
আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃত বেড়ে ৪৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে এখনো ৯ শতাধিক মানুষ নিখোঁজ, যার মধ্যে বিদেশি ৫৩৭ জন। তবে এই বিপর্যয়ের মধ্যেও উদ্ধার অভিযানে বিদেশি নেবে না বলে জানিয়েছে নেপাল।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোক বাহাদুর ছেত্রী বলেন, ‘সহায়তার প্রস্তাব আসা স্বাভাবিক। আমাদের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। আপাতত আমাদের এই ধরনের কোনো সহায়তার প্রয়োজন নেই।’
রাসুওয়া জেলাসহ দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকারী দল পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল পাঠানোর অনুমতি চেয়ে নেপাল সরকারের কাছে আবেদন করেছে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও শ্রীলঙ্কা।
নেপালের সংবাদমাধ্যম দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে একটি প্রাথমিক দল নেপালে পাঠিয়েছে। ত্রাণ দল মোতায়েনের বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে ১০ লাখ ডলার মানবিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত তাদের ৯ নাগরিক এখনো নিখোঁজ এবং অন্য ১০ জন আটকা পড়েছেন।
বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাসুওয়া জেলা চীনের তিব্বত সীমান্ত-সংলগ্ন। বিদেশি উদ্ধারকারী দল ফিরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে ভূরাজনৈতিক কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা। জাতিসংঘের সাবেক নেপালি রাষ্ট্রদূত দিনেশ ভট্টরাই রয়টার্সকে বলেছেন, ভৌগোলিক সংবেদনশীলতার কথা বিবেচনা করে হয়তো বিদেশি উদ্ধারকারী দল গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল।
তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোক বাহাদুর ছেত্রী এই দাবি নাকচ করে বলেন, নেপালের নিজস্ব বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে।
.png)






