স্ট্রিম প্রতিবেদক

চিকিৎসকদের নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএইচসিডিওএ)। একই সঙ্গে সংগঠনটি ওই বক্তব্য পুনর্বিবেচনা ও ব্যাখ্যা করার আহ্বান জানিয়েছে।
আজ রোববার (১৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে বিপিএইচসিডিওএর সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক এ এম শামীম বলেন, শনিবার রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন হলে সংগঠনের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা চিকিৎসকদের নিয়ে ‘আপত্তিকর ও অপমানজনক’ মন্তব্য করেছেন। এ ঘটনায় তাঁরা গভীর হতাশা প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসকেরা দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে সেবা দিয়ে আসছেন। কোভিড-১৯ ও ডেঙ্গুর মতো মহামারিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা মানুষের সেবা নিশ্চিত করেছেন। আইন উপদেষ্টার এমন মন্তব্য চিকিৎসকদের সততা, নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগকে হেয় করেছে এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন করেছে।
সংগঠনটির বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই-২০২৪ অভ্যুত্থানের সময় স্বৈরাচারী সরকারের রক্তচক্ষু ও নিপীড়ন উপেক্ষা করে আহতদের চিকিৎসায় এগিয়ে এসেছিলেন দেশের চিকিৎসকেরা। জীবননাশের আশঙ্কা সত্ত্বেও তাঁরা ছাত্র–জনতার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। ‘এমন আত্মত্যাগী চিকিৎসকদের সম্পর্কে আইন উপদেষ্টার মন্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়’ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
ওজিএসবির আলটিমেটাম
আইন উপদেষ্টার বক্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে অবস্ট্রেটিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি)। সংগঠনটি আসিফ নজরুলকে অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার ও চিকিৎসকদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় ১৮ আগস্ট প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে এক দিনের জন্য প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ওজিএসবি।
রোববার এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ফিরোজা বেগম ও সদস্যসচিব ডা. মুসাররাত সুলতানা এ ঘোষণা দেন।
আইন উপদেষ্টার ব্যাখ্যা
এদিকে রোববার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন। তিনি লেখেন, ‘গতকাল একটি অনুষ্ঠানে ডাক্তারদের বিষয়ে কিছু কথা বলেছিলাম। প্রথমে রোগী হিসেবে আমার ভালো অভিজ্ঞতার কথা বলেছি। পরে অন্যদের অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু সমালোচনা উপস্থাপন করেছি। তবে স্পষ্ট করে বলেছি, এসব সমালোচনা সব ডাক্তারদের জন্য নয়। অনেক ডাক্তার অত্যন্ত ভালো, কিন্তু কিছু ডাক্তারদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আছে। সংবাদমাধ্যমে আমার বক্তব্য আংশিকভাবে প্রকাশিত হওয়ায় মনে হতে পারে অভিযোগগুলো সবার উদ্দেশে করা হয়েছে। এটি ঠিক নয়। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে জানাচ্ছি, অভিযোগ একশ্রেণির ডাক্তারদের বিরুদ্ধে, সব ডাক্তারদের বিরুদ্ধে নয়।’
আসিফ নজরুল আরও লিখেছেন, ‘আমার বক্তব্যে দেশের বিপুলসংখ্যক ডাক্তার, যারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তারা কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তবে অল্প কিছু ডাক্তারদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো ওঠে, তা সত্য কি না তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।’

চিকিৎসকদের নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএইচসিডিওএ)। একই সঙ্গে সংগঠনটি ওই বক্তব্য পুনর্বিবেচনা ও ব্যাখ্যা করার আহ্বান জানিয়েছে।
আজ রোববার (১৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে বিপিএইচসিডিওএর সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক এ এম শামীম বলেন, শনিবার রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন হলে সংগঠনের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা চিকিৎসকদের নিয়ে ‘আপত্তিকর ও অপমানজনক’ মন্তব্য করেছেন। এ ঘটনায় তাঁরা গভীর হতাশা প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসকেরা দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে সেবা দিয়ে আসছেন। কোভিড-১৯ ও ডেঙ্গুর মতো মহামারিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা মানুষের সেবা নিশ্চিত করেছেন। আইন উপদেষ্টার এমন মন্তব্য চিকিৎসকদের সততা, নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগকে হেয় করেছে এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন করেছে।
সংগঠনটির বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই-২০২৪ অভ্যুত্থানের সময় স্বৈরাচারী সরকারের রক্তচক্ষু ও নিপীড়ন উপেক্ষা করে আহতদের চিকিৎসায় এগিয়ে এসেছিলেন দেশের চিকিৎসকেরা। জীবননাশের আশঙ্কা সত্ত্বেও তাঁরা ছাত্র–জনতার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। ‘এমন আত্মত্যাগী চিকিৎসকদের সম্পর্কে আইন উপদেষ্টার মন্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়’ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
ওজিএসবির আলটিমেটাম
আইন উপদেষ্টার বক্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে অবস্ট্রেটিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি)। সংগঠনটি আসিফ নজরুলকে অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার ও চিকিৎসকদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় ১৮ আগস্ট প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে এক দিনের জন্য প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ওজিএসবি।
রোববার এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ফিরোজা বেগম ও সদস্যসচিব ডা. মুসাররাত সুলতানা এ ঘোষণা দেন।
আইন উপদেষ্টার ব্যাখ্যা
এদিকে রোববার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন। তিনি লেখেন, ‘গতকাল একটি অনুষ্ঠানে ডাক্তারদের বিষয়ে কিছু কথা বলেছিলাম। প্রথমে রোগী হিসেবে আমার ভালো অভিজ্ঞতার কথা বলেছি। পরে অন্যদের অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু সমালোচনা উপস্থাপন করেছি। তবে স্পষ্ট করে বলেছি, এসব সমালোচনা সব ডাক্তারদের জন্য নয়। অনেক ডাক্তার অত্যন্ত ভালো, কিন্তু কিছু ডাক্তারদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আছে। সংবাদমাধ্যমে আমার বক্তব্য আংশিকভাবে প্রকাশিত হওয়ায় মনে হতে পারে অভিযোগগুলো সবার উদ্দেশে করা হয়েছে। এটি ঠিক নয়। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে জানাচ্ছি, অভিযোগ একশ্রেণির ডাক্তারদের বিরুদ্ধে, সব ডাক্তারদের বিরুদ্ধে নয়।’
আসিফ নজরুল আরও লিখেছেন, ‘আমার বক্তব্যে দেশের বিপুলসংখ্যক ডাক্তার, যারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তারা কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তবে অল্প কিছু ডাক্তারদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো ওঠে, তা সত্য কি না তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে