স্ট্রিম ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজা যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনার ‘প্রথম পর্যায়‘ বাস্তবায়নে একমত হয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েল। এই খবরে গাজার ধ্বংসস্তূপে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিরা উল্লাস করছেন। পাশাপাশি দুই বছর জিম্মি থাকা স্বজনদের মুক্তির আশায় আনন্দিত ইসরায়েলিরাও। যদিও চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংশয়ও আছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুই পক্ষের চুক্তিতে পৌঁছানোর খবর এলে তারা উল্লাসে রাস্তায় নেমে আসেন। চুক্তির খবর শুনে গাজার শরণার্থী শিবির থেকে ফোনে কান্না জড়িত কণ্ঠে আহমেদ শেইবার বলেন, এটি গাজাবাসীর জন্য বিশাল এক দিন, এটি অনেক আনন্দের দিন।
গাজা উপত্যকার খান ইউনিস শহরের বাসিন্দা আয়মান সাবেন বলেন, এই খবর আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।
অন্যদিকে, উপকূলীয় এলাকা আল-মাউসিতে ফিলিস্তিনিরা জড়ো হয়ে ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগান দেন এবং ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে উদযাপন করেন।
এদিকে, চুক্তিকে সম্মত হওয়ার এই খবর হামাসের হাতে জিম্মি ইসরায়েলিদের স্বজনদের কাছে দীর্ঘ দুই বছর আনন্দ হয়ে ধরা দিয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস তাদের জিম্মি করেছিল। চুক্তির ফলে তারা মুক্তি পাবেন।

চুক্তির খবরে তেল আবিবের রাস্তায় অশ্রুসিক্ত স্বজনরা একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি করেন, উল্লাস করেন। হারেৎজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এক ইসরায়েলি নারী অশ্রুসিক্ত নয়নে বলেন, আমার ছেলে বাড়ি আসছে। এই দিনের জন্যই আমি প্রার্থনা করেছিলাম।
তেল আবিবের জিম্মি চত্বরে সমবেত কিছু ইসরায়েলি আবার এই চুক্তি হওয়ার ক্ষেত্রে দূতিয়ালি করার জন্য ট্রাম্পের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত বলেও মনে করেন। আজ সকালে চুক্তির খবরে জড়ো হওয়া এই ইসরায়েলিরা ট্রাম্পকে ‘নোবেল শান্তি পুরস্কার’ দেওয়ার আহ্বানও জানান।
ব্রিটিশ-ইসরায়েলি এমিলি দামারিও হামাসের হাতে জিম্মি হয়েছিলেন। এক বছরের বেশি সময় জিম্মি থাকার পর গত জানুয়ারিতে তিনি মুক্তি পান। তিনি চুক্তি খবর উদযাপনে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ভিডিওতে তাঁর বন্ধু মুক্তি পাওয়া আরেক জিম্মি রোমি গোনেনও ছিলেন।
এদিকে, হামাস বলেছে, চুক্তির অংশ হিসেবে তারা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে জীবিত ২০ জিম্মিকে মুক্তি দেবে। সূত্রের বরাতের ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, বৃহস্পতিবার চুক্তিটি স্বাক্ষর হতে পারে। চুক্তি স্বাক্ষরের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলি জিম্মিদের বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই চুক্তিকে ‘ইসরায়েলের জন্য বিশাল দিন’ উল্লেখ করে বলেন, ঈশ্বরের সহায়তায় সবাইকে আমরা বাড়িতে নিয়ে আসব।
তবে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে ফিলিস্তিনি কারও কারও মধ্যে সংশয়ও আছে। যেমন মধ্য গাজার ত্রাণ সমন্বয়ক বাস্তুচ্যুত ইয়াড আমাউই। তিনি বলছেন, এখনো তিনি যুদ্ধবিরতির চুক্তির খবর বুঝতে পারছেন না। আমরা বিশ্বাস করি, বিশ্বাস করি না। এই ব্যাপারে আমাদের মিশ্র অনুভূতি আছে, সুখ-দুঃখের মাঝে, স্মৃতির মাঝে, সবকিছুই মিশ্র।
আমাউই বলেন, তিনি আশা করেন চুক্তিটি বাস্তবায়িত হবে এবং গাজার মানুষজন তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারে। নতুন করে জীবন শুরু করতে পারবে—যেখানে অনেক শিশু আহত এবং সর্বত্র ধ্বংসস্তূপ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তার সবচেয়ে বড় ভয় ছিল চুক্তি বাস্তবায়নে ইসরায়েল বাধা সৃষ্টি করবে। এখানে সবকিছু ঠিক করতে হবে, বিশেষ জীবন চালিয়ে যেতে আমাদের ওপর যে মানসিক প্রভাব পড়েছে তাও ঠিক করতে হবে।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধে ২০ দফা প্রস্তাবের প্রথম পর্যায় বাস্তবায়নে হামাস-ইসরায়েল সম্মত হয়। মিসরের শার্ম আল-শেখ শহরের রেড রিসোর্টে দুই পক্ষের পরোক্ষ আলোচনা থেকে এই সিদ্ধান্ত আসে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। ওই হামলায় প্রায় ১২০০ ইসরায়েলি নিহত হয়। এর অধিকাংশই বেসামরিক ব্যক্তি। পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি করেছিল হামাস। এর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে অনেককে মুক্তিও দেওয়া হয়। এখনো ৪৭ জন জিম্মি রয়েছে। এর মধ্যে ২০ জন জীবিত আছে বলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ধারণা।
এর প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েল গাজায় গত দুই বছরব্যাপী লাগাতার বোমা হামলা চালিয়ে গেছে। এতে শিশু ও নারীসহ ৬৭ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়। ইসরায়েলের হামলায় ফিলিস্তিন ভূখণ্ড ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং গাজায় মানবিক সংকট দেখা দেয়।

ফিলিস্তিনের গাজা যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনার ‘প্রথম পর্যায়‘ বাস্তবায়নে একমত হয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েল। এই খবরে গাজার ধ্বংসস্তূপে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিরা উল্লাস করছেন। পাশাপাশি দুই বছর জিম্মি থাকা স্বজনদের মুক্তির আশায় আনন্দিত ইসরায়েলিরাও। যদিও চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংশয়ও আছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুই পক্ষের চুক্তিতে পৌঁছানোর খবর এলে তারা উল্লাসে রাস্তায় নেমে আসেন। চুক্তির খবর শুনে গাজার শরণার্থী শিবির থেকে ফোনে কান্না জড়িত কণ্ঠে আহমেদ শেইবার বলেন, এটি গাজাবাসীর জন্য বিশাল এক দিন, এটি অনেক আনন্দের দিন।
গাজা উপত্যকার খান ইউনিস শহরের বাসিন্দা আয়মান সাবেন বলেন, এই খবর আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।
অন্যদিকে, উপকূলীয় এলাকা আল-মাউসিতে ফিলিস্তিনিরা জড়ো হয়ে ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগান দেন এবং ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে উদযাপন করেন।
এদিকে, চুক্তিকে সম্মত হওয়ার এই খবর হামাসের হাতে জিম্মি ইসরায়েলিদের স্বজনদের কাছে দীর্ঘ দুই বছর আনন্দ হয়ে ধরা দিয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস তাদের জিম্মি করেছিল। চুক্তির ফলে তারা মুক্তি পাবেন।

চুক্তির খবরে তেল আবিবের রাস্তায় অশ্রুসিক্ত স্বজনরা একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি করেন, উল্লাস করেন। হারেৎজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এক ইসরায়েলি নারী অশ্রুসিক্ত নয়নে বলেন, আমার ছেলে বাড়ি আসছে। এই দিনের জন্যই আমি প্রার্থনা করেছিলাম।
তেল আবিবের জিম্মি চত্বরে সমবেত কিছু ইসরায়েলি আবার এই চুক্তি হওয়ার ক্ষেত্রে দূতিয়ালি করার জন্য ট্রাম্পের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত বলেও মনে করেন। আজ সকালে চুক্তির খবরে জড়ো হওয়া এই ইসরায়েলিরা ট্রাম্পকে ‘নোবেল শান্তি পুরস্কার’ দেওয়ার আহ্বানও জানান।
ব্রিটিশ-ইসরায়েলি এমিলি দামারিও হামাসের হাতে জিম্মি হয়েছিলেন। এক বছরের বেশি সময় জিম্মি থাকার পর গত জানুয়ারিতে তিনি মুক্তি পান। তিনি চুক্তি খবর উদযাপনে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ভিডিওতে তাঁর বন্ধু মুক্তি পাওয়া আরেক জিম্মি রোমি গোনেনও ছিলেন।
এদিকে, হামাস বলেছে, চুক্তির অংশ হিসেবে তারা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে জীবিত ২০ জিম্মিকে মুক্তি দেবে। সূত্রের বরাতের ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, বৃহস্পতিবার চুক্তিটি স্বাক্ষর হতে পারে। চুক্তি স্বাক্ষরের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলি জিম্মিদের বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই চুক্তিকে ‘ইসরায়েলের জন্য বিশাল দিন’ উল্লেখ করে বলেন, ঈশ্বরের সহায়তায় সবাইকে আমরা বাড়িতে নিয়ে আসব।
তবে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে ফিলিস্তিনি কারও কারও মধ্যে সংশয়ও আছে। যেমন মধ্য গাজার ত্রাণ সমন্বয়ক বাস্তুচ্যুত ইয়াড আমাউই। তিনি বলছেন, এখনো তিনি যুদ্ধবিরতির চুক্তির খবর বুঝতে পারছেন না। আমরা বিশ্বাস করি, বিশ্বাস করি না। এই ব্যাপারে আমাদের মিশ্র অনুভূতি আছে, সুখ-দুঃখের মাঝে, স্মৃতির মাঝে, সবকিছুই মিশ্র।
আমাউই বলেন, তিনি আশা করেন চুক্তিটি বাস্তবায়িত হবে এবং গাজার মানুষজন তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারে। নতুন করে জীবন শুরু করতে পারবে—যেখানে অনেক শিশু আহত এবং সর্বত্র ধ্বংসস্তূপ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তার সবচেয়ে বড় ভয় ছিল চুক্তি বাস্তবায়নে ইসরায়েল বাধা সৃষ্টি করবে। এখানে সবকিছু ঠিক করতে হবে, বিশেষ জীবন চালিয়ে যেতে আমাদের ওপর যে মানসিক প্রভাব পড়েছে তাও ঠিক করতে হবে।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধে ২০ দফা প্রস্তাবের প্রথম পর্যায় বাস্তবায়নে হামাস-ইসরায়েল সম্মত হয়। মিসরের শার্ম আল-শেখ শহরের রেড রিসোর্টে দুই পক্ষের পরোক্ষ আলোচনা থেকে এই সিদ্ধান্ত আসে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। ওই হামলায় প্রায় ১২০০ ইসরায়েলি নিহত হয়। এর অধিকাংশই বেসামরিক ব্যক্তি। পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি করেছিল হামাস। এর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে অনেককে মুক্তিও দেওয়া হয়। এখনো ৪৭ জন জিম্মি রয়েছে। এর মধ্যে ২০ জন জীবিত আছে বলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ধারণা।
এর প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েল গাজায় গত দুই বছরব্যাপী লাগাতার বোমা হামলা চালিয়ে গেছে। এতে শিশু ও নারীসহ ৬৭ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়। ইসরায়েলের হামলায় ফিলিস্তিন ভূখণ্ড ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং গাজায় মানবিক সংকট দেখা দেয়।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১৭ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
২ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
২ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
২ দিন আগে