সদস্যের এই পর্যবেক্ষক দল নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে ধাপে ধাপে বাংলাদেশে আসবে বলে গত সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। একইসঙ্গে ১২ ফেব্রুয়ারি একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।
বৈঠক শেষে ইভার্স ইজাবস বলেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক দৃঢ় ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে ইইউ কোনো ধরনের পরামর্শ দিতে বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংশোধনী আনতে আসেনি। তাদের মূল দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা এবং মিশন শেষে একটি পর্যবেক্ষণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করা।
ইভার্স ইজাবস বলেন, 'আমরা বাংলাদেশের জন্য শুভকামনা জানাই। আমাদের প্রত্যাশা, আগামী বৃহস্পতিবার একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।'
নির্বাচন ঘিরে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়গুলো তুলে ধরে ইভার্স ইজাবস জানান, ইইউ চায় বাংলাদেশে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হোক, যেখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে। একইসঙ্গে নারী, সংখ্যালঘু এবং সকল শ্রেণি-পেশার নাগরিকের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাকে তারা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণের প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ইইউর ৬০ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করছেন। এছাড়া আগামী পরশু থেকে স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকদের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হবে, যারা সরাসরি ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি বড় দল বাংলাদেশে আসবে। প্রায় ১৫০ সদস্যের এই পর্যবেক্ষক দল নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে ধাপে ধাপে বাংলাদেশে আসবে বলে গত সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে