ইয়েমেনের কারাগারে সৌদির বিমান হামলায় নিহত ৭

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ০৭
সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীর ট্রাকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই আগুনের সূত্রপাত হয়। ছবি: সংগৃহীত
সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীর ট্রাকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই আগুনের সূত্রপাত হয়। ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলীয় শহর আল-হাজমের একটি কারাগারে সৌদি আরব বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে শিশুসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন বলে দাবি হুতি বিদ্রোহীদের। খবর আল জাজিরার।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) হুতি-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসবাহি এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, সৌদি সীমান্ত-সংলগ্ন আল-জাওফ প্রদেশের আল-হাজমে সেন্ট্রাল কারেক্টিভ ফ্যাসিলিটিতে এই হামলা চালানো হয়। এতে নারীসহ সাতজন আহত হয়েছেন।

হুতি নিয়ন্ত্রিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশন হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে একটি ভবন ধসে পড়া এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে লোকজনকে তল্লাশি করতে দেখা যায়। তবে অভিযোগের বিষয়ে সৌদি আরব এখনো মন্তব্য করেনি।

এদিকে, আল-মাসিরাহ আরেকটি ভিডিওতে দাবি করেছে, হুতি হাদরামাউত প্রদেশের সীমান্ত ক্রসিংয়ে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী ট্রাকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

হুতি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি আল-জাওফে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা চালানোর’ অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, সৌদি আরব গোয়েন্দা ড্রোন উড়াচ্ছে এবং ভাড়াটে যোদ্ধাদের অস্ত্র সরবরাহ করছে।

সারি বলেন, ‘ইয়েমেনের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসনের জন্য সৌদিকে পরিণতি ভোগ করতে হবে।’ তিনি দাবি করেন, একদিনে হুতি বাহিনী সৌদি আরবের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে একটি সিএইচ-৪ ড্রোন ছিল। ড্রোনটি আল-জাওফে ‘শত্রুতামূলক মিশন’ পরিচালনা করছিল।

ইয়েমেনের এক দশকের যুদ্ধের মধ্যে কারাগারে বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে বেশ কয়েকবার। ২০২২ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সাদা প্রদেশের একটি বন্দিশিবিরে হামলা চালায়। ওই হামলায় অন্তত ৮৭ জন বন্দি নিহত এবং প্রায় ২৬৬ জন আহত হন।

২০১৯ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ধামার প্রদেশে হুতি পরিচালিত একটি বন্দিশিবিরে হামলা চালায়। এতে ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত