সংশোধিত আচরণ বিধিমালা প্রকাশ
স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংশোধিত বিধিমালা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে বলা হয়েছে, একটি সংসদীয় আসনে একজন প্রার্থী ২০টির বেশি বিলবোর্ড লাগাতে পারবেন না। তবে যেসব আসনে ইউনিয়ন পরিষদ বা ওয়ার্ডের সংখ্যা ২০টির বেশি, সেক্ষেত্রে এ নিয়ম শিথিল করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ (সংশোধিত) প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
এতে বলা হয়েছে, সংসদীয় আসনের সীমানার ব্যপ্তি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট আসনে অন্তর্ভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ অথবা মেট্রোপলিটন বা পৌরসভা এলাকার ওয়ার্ডের সংখ্যা বিবেচনায় প্রয়োজনে ২০ এর অধিক বিলবোর্ড স্থাপন করতে পারবেন নির্বাচনের প্রার্থীরা।
এর আগে, গত ১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত বিধিমালার ১৪ নম্বর বিধিতে বলা হয়েছিল, সর্বোচ্চ ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট আকারের বিলবোর্ড স্থাপন করা যাবে এবং কোনো সংসদীয় আসনে বিলবোর্ডের সংখ্যা ২০টির বেশি হবে না।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব জানান, ‘অনেক সংসদীয় আসনে ২০টিরও বেশি ইউনিয়ন পরিষদ বা ওয়ার্ড রয়েছে। ফলে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ বা ওয়ার্ডে একটি করে বিলবোর্ড স্থাপন করতে গেলে ২০টির বেশি বিলবোর্ডের প্রয়োজন হয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সংশোধনী আনা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ অথবা ওয়ার্ডের জন্য অন্তত একটি করে বিলবোর্ড স্থাপনের সুযোগ দিতে গিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে—প্রতিটি আসনে ন্যূনতম ২০টি অথবা বিশেষ প্রয়োজন সাপেক্ষে ২০টির অধিক যে সংখ্যাটি প্রযোজ্য হবে, সেই সংখ্যক বিলবোর্ড স্থাপন করা যাবে।’
এছাড়াও সংশোধিত বিধিমালায় আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
শুক্রবার প্রকাশিত বিধিমালা অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলের আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ দেড় লাখ টাকা থেকে কমিয়ে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিধিমালার ১৭ নম্বর বিধির উপধারা (১) সংশোধন করে বলা হয়েছে, একই জনসভায় একসঙ্গে তিনটির বেশি মাইক বা লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে না। তবে সাধারণ প্রচারণার ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।
এছাড়া, বিধিমালার ৬ নম্বর বিধিতে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে একটি প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। একই স্থানে ও একই সময়ে একাধিক রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী প্রচারণার প্রস্তাব দিলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা সমন্বয় করবে।
একই বিধির অপর উপবিধিতে আরও বলা হয়েছে, কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা করতে হলে অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে এ বিষয়ে অবহিত করতে হবে, যাতে জনসভাস্থলে সাধারণ যাতায়াত এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংশোধিত বিধিমালা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে বলা হয়েছে, একটি সংসদীয় আসনে একজন প্রার্থী ২০টির বেশি বিলবোর্ড লাগাতে পারবেন না। তবে যেসব আসনে ইউনিয়ন পরিষদ বা ওয়ার্ডের সংখ্যা ২০টির বেশি, সেক্ষেত্রে এ নিয়ম শিথিল করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ (সংশোধিত) প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
এতে বলা হয়েছে, সংসদীয় আসনের সীমানার ব্যপ্তি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট আসনে অন্তর্ভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ অথবা মেট্রোপলিটন বা পৌরসভা এলাকার ওয়ার্ডের সংখ্যা বিবেচনায় প্রয়োজনে ২০ এর অধিক বিলবোর্ড স্থাপন করতে পারবেন নির্বাচনের প্রার্থীরা।
এর আগে, গত ১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত বিধিমালার ১৪ নম্বর বিধিতে বলা হয়েছিল, সর্বোচ্চ ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট আকারের বিলবোর্ড স্থাপন করা যাবে এবং কোনো সংসদীয় আসনে বিলবোর্ডের সংখ্যা ২০টির বেশি হবে না।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব জানান, ‘অনেক সংসদীয় আসনে ২০টিরও বেশি ইউনিয়ন পরিষদ বা ওয়ার্ড রয়েছে। ফলে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ বা ওয়ার্ডে একটি করে বিলবোর্ড স্থাপন করতে গেলে ২০টির বেশি বিলবোর্ডের প্রয়োজন হয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সংশোধনী আনা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ অথবা ওয়ার্ডের জন্য অন্তত একটি করে বিলবোর্ড স্থাপনের সুযোগ দিতে গিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে—প্রতিটি আসনে ন্যূনতম ২০টি অথবা বিশেষ প্রয়োজন সাপেক্ষে ২০টির অধিক যে সংখ্যাটি প্রযোজ্য হবে, সেই সংখ্যক বিলবোর্ড স্থাপন করা যাবে।’
এছাড়াও সংশোধিত বিধিমালায় আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
শুক্রবার প্রকাশিত বিধিমালা অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলের আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ দেড় লাখ টাকা থেকে কমিয়ে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিধিমালার ১৭ নম্বর বিধির উপধারা (১) সংশোধন করে বলা হয়েছে, একই জনসভায় একসঙ্গে তিনটির বেশি মাইক বা লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে না। তবে সাধারণ প্রচারণার ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।
এছাড়া, বিধিমালার ৬ নম্বর বিধিতে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে একটি প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। একই স্থানে ও একই সময়ে একাধিক রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী প্রচারণার প্রস্তাব দিলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা সমন্বয় করবে।
একই বিধির অপর উপবিধিতে আরও বলা হয়েছে, কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা করতে হলে অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে এ বিষয়ে অবহিত করতে হবে, যাতে জনসভাস্থলে সাধারণ যাতায়াত এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৬ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে