স্ট্রিম প্রতিবেদক

মওলানা ভাসানীর রাষ্ট্রচিন্তার কেন্দ্রে ছিল ‘রবুবিয়াত’ বা পালনবাদ। আধুনিক রাষ্ট্র যেখানে শাসনকেন্দ্রিক, সেখানে ভাসানী রাষ্ট্রকে দেখতেন জনগণের প্রতিপালক হিসেবে। শনিবার (২২ নভেম্বর) ভাববৈঠকি’র উদ্যোগে বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ লেখক কর্ণারে “ভাসানী, ইসলাম ও গণরাজনীতি” শীর্ষক সেমিনারে মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রদর্শনের নতুন পাঠ হাজির করেন কবি ও চিন্তাবিদ ফরহাদ মজহার।
তিনি বলেন, পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ ইসলামকে পিছিয়ে থাকা ধর্ম হিসেবে দেখে বলেই ভাসানীর রাজনৈতিক ভাবনার গভীরতা তারা ধরতে পারেনি। মজহারের মতে, ভাসানী ইসলাম ও কমিউনিজমকে পরস্পরের বিপরীতে নয়, জনগণের সংগ্রামের যৌথ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সাপ্তাহিক চিন্তা পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের সদস্য উদয় হাসান ভাসানীর ‘হক ও পালনের’ ধারণা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, ইসলামী রাজনৈতিক দর্শনে যেমন হক্কুল ইবাদ বা মানুষের জন্মগত অধিকার রক্ষা করা অপরিহার্য, ভাসানীর রাজনৈতিক অবস্থানের কেন্দ্রেও ছিল এই নৈতিক অঙ্গীকার।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কৃষক উইংয়ের যুগ্ম সমন্বয়কারী সাঈদ উজ্জ্বল ভাসানীর কৃষক-রাজনীতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলার কৃষকের জমি, রিজিক, আবাস ও নিরাপত্তাকে রাষ্ট্রের মূল দায়িত্ব বলে মনে করতেন ভাসানী।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ ভাসানীর রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভাসানী শুধু দলীয় রাজনীতির নেতা নন, দেশের ভৌগোলিক ও মানসিক মুক্তিরও প্রথম সারির স্বপ্নদ্রষ্টা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

মওলানা ভাসানীর রাষ্ট্রচিন্তার কেন্দ্রে ছিল ‘রবুবিয়াত’ বা পালনবাদ। আধুনিক রাষ্ট্র যেখানে শাসনকেন্দ্রিক, সেখানে ভাসানী রাষ্ট্রকে দেখতেন জনগণের প্রতিপালক হিসেবে। শনিবার (২২ নভেম্বর) ভাববৈঠকি’র উদ্যোগে বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ লেখক কর্ণারে “ভাসানী, ইসলাম ও গণরাজনীতি” শীর্ষক সেমিনারে মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রদর্শনের নতুন পাঠ হাজির করেন কবি ও চিন্তাবিদ ফরহাদ মজহার।
তিনি বলেন, পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ ইসলামকে পিছিয়ে থাকা ধর্ম হিসেবে দেখে বলেই ভাসানীর রাজনৈতিক ভাবনার গভীরতা তারা ধরতে পারেনি। মজহারের মতে, ভাসানী ইসলাম ও কমিউনিজমকে পরস্পরের বিপরীতে নয়, জনগণের সংগ্রামের যৌথ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সাপ্তাহিক চিন্তা পত্রিকার সম্পাদনা পরিষদের সদস্য উদয় হাসান ভাসানীর ‘হক ও পালনের’ ধারণা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, ইসলামী রাজনৈতিক দর্শনে যেমন হক্কুল ইবাদ বা মানুষের জন্মগত অধিকার রক্ষা করা অপরিহার্য, ভাসানীর রাজনৈতিক অবস্থানের কেন্দ্রেও ছিল এই নৈতিক অঙ্গীকার।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কৃষক উইংয়ের যুগ্ম সমন্বয়কারী সাঈদ উজ্জ্বল ভাসানীর কৃষক-রাজনীতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলার কৃষকের জমি, রিজিক, আবাস ও নিরাপত্তাকে রাষ্ট্রের মূল দায়িত্ব বলে মনে করতেন ভাসানী।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ ভাসানীর রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভাসানী শুধু দলীয় রাজনীতির নেতা নন, দেশের ভৌগোলিক ও মানসিক মুক্তিরও প্রথম সারির স্বপ্নদ্রষ্টা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে