ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে ইসরায়েলি বিমান প্রথম আঘাত হানে নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের চতুর্থ তলায়। অল্প কিছু সময় পরই দ্বিতীয় হামলা সরাসরি অ্যাম্বুলেন্স দল ও জরুরি সেবাদাতাদের আঘাত করে।
স্ট্রিম ডেস্ক

দক্ষিণ গাজায় নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্স নামে একটি হাসপাতালে দুই দফা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে চার সাংবাদিকসহ ১৯ জন নিহত হয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহত সাংবাদিকেরা হলেন—আল জাজিরার ক্যামেরাপার্সন মোহাম্মদ সালামা, রয়টার্সের কনট্রাক্টর হুসাম আল-মাসরি, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মাধ্যমে কাজ করা মারিয়াম আবু দাগা ও ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক মুয়াজ আবু তাহা। এ ছাড়া গাজার সিভিল ডিফেন্সের এক সদস্যও নিহত হয়েছেন।
এদিকে, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে ইসরায়েলি বিমান প্রথম আঘাত হানে নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের চতুর্থ তলায়। অল্প কিছু সময় পরই দ্বিতীয় হামলা সরাসরি অ্যাম্বুলেন্স দল ও জরুরি সেবাদাতাদের আঘাত করে।
ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, হাসপাতালের মুখপাত্র ও প্রধান নার্সিং কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সাকের প্রথম বিস্ফোরণের পর রক্তভেজা কাপড় দেখাচ্ছিলেন। এমন সময় দ্বিতীয় বিস্ফোরণে ভবনটি ধোঁয়ায় ভরে যায় এবং মানুষ আতঙ্কে দৌড়ে পালাতে থাকে। স্থানীয় আল-গাদ টিভির লাইভ ক্যামেরায় দেখা যায়, হাসপাতালের ক্ষতিগ্রস্ত সিঁড়িতে উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন, ঠিক তখনই দ্বিতীয় হামলা হয়।
জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে বলেছেন, গাজায় চার সাংবাদিক ও সিভিল ডিফেন্স সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি লিখেছেন, ‘আমি রাষ্ট্রগুলোকে অনুরোধ করছি, আর কত মৃত্যু দেখতে হবে আপনাদের? অস্ত্র রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিন। নিষেধাজ্ঞা আরোপ করুন।’
পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন (পিএফএলপি) নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে এ হামলাকে ‘ইসরায়েলি দখলদারিত্বের চাক্ষুষ নৃশংসতা ও নিষ্ঠুরতার প্রমাণ’ বলে অভিহিত করেছে।
ইসরায়েল ও তার মিত্রদের দায়ী করে পিএফএলপি জোর দিয়ে বলেছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের নেতৃত্বে থাকা সমর্থকরাই এই সংগঠিত অপরাধের জন্য ‘সম্পূর্ণভাবে দায়ী’।

দক্ষিণ গাজায় নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্স নামে একটি হাসপাতালে দুই দফা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে চার সাংবাদিকসহ ১৯ জন নিহত হয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহত সাংবাদিকেরা হলেন—আল জাজিরার ক্যামেরাপার্সন মোহাম্মদ সালামা, রয়টার্সের কনট্রাক্টর হুসাম আল-মাসরি, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মাধ্যমে কাজ করা মারিয়াম আবু দাগা ও ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক মুয়াজ আবু তাহা। এ ছাড়া গাজার সিভিল ডিফেন্সের এক সদস্যও নিহত হয়েছেন।
এদিকে, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে ইসরায়েলি বিমান প্রথম আঘাত হানে নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের চতুর্থ তলায়। অল্প কিছু সময় পরই দ্বিতীয় হামলা সরাসরি অ্যাম্বুলেন্স দল ও জরুরি সেবাদাতাদের আঘাত করে।
ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, হাসপাতালের মুখপাত্র ও প্রধান নার্সিং কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সাকের প্রথম বিস্ফোরণের পর রক্তভেজা কাপড় দেখাচ্ছিলেন। এমন সময় দ্বিতীয় বিস্ফোরণে ভবনটি ধোঁয়ায় ভরে যায় এবং মানুষ আতঙ্কে দৌড়ে পালাতে থাকে। স্থানীয় আল-গাদ টিভির লাইভ ক্যামেরায় দেখা যায়, হাসপাতালের ক্ষতিগ্রস্ত সিঁড়িতে উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন, ঠিক তখনই দ্বিতীয় হামলা হয়।
জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে বলেছেন, গাজায় চার সাংবাদিক ও সিভিল ডিফেন্স সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি লিখেছেন, ‘আমি রাষ্ট্রগুলোকে অনুরোধ করছি, আর কত মৃত্যু দেখতে হবে আপনাদের? অস্ত্র রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিন। নিষেধাজ্ঞা আরোপ করুন।’
পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন (পিএফএলপি) নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে এ হামলাকে ‘ইসরায়েলি দখলদারিত্বের চাক্ষুষ নৃশংসতা ও নিষ্ঠুরতার প্রমাণ’ বলে অভিহিত করেছে।
ইসরায়েল ও তার মিত্রদের দায়ী করে পিএফএলপি জোর দিয়ে বলেছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের নেতৃত্বে থাকা সমর্থকরাই এই সংগঠিত অপরাধের জন্য ‘সম্পূর্ণভাবে দায়ী’।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার দুই মাস না পেরোতে ভেনেজুয়েলার পরিবেশ যেন আমূল বদলে গেছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।
৪ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান শুরুর আগেই মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মসজিদের প্রাঙ্গণ থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, তা তেহরান স্পষ্ট করেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১ দিন আগে