স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরোধের পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সাইন্সল্যাব মোড় থেকে সরে গেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর আগে দুপুর থেকে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে তাঁরা অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ করা শিক্ষার্থীরা বিকেলে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন।
নিউমার্কেট থানার ওসি (অপারেশনস) সজীব কুমার বাড়ৈ জানান, সন্ধ্যা ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে শিক্ষার্থীরা রাস্তা ছেড়ে দেন।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি আন্দোলনের সমন্বয়কারী নাঈম হাওলাদার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা যেহেতু সরকারের পক্ষ থেকে স্পেসিফিক কোনো নির্দেশনা পাচ্ছি না, অতএব আমাদের এই কর্মসূচি আমরা স্পেসিফিক নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত চলমান রাখব। আমাদের এই ব্লকেড কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য চলমান থাকবে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা আগামীকাল ১৫ জানুয়ারি আবারও তিনটি স্পটে আমরা ব্লকেড কর্মসূচি চলমান রাখব।’
নাইম হাওলাদার আরও বলেন, ‘আগামীকাল সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল, তাঁতীবাজার মোড়—এই তিনটি স্পটে আবারও ব্লকেড কর্মসূচি চলমান থাকবে। অতএব আমরা আশাবাদী যে সরকার আমাদের বিষয়ে অর্থাৎ সাত কলেজ সমন্বয়ে যে প্রস্তাবনা করা হয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি নামে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের, সেটির চূড়ান্ত মুক্তি অর্থাৎ অধ্যাদেশ জারি করে সেটি সমাধান করে দেবেন।’
নাইম আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের লক্ষ্যে তারা (সরকার) একটি আইন প্রণয়নের কথা আমাদেরকে বলছে। তারা বিভিন্ন সময়ে আমাদেরকে বিভিন্ন আশ্বাস দিয়েছে। আমরা আশ্বাসে আশ্বস্ত হয়ে আমরা এখানে বারবার আন্দোলন সংগ্রামে যুক্ত হয়েছি এবং আন্দোলন সংগ্রাম উইথড্রো করে নিয়েছি। তবে আপনাদেরকে আজকে একটি কথা বলতে চাই, আজকে রাজধানীর চারটি পয়েন্টে সাত কলেজের বিপ্লবী শিক্ষার্থীরা অবরোধ করেছিল। সেই কর্মসূচি সফল করার একদম ক্রান্তিলগ্নে আপনাদের সামনে কথা বলতেছি। আর বেশি কথা বলব না। দীর্ঘদিনের আমাদের আন্দোলন সংগ্রামের আমরা সমাপ্তি চাই। আমরা আর কোনো জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে চাই না।’
এর আগে, বুধবার বেলা ১টার দিকে সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। মিরপুর এলাকার টেকনিক্যাল মোড়ে অবরোধ শুরু হয় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। দুপুর পৌনে ১২টায় পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হয়। এ ছাড়া ফার্মগেট এলাকাতেও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
তবে, বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তাঁতীবাজার, টেকনিক্যাল ও ফার্মগেট এলাকা ছেড়ে দেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাঁরা মিছিলি নিয়ে সাইন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। আন্দোলনকে এককেন্দ্রিক ও আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে সমন্বয়কারীরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে দ্রুত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অধ্যাদেশ অনুমোদনের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশাসনিক উৎকর্ষ ও শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে দ্রুত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি ও লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিং শেষে এটি উপদেষ্টা পরিষদে উত্থাপন করা হবে।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরোধের পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সাইন্সল্যাব মোড় থেকে সরে গেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর আগে দুপুর থেকে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে তাঁরা অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ করা শিক্ষার্থীরা বিকেলে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন।
নিউমার্কেট থানার ওসি (অপারেশনস) সজীব কুমার বাড়ৈ জানান, সন্ধ্যা ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে শিক্ষার্থীরা রাস্তা ছেড়ে দেন।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি আন্দোলনের সমন্বয়কারী নাঈম হাওলাদার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা যেহেতু সরকারের পক্ষ থেকে স্পেসিফিক কোনো নির্দেশনা পাচ্ছি না, অতএব আমাদের এই কর্মসূচি আমরা স্পেসিফিক নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত চলমান রাখব। আমাদের এই ব্লকেড কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য চলমান থাকবে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা আগামীকাল ১৫ জানুয়ারি আবারও তিনটি স্পটে আমরা ব্লকেড কর্মসূচি চলমান রাখব।’
নাইম হাওলাদার আরও বলেন, ‘আগামীকাল সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল, তাঁতীবাজার মোড়—এই তিনটি স্পটে আবারও ব্লকেড কর্মসূচি চলমান থাকবে। অতএব আমরা আশাবাদী যে সরকার আমাদের বিষয়ে অর্থাৎ সাত কলেজ সমন্বয়ে যে প্রস্তাবনা করা হয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি নামে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের, সেটির চূড়ান্ত মুক্তি অর্থাৎ অধ্যাদেশ জারি করে সেটি সমাধান করে দেবেন।’
নাইম আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের লক্ষ্যে তারা (সরকার) একটি আইন প্রণয়নের কথা আমাদেরকে বলছে। তারা বিভিন্ন সময়ে আমাদেরকে বিভিন্ন আশ্বাস দিয়েছে। আমরা আশ্বাসে আশ্বস্ত হয়ে আমরা এখানে বারবার আন্দোলন সংগ্রামে যুক্ত হয়েছি এবং আন্দোলন সংগ্রাম উইথড্রো করে নিয়েছি। তবে আপনাদেরকে আজকে একটি কথা বলতে চাই, আজকে রাজধানীর চারটি পয়েন্টে সাত কলেজের বিপ্লবী শিক্ষার্থীরা অবরোধ করেছিল। সেই কর্মসূচি সফল করার একদম ক্রান্তিলগ্নে আপনাদের সামনে কথা বলতেছি। আর বেশি কথা বলব না। দীর্ঘদিনের আমাদের আন্দোলন সংগ্রামের আমরা সমাপ্তি চাই। আমরা আর কোনো জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে চাই না।’
এর আগে, বুধবার বেলা ১টার দিকে সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। মিরপুর এলাকার টেকনিক্যাল মোড়ে অবরোধ শুরু হয় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। দুপুর পৌনে ১২টায় পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হয়। এ ছাড়া ফার্মগেট এলাকাতেও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
তবে, বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তাঁতীবাজার, টেকনিক্যাল ও ফার্মগেট এলাকা ছেড়ে দেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাঁরা মিছিলি নিয়ে সাইন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। আন্দোলনকে এককেন্দ্রিক ও আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে সমন্বয়কারীরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে দ্রুত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অধ্যাদেশ অনুমোদনের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশাসনিক উৎকর্ষ ও শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে দ্রুত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি ও লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিং শেষে এটি উপদেষ্টা পরিষদে উত্থাপন করা হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে