-109d84-480x270.webp)
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে বন্যায় নিহত বেড়ে ১ হাজার ৩৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশ দুটির কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, দেশটিতে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪২ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনো ৪ হাজার ৮৮৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, দেশটির তিব্বত অংশে নিহত বেড়ে ৩১ দাঁড়িয়েছে এবং ৫৩১ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালে নিখোঁজদের মধ্যে ৬৩৯ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী, ৫৮৩ বিদেশি নাগরিক, বিদেশি পর্যটকদের সঙ্গে থাকা ১৬৪ নেপালি এবং সেনা, পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ফোর্সের ৮৩ সদস্য রয়েছেন।
উদ্ধারকারীরা এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ৯৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন। এই ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই শুক্রবার সকালে ত্রিশূলি-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে ৯ দিন ধরে আটকে থাকা মেকানিক্যাল ফোরম্যান সঞ্জয় সাহ এবং মেকানিক্যাল সুপারভাইজার কবির মহারজনকে উদ্ধার করেছে নেপালি সেনাবাহিনী।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান ধর্মরাজ উপ্রেতি রয়টার্সকে জানান, বন্যায় ঘরবাড়ি, সড়ক ও অবকাঠামোর প্রায় ৩৮৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন নেপালি রুপি বা প্রায় ২৫৬ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে।
প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রায় ২০ হাজার বাড়ি পুনর্নির্মাণের প্রয়োজন হবে। দুর্যোগের পর প্রথম চার মাসের পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সড়ক নির্মাণ, অস্থায়ী আশ্রয় ও জরুরি সেবা পুনরুদ্ধারে প্রায় ৫ কোটি ২৬ লাখ ডলার প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি।
.png)







