স্ট্রিম সংবাদদাতা

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) দেয়াল লিখন ও গ্রাফিতি অঙ্কন কর্মসূচি পালন করেছে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট, রেলস্টেশন এলাকা, অগ্রণী ব্যাংক চত্বর ও বিভিন্ন আবাসিক হলসহ নানা দেয়ালে এসব গ্রাফিতি আঁকা হয়।
গ্রাফিতিগুলোতে লেখা হয়েছে ওসমান হাদির বিভিন্ন উক্তি ও প্রতিবাদী বাক্য। এর মধ্যে রয়েছে—‘জান দেব, জুলাই দেব না’, ‘আমি আমার শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই’, ‘দাসত্ব যে জমিনের নিশ্চল নিয়তি, লড়াই সেখানে সর্বোত্তম ইবাদত’, ‘গণহত্যাকারীর বিপক্ষে মজলুমের গালি হইলো মহাকাব্য’ এবং ‘হাদি হত্যার বিচার চাই’।

গ্রাফিতি কর্মসূচি সম্পর্কে চবি ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক রাফসান রাকিব বলেন, ‘শরিফ ওসমান হাদির আন্দোলনকে জীবিত রাখা এবং হত্যার বিচারের দাবিতে আমরা এই কর্মসূচি পালন করছি। গ্রাফিতিতে তাঁর কোটেশন লেখা হচ্ছে। কারণ তিনি কালচারাল ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে যে লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন, তা ভুলে যাওয়ার নয়। বিচার না হওয়া পর্যন্ত ইনকিলাব মঞ্চ রাজপথেই থাকবে।’
চবি ইনকিলাব মঞ্চের যুগ্ম সদস্যসচিব নাদিম মাহমুদ উল্লাস বলেন, ‘হাদি ভাইকে হত্যা করার সাত দিন পার হয়ে গেছে। অথচ এখন পর্যন্ত সরকার বিচার নিশ্চিত করতে পারেনি। বরং ৯০ দিনের সময় বেঁধে দিয়ে আমাদের সাথে একপ্রকার ফাজলামো করা হয়েছে। জুলাইয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত সরকারই জুলাইয়ের সম্মুখসারির যোদ্ধা ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘খুনিরা ভেবেছিল এক হাদিকে হত্যা করে আন্দোলনকে স্তিমিত করে দেবে। তাই হাদি ভাইয়ের আন্দোলনকে জীবিত রাখতেই ইনকিলাব মঞ্চ কেন্দ্রের নির্দেশনায় আমরা এই গ্রাফিতি কর্মসূচি পালন করছি।’

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) দেয়াল লিখন ও গ্রাফিতি অঙ্কন কর্মসূচি পালন করেছে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট, রেলস্টেশন এলাকা, অগ্রণী ব্যাংক চত্বর ও বিভিন্ন আবাসিক হলসহ নানা দেয়ালে এসব গ্রাফিতি আঁকা হয়।
গ্রাফিতিগুলোতে লেখা হয়েছে ওসমান হাদির বিভিন্ন উক্তি ও প্রতিবাদী বাক্য। এর মধ্যে রয়েছে—‘জান দেব, জুলাই দেব না’, ‘আমি আমার শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই’, ‘দাসত্ব যে জমিনের নিশ্চল নিয়তি, লড়াই সেখানে সর্বোত্তম ইবাদত’, ‘গণহত্যাকারীর বিপক্ষে মজলুমের গালি হইলো মহাকাব্য’ এবং ‘হাদি হত্যার বিচার চাই’।

গ্রাফিতি কর্মসূচি সম্পর্কে চবি ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক রাফসান রাকিব বলেন, ‘শরিফ ওসমান হাদির আন্দোলনকে জীবিত রাখা এবং হত্যার বিচারের দাবিতে আমরা এই কর্মসূচি পালন করছি। গ্রাফিতিতে তাঁর কোটেশন লেখা হচ্ছে। কারণ তিনি কালচারাল ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে যে লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন, তা ভুলে যাওয়ার নয়। বিচার না হওয়া পর্যন্ত ইনকিলাব মঞ্চ রাজপথেই থাকবে।’
চবি ইনকিলাব মঞ্চের যুগ্ম সদস্যসচিব নাদিম মাহমুদ উল্লাস বলেন, ‘হাদি ভাইকে হত্যা করার সাত দিন পার হয়ে গেছে। অথচ এখন পর্যন্ত সরকার বিচার নিশ্চিত করতে পারেনি। বরং ৯০ দিনের সময় বেঁধে দিয়ে আমাদের সাথে একপ্রকার ফাজলামো করা হয়েছে। জুলাইয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত সরকারই জুলাইয়ের সম্মুখসারির যোদ্ধা ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘খুনিরা ভেবেছিল এক হাদিকে হত্যা করে আন্দোলনকে স্তিমিত করে দেবে। তাই হাদি ভাইয়ের আন্দোলনকে জীবিত রাখতেই ইনকিলাব মঞ্চ কেন্দ্রের নির্দেশনায় আমরা এই গ্রাফিতি কর্মসূচি পালন করছি।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে