স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় নুরুল হক ওরফে ‘নুরাল পাগলা’র দরবারে হামলায় তাঁর ভক্ত রাসেল মোল্লাকে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লাশ পোড়ানো, ক্ষতিসাধন, চুরি ও জখমের অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহতের বাবা আমজাদ মোল্লা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার জনকে আসামি করে গোয়ালন্দ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
এই হত্যা মামলায় এরই মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। আর ঘটনা নিয়ন্ত্রণের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় আর ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা সাড়ে ৩ হাজার জনের বিরুদ্ধে সেই মামলাটি দায়ের করেন।
সবমিলিয়ে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত দুই মামলায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজীব।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুজন হলেন, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বড় ঠাকুরকান্দি গ্রামের মাওলানা বাহাউদ্দিনের ছেলে মো. আ. লতিফ (৩৫) ও গোয়ালন্দ উপজেলার পৌর শহরের আলম চৌধুরী পাড়ার বিল্লাল মন্ডলের ছেলে অভি মন্ডল রঞ্জু (২৯)।
এ ছাড়াও পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তাররা হলেন— গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মো. লাল মিয়া মৃধার ছেলে ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিরু মৃধা, দক্ষিণ উজানচর দিরাজতুল্লা মৃধাপাড়া আক্কাস মৃধার ছেলে ও উজানচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুদ মৃধা, দেওয়ানপাড়া গ্রামের আবজাল সরদারের ছেলে শাফিন সরদার, একই এলাকার জহির উদ্দিনের ছেলে এনামুল হক জনি ও কাজী পাড়ার আরিফ কাজীর ছেলে কাজী অপু, গোয়ালন্দ উপজেলার দিরাজতুল্লাহ মৃধা ডাঙ্গীর মকলেছুর রহমান মৃধার ছেলে মো. হায়াত আলী মৃধা, নতুনপাড়া (মাল্লাপট্রি) মো. শওকত সরদারের ছেলে মো. জীবন সরদার, গোয়ালন্দ পৌরসভার আদর্শ গ্রামের ছালামের ছেলে বিল্লু, মাল্লাপট্রি শাকের ফকিরপাড়ার হেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম শুভ, নতুন পাড়ার মো. শওকত সরদারের ছেলে মো. জীবন সরদার, ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার ডিগ্রিরচর বারখাদা গ্রামের মো. নিজাম উদ্দিন সরদারের ছেলে মোহাম্মদ ফেরদৌস সরদার, গোয়ালন্দ উপজেলার ১নং বেপারী পাড়া গ্রামের আইয়ুব আলী গাজীর ছেলে আলমগীর গাজী, নজর উদ্দিন সরদারপাড়ার ইসাক সরদারের ছেলে সোহান সরদার, দেওয়ানপাড়ার নেকবার আলী শেখের ছেলে রিয়াজ হোসেন রিতান্ত, ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের হাজী গণি শিকদারপাড়ার মো. মজিবর শেখের ছেলে আসলাম শেখ এবং গোয়ালন্দ পৌরসভার কাজীপাড়ার জয়নাল শেখের ছেলে শহিদুল ইসলাম ওরফে বুদ্দু। এরমধ্যে অপু ও বিল্লু আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এর আগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার জুরান মোল্লার পাড়ায় নুরাল পাগলা করব নিয়ে আপত্তি তুলে ‘ইমান ও আকিদা রক্ষা কমিটি’ ও তৌহিদী জনতা। গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মো. রাকিবুল ইসলাম জানায়, শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) একটি মসজিদে জুমার নামাজের পর বিক্ষোভ-সমাবেশ করে তৌহিদী জনতা। বিক্ষোভ থেকে হামলা চালানো হয় নুরাল পাগলের দরবার শরীফে।
