স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিরা দেশে আছেন নাকি বিদেশে পালিয়ে গেছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে বিজিবি ময়মনসিংহ সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল সরকার মুস্তাফিজুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম এবং র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
মূল আসামিদের সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে অতিরিক্ত আইজিপি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আসামিদের অবস্থান নিশ্চিতভাবে জানা থাকলে আজকের এই ব্রিফিংয়ের প্রয়োজন হতো না। আমাদের তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গোয়েন্দারা নিরলসভাবে কাজ করছেন। তবে আসামিরা সীমান্ত পার হয়ে গেছেন কি না, সে বিষয়ে আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।’
আসামিদের ভারত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি আপলোড করার দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের তথ্য আসছে। কেউ বলছে আসামিরা ভারতে, আবার কেউ বলছে তারা ঢাকাতেই আছে। অপরাধীরা প্রায়শই বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য এমন কাজ করে থাকে। আমরা সম্ভাব্য সব তথ্য খতিয়ে দেখছি।’
হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে এটি ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতা নয়, বরং রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত মূল আসামি ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেপ্তার করতে পারিনি। তবে এ ঘটনায় জড়িত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে।’
তদন্তে আরও জানা গেছে, মোটরসাইকেলটিতে ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করা হয়েছিল। এ বিষয়ে ডিবি প্রধান জানান, সিসিটিভি ফুটেজে পাওয়া নম্বরটি যাচাই করে দেখা গেছে সেটি ভুয়া। মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিক আট মাস আগে এটি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। পরে ফয়সালের বাবা এতে ভুয়া নম্বর প্লেট সংযোজন করেন।
হত্যাকাণ্ডের আগে হাদির আশপাশে ঘাতকদের উপস্থিতি এবং সার্বিক নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পুলিশ জানায়, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে দেশজুড়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিরা দেশে আছেন নাকি বিদেশে পালিয়ে গেছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে বিজিবি ময়মনসিংহ সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল সরকার মুস্তাফিজুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম এবং র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
মূল আসামিদের সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে অতিরিক্ত আইজিপি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আসামিদের অবস্থান নিশ্চিতভাবে জানা থাকলে আজকের এই ব্রিফিংয়ের প্রয়োজন হতো না। আমাদের তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গোয়েন্দারা নিরলসভাবে কাজ করছেন। তবে আসামিরা সীমান্ত পার হয়ে গেছেন কি না, সে বিষয়ে আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।’
আসামিদের ভারত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি আপলোড করার দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের তথ্য আসছে। কেউ বলছে আসামিরা ভারতে, আবার কেউ বলছে তারা ঢাকাতেই আছে। অপরাধীরা প্রায়শই বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য এমন কাজ করে থাকে। আমরা সম্ভাব্য সব তথ্য খতিয়ে দেখছি।’
হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে এটি ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতা নয়, বরং রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত মূল আসামি ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেপ্তার করতে পারিনি। তবে এ ঘটনায় জড়িত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে।’
তদন্তে আরও জানা গেছে, মোটরসাইকেলটিতে ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করা হয়েছিল। এ বিষয়ে ডিবি প্রধান জানান, সিসিটিভি ফুটেজে পাওয়া নম্বরটি যাচাই করে দেখা গেছে সেটি ভুয়া। মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিক আট মাস আগে এটি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। পরে ফয়সালের বাবা এতে ভুয়া নম্বর প্লেট সংযোজন করেন।
হত্যাকাণ্ডের আগে হাদির আশপাশে ঘাতকদের উপস্থিতি এবং সার্বিক নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পুলিশ জানায়, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে দেশজুড়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে