স্ট্রিম সংবাদদাতা

শরীয়তপুরের জাজিরায় ঘরের ভেতর ককটেল তৈরির সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ভোররাতে উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের মুলাই ব্যাপারীকান্দি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সেখানে ককটেল তৈরি করা হচ্ছিল। বিস্ফোরণের পর সহযোগীরা একজনের মরদেহ পাশের ফসলি জমিতে ফেলে পালিয়ে যায়।
নিহতরা হলেন সোহান ব্যাপারী (৩২) ও নবীন হোসেন ওরফে নবীন সরদার (২২)। সোহান চেরাগআলী ব্যাপারীকান্দি গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ব্যাপারীর ছেলে। বিস্ফোরণে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পাশের সাতঘরিয়া এলাকার একটি ফসলি জমিতে পাওয়া যায়।
অন্যদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় নবীন হোসেন ও নয়ন মোল্লাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন মারা যান। নয়ন মোল্লা এখনো আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিস্ফোরণটি ঘটে বিলাশপুর ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর চাচাতো ভাই সাগর ব্যাপারীর সদ্য নির্মিত বসতঘরে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ঘরটির টিনের চালা, কাঠ ও বেড়া ছিন্নভিন্ন হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম, জুতা ও রক্তের দাগ পেয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে সড়ক পর্যন্ত রক্তের দাগ দেখে ধারণা করা হচ্ছে, আহতদের নিয়ে পালানোর সময় সোহানের মরদেহ জমিতে ফেলে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে সাগর ব্যাপারী পলাতক রয়েছেন।
এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কুদ্দুস ব্যাপারীর সঙ্গে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য আব্দুল জলিল মাদবরের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। হতাহতরা সবাই চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর সমর্থক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গত এক বছরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একাধিকবার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মাত্র চার দিন আগেও গত শনিবার ও রোববার বুধাইরহাট এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল ফাটানো হয়। ওই ঘটনায় জলিল মাদবর বর্তমানে কারাগারে থাকলেও কুদ্দুস ব্যাপারী জামিনে রয়েছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর হোসেন বলেন, ‘ঘটনাস্থলের আলামত দেখে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে সেখানে ককটেল তৈরি বা মজুদ করা হচ্ছিল। এটি নির্বাচনী সহিংসতা নয়, বরং স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারের প্রস্তুতি ছিল।’
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মদ জানান, পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় বিস্ফোরক ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার পর সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহ করেছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে অনেক বাড়ি।

শরীয়তপুরের জাজিরায় ঘরের ভেতর ককটেল তৈরির সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ভোররাতে উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের মুলাই ব্যাপারীকান্দি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সেখানে ককটেল তৈরি করা হচ্ছিল। বিস্ফোরণের পর সহযোগীরা একজনের মরদেহ পাশের ফসলি জমিতে ফেলে পালিয়ে যায়।
নিহতরা হলেন সোহান ব্যাপারী (৩২) ও নবীন হোসেন ওরফে নবীন সরদার (২২)। সোহান চেরাগআলী ব্যাপারীকান্দি গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ব্যাপারীর ছেলে। বিস্ফোরণে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পাশের সাতঘরিয়া এলাকার একটি ফসলি জমিতে পাওয়া যায়।
অন্যদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় নবীন হোসেন ও নয়ন মোল্লাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন মারা যান। নয়ন মোল্লা এখনো আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিস্ফোরণটি ঘটে বিলাশপুর ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর চাচাতো ভাই সাগর ব্যাপারীর সদ্য নির্মিত বসতঘরে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ঘরটির টিনের চালা, কাঠ ও বেড়া ছিন্নভিন্ন হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম, জুতা ও রক্তের দাগ পেয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে সড়ক পর্যন্ত রক্তের দাগ দেখে ধারণা করা হচ্ছে, আহতদের নিয়ে পালানোর সময় সোহানের মরদেহ জমিতে ফেলে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে সাগর ব্যাপারী পলাতক রয়েছেন।
এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কুদ্দুস ব্যাপারীর সঙ্গে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য আব্দুল জলিল মাদবরের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। হতাহতরা সবাই চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর সমর্থক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গত এক বছরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একাধিকবার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মাত্র চার দিন আগেও গত শনিবার ও রোববার বুধাইরহাট এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল ফাটানো হয়। ওই ঘটনায় জলিল মাদবর বর্তমানে কারাগারে থাকলেও কুদ্দুস ব্যাপারী জামিনে রয়েছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর হোসেন বলেন, ‘ঘটনাস্থলের আলামত দেখে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে সেখানে ককটেল তৈরি বা মজুদ করা হচ্ছিল। এটি নির্বাচনী সহিংসতা নয়, বরং স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারের প্রস্তুতি ছিল।’
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মদ জানান, পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় বিস্ফোরক ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার পর সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহ করেছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে অনেক বাড়ি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে