স্ট্রিম ডেস্ক

গত ২৪ ঘণ্টায় গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় আরও অন্তত ৭৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া উপকূলীয় ছিটমহলে ইসরায়েল সৃষ্ট খাদ্য সংকটে মারা গেছেন আরও দুইজন। এর মধ্যে ছয় বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছে।
আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) গাজা যুদ্ধ নিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানানো হয়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, মঙ্গলবার নিহতদের মধ্যে ১৯ জন ত্রাণ নিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
এদিকে, নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্স পুষ্টির অভাবে ছয় বছর বয়সী জামাল ফাডি আল নাজ্জার এবং ৩০ বছর বয়সী আবু মহসীনকে মৃত ঘোষণা করেন।
খাদ্যের অভাবে এই দুই ফিলিস্তিনির মৃত্যুর আগে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও পাঁচ ফিলিস্তিনি অপুষ্টিতে মারা গেছেন। সব মিলিয়ে ইসরায়েলের এই যুদ্ধ শুরুর পর খাদ্য সংকটে মৃত্যুসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৭ জনে। এর মধ্যে শতাধিক শিশু রয়েছে।
অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কানাডা, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যসহ ২৬টি দেশ গাজার এই নজিরবিহীন পরিস্থিতির নিন্দা জানিয়েছেন। তারা গাজায় দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ বন্ধ করতে জরুরিভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
উত্তর গাজার জিকিম ক্রসিংয়ের কাছে মঙ্গলবার এই হামলা চালায় ইসরায়েল। হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ত্রাণপ্রত্যাশীরা হামলার ভয়াবহতার বর্ণনা দিয়েছেন আল জাজিরাকে।
সায়িদ নামে এক ফিলিস্তিনি বলেন, ‘চারদিকে গুলিবর্ষণ হচ্ছিল। আমরা জানতাম না কী হচ্ছে। লোকজন আমাদের সামনেই মারা যাচ্ছে। আমাদের পায়ের মাঝখান দিয়ে গুলি যাচ্ছে। আমরা কিছু করতে পারছি না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে এসেছি একটু খেতে। কিন্তু আমরা খুব একটা খাবার পাচ্ছি না। আমরা ক্লান্ত, আমরা মরে যাচ্ছি…এক টুকরো রুটিও জীবন কেড়ে নিতে পারে।’
হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া আরেক ফিলিস্তিনি হলেন মোহাম্মদ আবু নাহল। ক্ষুধার তীব্রতার কথা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘চারদিকে গুলিবর্ষণ হচ্ছে। আমার চারপাশে মৃত ও আহতেরা পড়ে আছেন।’
তিনি বলেন,‘মৃতেরা আমাদের নিচে পড়েছিল। আমরা তাদের টেনে বের করছি। আমি এখানে এসেছি সন্তানদের খাবারের জন্য। খাবার কেনার কোনো অর্থ আমার কাছে নেই। খাবার ও পানি থাকলে আমি এখানে আসতাম না। আমি কী চুরি, লুটপাট করব?
আবু নাহল যুদ্ধ বন্ধে এবং তাদের দুর্ভোগ লাগবে বিশ্ববাসীকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
গত মে মাসের পর শুধু জিকিমেই ১৮৩৮ জনের বেশি ত্রাণপ্রত্যাশী ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজা উপত্যকায় যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুখ্যাত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) অভিযান শুরুর পর এই হত্যাযজ্ঞ ব্যাপক হারে বাড়ে।
উল্লেখ্য, গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর এখনো পর্যন্ত ৬১ হাজার ৫৯৯ জন নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় আরও অন্তত ৭৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া উপকূলীয় ছিটমহলে ইসরায়েল সৃষ্ট খাদ্য সংকটে মারা গেছেন আরও দুইজন। এর মধ্যে ছয় বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছে।
আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) গাজা যুদ্ধ নিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানানো হয়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, মঙ্গলবার নিহতদের মধ্যে ১৯ জন ত্রাণ নিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
এদিকে, নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্স পুষ্টির অভাবে ছয় বছর বয়সী জামাল ফাডি আল নাজ্জার এবং ৩০ বছর বয়সী আবু মহসীনকে মৃত ঘোষণা করেন।
খাদ্যের অভাবে এই দুই ফিলিস্তিনির মৃত্যুর আগে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও পাঁচ ফিলিস্তিনি অপুষ্টিতে মারা গেছেন। সব মিলিয়ে ইসরায়েলের এই যুদ্ধ শুরুর পর খাদ্য সংকটে মৃত্যুসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৭ জনে। এর মধ্যে শতাধিক শিশু রয়েছে।
অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কানাডা, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যসহ ২৬টি দেশ গাজার এই নজিরবিহীন পরিস্থিতির নিন্দা জানিয়েছেন। তারা গাজায় দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ বন্ধ করতে জরুরিভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
উত্তর গাজার জিকিম ক্রসিংয়ের কাছে মঙ্গলবার এই হামলা চালায় ইসরায়েল। হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ত্রাণপ্রত্যাশীরা হামলার ভয়াবহতার বর্ণনা দিয়েছেন আল জাজিরাকে।
সায়িদ নামে এক ফিলিস্তিনি বলেন, ‘চারদিকে গুলিবর্ষণ হচ্ছিল। আমরা জানতাম না কী হচ্ছে। লোকজন আমাদের সামনেই মারা যাচ্ছে। আমাদের পায়ের মাঝখান দিয়ে গুলি যাচ্ছে। আমরা কিছু করতে পারছি না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে এসেছি একটু খেতে। কিন্তু আমরা খুব একটা খাবার পাচ্ছি না। আমরা ক্লান্ত, আমরা মরে যাচ্ছি…এক টুকরো রুটিও জীবন কেড়ে নিতে পারে।’
হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া আরেক ফিলিস্তিনি হলেন মোহাম্মদ আবু নাহল। ক্ষুধার তীব্রতার কথা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘চারদিকে গুলিবর্ষণ হচ্ছে। আমার চারপাশে মৃত ও আহতেরা পড়ে আছেন।’
তিনি বলেন,‘মৃতেরা আমাদের নিচে পড়েছিল। আমরা তাদের টেনে বের করছি। আমি এখানে এসেছি সন্তানদের খাবারের জন্য। খাবার কেনার কোনো অর্থ আমার কাছে নেই। খাবার ও পানি থাকলে আমি এখানে আসতাম না। আমি কী চুরি, লুটপাট করব?
আবু নাহল যুদ্ধ বন্ধে এবং তাদের দুর্ভোগ লাগবে বিশ্ববাসীকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
গত মে মাসের পর শুধু জিকিমেই ১৮৩৮ জনের বেশি ত্রাণপ্রত্যাশী ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজা উপত্যকায় যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুখ্যাত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) অভিযান শুরুর পর এই হত্যাযজ্ঞ ব্যাপক হারে বাড়ে।
উল্লেখ্য, গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর এখনো পর্যন্ত ৬১ হাজার ৫৯৯ জন নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৮ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার দুই মাস না পেরোতে ভেনেজুয়েলার পরিবেশ যেন আমূল বদলে গেছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।
৪ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান শুরুর আগেই মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মসজিদের প্রাঙ্গণ থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, তা তেহরান স্পষ্ট করেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১ দিন আগে