স্ট্রিম ডেস্ক

মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক গতকাল শনিবার (৫ জুলাই) ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠন করতে চলেছেন। ঘোষিত এ দলের নাম হতে চলেছে ‘আমেরিকা পার্টি’। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
মাস্ক এ ঘোষণা এমন সময় দিলেন যখন তাঁর সাবেক মিত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের নাটকীয় অবনতি ঘটেছে।
গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনি লিখেছেন, ‘যখন অপচয় ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে দেউলিয়া করে তোলা হয়, তখন আমরা একদলীয় ব্যবস্থায় বাস করি, গণতন্ত্রে নয়। আজ ‘আমেরিকা পার্টি’ গঠিত হচ্ছে আপনাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে।’
ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারণার সময়ে সবচেয়ে বেশি অনুদান দেওয়া মাস্ক সম্প্রতি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। ট্রাম্পের ‘বিগ বিউটিফুল বিল’ নামে পরিচিত নীতিমালার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন মাস্ক। ব্যাপক সমালোচনার মধ্যেই গত শুক্রবার (৪ জুলাই) ট্রাম্প এ বিলটিতে স্বাক্ষর করেন।
তবে মাস্কের ঘোষণার পরও এখনও নিশ্চিত নয় তিনি আইনগতভাবে নতুন দল গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনে (এফইসি) নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন কিনা।
মাস্ক বলেছেন, তাঁর দল সরকারি ব্যয় সংকোচন ও আর্থিক রক্ষণশীলতার ওপর জোর দেবে। সামাজিক ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে অনেকটাই একমত হলেও বাজেট ঘাটতি বাড়ানোর নীতিকে তিনি ‘ঋণ দাসত্ব’ বলে অভিহিত করেছেন।
মাস্ক আরও জানান, আগামী বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলটি সক্রিয় ভূমিকা রাখবে এবং প্রাথমিকভাবে সীমিত সংখ্যক কংগ্রেস ও সিনেট প্রার্থীদের সমর্থন করবে।
অন্যদিক ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, মাস্কের কোম্পানির সঙ্গে সরকারের করা চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কটাক্ষ করে বলেছেন, একসময়ের মাস্কের নেতৃত্বাধীন ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি’ এখন ‘ইলনকে গিলে ফেলতে’ পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের দুই দলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিকল্প খুঁজছেন এমন অনেক ভোটার রয়েছে। তবে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন নতুন দল গঠন আর্থিক ও আইনি দিক থেকে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।

মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক গতকাল শনিবার (৫ জুলাই) ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠন করতে চলেছেন। ঘোষিত এ দলের নাম হতে চলেছে ‘আমেরিকা পার্টি’। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
মাস্ক এ ঘোষণা এমন সময় দিলেন যখন তাঁর সাবেক মিত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের নাটকীয় অবনতি ঘটেছে।
গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনি লিখেছেন, ‘যখন অপচয় ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে দেউলিয়া করে তোলা হয়, তখন আমরা একদলীয় ব্যবস্থায় বাস করি, গণতন্ত্রে নয়। আজ ‘আমেরিকা পার্টি’ গঠিত হচ্ছে আপনাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে।’
ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারণার সময়ে সবচেয়ে বেশি অনুদান দেওয়া মাস্ক সম্প্রতি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। ট্রাম্পের ‘বিগ বিউটিফুল বিল’ নামে পরিচিত নীতিমালার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন মাস্ক। ব্যাপক সমালোচনার মধ্যেই গত শুক্রবার (৪ জুলাই) ট্রাম্প এ বিলটিতে স্বাক্ষর করেন।
তবে মাস্কের ঘোষণার পরও এখনও নিশ্চিত নয় তিনি আইনগতভাবে নতুন দল গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনে (এফইসি) নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন কিনা।
মাস্ক বলেছেন, তাঁর দল সরকারি ব্যয় সংকোচন ও আর্থিক রক্ষণশীলতার ওপর জোর দেবে। সামাজিক ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে অনেকটাই একমত হলেও বাজেট ঘাটতি বাড়ানোর নীতিকে তিনি ‘ঋণ দাসত্ব’ বলে অভিহিত করেছেন।
মাস্ক আরও জানান, আগামী বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলটি সক্রিয় ভূমিকা রাখবে এবং প্রাথমিকভাবে সীমিত সংখ্যক কংগ্রেস ও সিনেট প্রার্থীদের সমর্থন করবে।
অন্যদিক ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, মাস্কের কোম্পানির সঙ্গে সরকারের করা চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কটাক্ষ করে বলেছেন, একসময়ের মাস্কের নেতৃত্বাধীন ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি’ এখন ‘ইলনকে গিলে ফেলতে’ পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের দুই দলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিকল্প খুঁজছেন এমন অনেক ভোটার রয়েছে। তবে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন নতুন দল গঠন আর্থিক ও আইনি দিক থেকে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
২ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
২ দিন আগে