পাল্টা আক্রমণ করেন নুরাল পাগলের ভক্তরা। সংঘর্ষে রাসেল মোল্লা নামে এক ভক্ত নিহত ও শতাধীক মানুষ আহত হন। পরে নুরাল পাগলের দরবার শরীফে ঢুকে আগুন ধরিয়ে দেয় তৌহিদী জনতা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে হামলা চালানো হয় পুলিশের ওপর, ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় নুরুল হক ওরফে ‘নুরাল পাগলা’র দরবারে হামলায় তাঁর ভক্ত রাসেল মোল্লাকে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লাশ পোড়ানো, ক্ষতিসাধন, চুরি ও জখমের অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহতের বাবা আমজাদ মোল্লা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার জনকে আসামি করে গোয়ালন্দ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
এই হত্যা মামলায় এরই মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। আর ঘটনা নিয়ন্ত্রণের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় আর ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে গোয়ালন্দ ঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা সাড়ে ৩ হাজার জনের বিরুদ্ধে সেই মামলাটি দায়ের করেন।
সবমিলিয়ে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত দুই মামলায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজীব।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুজন হলেন, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বড় ঠাকুরকান্দি গ্রামের মাওলানা বাহাউদ্দিনের ছেলে মো. আ. লতিফ (৩৫) ও গোয়ালন্দ উপজেলার পৌর শহরের আলম চৌধুরী পাড়ার বিল্লাল মন্ডলের ছেলে অভি মন্ডল রঞ্জু (২৯)।
এ ছাড়াও পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তাররা হলেন— গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মো. লাল মিয়া মৃধার ছেলে ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিরু মৃধা, দক্ষিণ উজানচর দিরাজতুল্লা মৃধাপাড়া আক্কাস মৃধার ছেলে ও উজানচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুদ মৃধা, দেওয়ানপাড়া গ্রামের আবজাল সরদারের ছেলে শাফিন সরদার, একই এলাকার জহির উদ্দিনের ছেলে এনামুল হক জনি ও কাজী পাড়ার আরিফ কাজীর ছেলে কাজী অপু, গোয়ালন্দ উপজেলার দিরাজতুল্লাহ মৃধা ডাঙ্গীর মকলেছুর রহমান মৃধার ছেলে মো. হায়াত আলী মৃধা, নতুনপাড়া (মাল্লাপট্রি) মো. শওকত সরদারের ছেলে মো. জীবন সরদার, গোয়ালন্দ পৌরসভার আদর্শ গ্রামের ছালামের ছেলে বিল্লু, মাল্লাপট্রি শাকের ফকিরপাড়ার হেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম শুভ, নতুন পাড়ার মো. শওকত সরদারের ছেলে মো. জীবন সরদার, ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার ডিগ্রিরচর বারখাদা গ্রামের মো. নিজাম উদ্দিন সরদারের ছেলে মোহাম্মদ ফেরদৌস সরদার, গোয়ালন্দ উপজেলার ১নং বেপারী পাড়া গ্রামের আইয়ুব আলী গাজীর ছেলে আলমগীর গাজী, নজর উদ্দিন সরদারপাড়ার ইসাক সরদারের ছেলে সোহান সরদার, দেওয়ানপাড়ার নেকবার আলী শেখের ছেলে রিয়াজ হোসেন রিতান্ত, ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের হাজী গণি শিকদারপাড়ার মো. মজিবর শেখের ছেলে আসলাম শেখ এবং গোয়ালন্দ পৌরসভার কাজীপাড়ার জয়নাল শেখের ছেলে শহিদুল ইসলাম ওরফে বুদ্দু। এরমধ্যে অপু ও বিল্লু আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এর আগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার জুরান মোল্লার পাড়ায় নুরাল পাগলা করব নিয়ে আপত্তি তুলে ‘ইমান ও আকিদা রক্ষা কমিটি’ ও তৌহিদী জনতা। গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মো. রাকিবুল ইসলাম জানায়, শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) একটি মসজিদে জুমার নামাজের পর বিক্ষোভ-সমাবেশ করে তৌহিদী জনতা। বিক্ষোভ থেকে হামলা চালানো হয় নুরাল পাগলের দরবার শরীফে।
পাল্টা আক্রমণ করেন নুরাল পাগলের ভক্তরা। সংঘর্ষে রাসেল মোল্লা নামে এক ভক্ত নিহত ও শতাধীক মানুষ আহত হন। পরে নুরাল পাগলের দরবার শরীফে ঢুকে আগুন ধরিয়ে দেয় তৌহিদী জনতা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে হামলা চালানো হয় পুলিশের ওপর, ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে